সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সুবন্ধি বাধ, একজন জেলা প্রশাসক ও খালের দুপাড়ের অভাগা ৮০ হাজার মানুষ।।

বরগুনা জেলার সকল পর্যায়ের মানুষের খুব  মন খারাপ। ব্যক্তিগতভাবে আমারও। বরগুনা জেলার অত্যন্ত জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক, সাধারণ মানুষের খুব কাছের ব্যক্তি  ড: মুহা: বশিরুল আলম চলে গেছেন। বিভিন্ন  মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কারনে জেলা প্রশাসকের চলে যাওয়ার খবর এখন সুবন্ধি খালের দুপাড়ের ৮০ হাজার মানুষের মুখে মুখে। অনেকদিন ঢাকায় ছিলাম। আজকে অফিসেই দেখা হল চন্দ্রা, কাউনিয়া, লোদা এবং মহিষডাঙ্গার কয়েকজনের সাথে। দেখলাম তাদেরও খুব মন খারাপ। ২০০৮ সন থেকে সুবন্ধি বাধের কারনে আমতলী উপজেলার আমতলী, চাওড়া, হলদিয়া ইউনিয়ন  ও আমতলী পৌরসভার প্রায় ৮০ হাজার মানুষের কৃষি, পণ্য পরিবহন, জীবন জীবিকা এমনকি পানি ব্যবহার সংক্রান্ত দৈনন্দিন কাজ কর্ম মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। এ সংবাদ শুনে জেলা প্রশাসক স্যার শুধু নির্দেশনা দিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি নিজের চোখে সমস্যা দেখেছেন,ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কথা শুনেছেন,সমস্যা সমাধানের উপায় বের করার জন্য মিডিয়া, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে একাধিক বার মতবিনিময় সভা করেছেন। Citizen's  Voice -Barguna এবং Public Service  Innovation Bangladesh এ তুলে ধরে ...

ঐতিহ্যবাহী জনতা পাঠাগার, কিছু স্মৃতি কিছু বাস্তবতা।।

গত কয়েকদিন ধরে আমতলীর ঐতিহ্যবাহী জনতা পাঠাগার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঠাগারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে লেখালেখি এবং নতুন প্রজম্মের জ্ঞান চর্চার জন্য পাঠাগারটি পুরোদমে চালুর দাবী সম্বলিত আবেদন দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। ৮০ দশকে  আমতলীর মত একটি পিছিয়ে পরা জনপদে যারা পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করার একটি মহৎ উদ্যোগ নিয়েছিলেন আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি পাঠাগারের সাথে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার কারনে আমিও ব্যক্তিগতভাবে চাই পাঠাগারটি আবার আগের মত চালু হোক। আবার হয়ে উঠুক জমজমাট আড্ডা স্থল। ফিরে পাক হারানো গৌরব, ঐতিহ্য। জনতা পাঠাগার আমতলীর একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। আমতলীর শিক্ষানুরাগী ও  সংস্কৃতিমনা অধিকাং মানুষ এ প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন না কোনভাবে যুক্ত ছিল। আমরা কয়েকজন প্রতিযোগিতা করে বই পড়তাম, পড়া শেষে আলোচনা তর্ক বিতর্ক চলত। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী,সুখবন্ত সিং,গজেন্দ্র মিত্র, শাহরিয়ার কবির, হুমায়ুন আহমেদ এর মিসির আলী সাইন্স ফিকশন এবং ড: জাফর ইকবালের অধিকাংশ বই এখানেই পড়া। পাঠাগারের সংগ্রহ ঈর্ষনীয়। পাঠাগারের সেই আড্ডাটি আজ অতিত। পাঠাগারের সভাপতি হজ্বে, ফিরে আসলে কমিটির ...

সিটিজেন জার্নালিস্ট :কিছু সৃজনশীল চিন্তা, কিছু সম্ভাবনা।।

Social Mediaকে ভিত্তি করে Citizen Journalism বা নাগরিক সাংবাদিকতা বর্তমান সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়  হয়ে উঠছে। আমরাও যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমতলীর সমস্যা -সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছি,  লেখা লেখি করছি কালকে আসুন না আমিও থাকবো।  এক সাথে বসি।  আলোচনা করি। সমস্যা -সম্ভাবনা গুলো চিহ্নিত করি।  সম্ভাবনা গুলোকে বাস্তবে রুপ দেয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করি।

আমতলী সিটিজেন জার্নালিস্ট :নতুন পথ চলা।।

আমতলীর সমস্যা -সম্ভাবনা নিয়ে যারা ভাবছেন, বিচ্ছিন্নভাবে Social Media এ লেখা লেখি করছেন People's Voice of Amtali নামে তাদের নতুন করে এক সাথে পথ চলা শুরু হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই উদ্যমী তরুনদের অভিনন্দন জানাই,  স্বাগত জানাই। আমি বিশ্বাস করি, রাত যত অন্ধকারই  হোক না কেন,  রাতের আধার ভেদ করে সকালের সূর্য উঠবেই। আমতলীর সকল চিন্তা,  ভাল উদ্যোগের সাথে আছি, থাকবো । প্রত্যাশা করছি সকল সংকীর্ণতা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাও। নতুন চলার পথ শুভ হোক।