সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই।

  যুদ্ধে কে হারবে, কে জিতবে জানিনা। তবে এটা জানি,যুদ্ধে বিপুল সংখ্যক শিশু- নারী, সামরিক ও বেসামরিক মানুষ মারা যাবে। সংখ্যাটা হাজার, লক্ষ কিংবা কোটিও ছাড়াতে পারে। আমেরিকান একটি গবেষণা সংস্থা বলেছেন পারমানবিক অস্ত্রের ব্যবহার হলে এ যুদ্ধে ১২ কোটি মানুষ মারা যাবে। ভাবেন তো সংখ্যাটা ১২ হাজার নয়, ১২ লক্ষও নয়, ১২ কোটি। আহতের সংখ্যা জানিনা, মা বাবা হারানো শিশুদের সংখ্যা, ঘর বাড়ি হারানো মানুষের সংখ্যা - আমি জানিনা। তেজস্ক্রিয়তায় দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা আমরা কেউ জানিনা। যুদ্ধ হচ্ছে বর্তমান সময়ে মানবসভ্যতার জন্য এক চরম বিপর্যয়ের নাম। একবার হিরোশিমা নাগাসাকির কথা ভাবুনতো -সাথে সাথে মারা গেছে ১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ। এখনো সেখানে দীর্ঘ মেয়াদে ক্যান্সার, জন্মগত ত্রুটি এবং বিভিন্ন জেনেটিক সমস্যা নিয়ে শিশুরাজন্ম গ্রহণ করে । সুতরাং মানব সভ্যতা বাচাতে আসুন যুদ্ধকে না বলি। যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

Constructive Feedback ও সবাইকে খুশী করতে না পারা।।

  আপনি যখন কোন দায়িত্ব পালন করেন কিংবা নেতৃত্ব দেন,আপনাকে অনেক কাজ করতে হয় । অনেক কিছু ম্যানেজ করতে কয়। এসব করতে গিয়ে আপনার কাজ নিয়ে, দায়িত্ব পালন নিয়ে অনেক আলোচনা, অনেক সমালোচনা থাকবে। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তবে Feedback এবং criticism আমরা এক করে ফেলি। আমরা অনেকক্ষেত্রেই Constructive feedback দিতেও পারিনা এবং নিতেও পারিনা। একজন বিচারক যখন ন্যায় বিচার করেন তাতেও একটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পক্ষ বিচার মেনে না নিয়ে ক্ষুদ্ধ হন।স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বার্থে আঘাত লাগলে কেউ আর Constructive feedback দিতে পারেন না, কঠোর সমালোচনা শুরু করেন এবং সেটা যদি সীমানা অতিক্রম করে তাহলে আপনি মানসিকভাবে ভেংগে পড়েন কিংবা কাজের উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।    সেক্ষেত্রে আপনি যদি visionary leader হন আপনাকে অবশ্যই emotional intelligence এর সাহায্য নিতে হবে।সব সময়ই মনে রাখবেন, আপনি মানুষ নিয়ে এবং মানুষের সাথে কাজ করছেন,কোন কম্পিউটার বা AI নিয়ে নয়। সুতরাং আপনি কোনভাবেই সবাইকে খুশী করতে পারবেন না। চেষ্টা করাও বোকামী নয় ভন্ডামী। এক্ষেত্রে Steve Jobs একটি চমৎকার কথা বলেছেন, আপনি...

এক হ্যামিলনের বাশিওয়ালার জন্মদিন, সংকট সম্ভাবণায় শুভ দিনের প্রত্যাশা।।

  John C Maxwel খুব চমৎকারভাবে বলেছেন Leaders become great not because of their power but, because of their ability to empower others. এরকম একজন নেতা গোলাম সরোয়ার টুকু। পুরো রাজনৈতিক জীবনে স্রোতের বিরুদ্ধে থাকা মানুষটার সাথে সব সময়ই ঢাল হয়ে পাশে ছিল ছাত্র -যুবক ও বরগুনার সাধারণ মানুষ। বরগুনা সরকারী কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একাই দাড়ালেন,তার পক্ষ হয়ে লড়লেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সে এক অভাবনীয় এবং অপকল্পনীয় যুথবদ্ধ ঐক্য।    কোনদিন কোন স্থানীয় সরকার বা সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। জনপ্রিয়তার বাটখারায় মাপাও যায়নি সে কত জনপ্রিয়। সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেন একজন ৫ বারের সংসদ সদস্য, উপমন্ত্রী ও প্রায় ৩৪ বছর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং আওয়ামীলীগের মত সাংগঠনিককভাবে শক্তিশালী দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এবারও ঘটল একটি অভাবনীয় কান্ড। দলে দলে মানুষ তাকেই বরগুনা - আমতলী - তালতলী নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করল। এ যেন এক হ্যামিলনের বাশিওয়ালা। মানুষকে হাসাতে,কাদাতে, ক্ষুদ্ধ করতে, উদ্ধুদ্ধ করতে,পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাতে অসাধারণ এক ক্যারিশমেটিক ও সম্মোহনী শক্তি । এ এক E...

জহিরুল ইসলাম স্যারের দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী,পিভিএ'র বিনম্র শ্রদ্ধা।।

মো. জহিরুল ইসলাম। আমতলী মফিজউদ্দিন বালিকা বিদ্যালয়ের একজন সফল প্রধান শিক্ষক এবং আমার দেখা একজন দক্ষ,  সৎ, নিষ্ঠবান শিক্ষক এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ।  নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে ছিপছিপে শারীরিক অবয়ব এবং আচরণে রাগি একজন মানুষের প্রতিকৃতি। সময়টা যতটা মনে পরে ১৯৭৬ সন। আমি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ি।  আমার বড়বোন এমইউ বালিকা বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে এবং থাকে স্কুলের হোস্টেলে। হোস্টলে তখন মরহুম মোক্তার হোসেন তালুকদারের ২ মেয়ে নাজমা ফুফু এবং পারভিজ ফুফু   মরহুম আজিজ তালুকদারের ৩ মেয়ে জোসনা আপা, হেনা আপা  এবং কাজল আপা এবং আমেরিকা প্রবাসী  শাহআলম ভাইয়ের বোন রেহেনা আপু থাকতেন। মাঝে মাঝে বুধবার বাড়ি থেকে কিংবা বাজার থেকে কিনে দেয়া এটা ওটা মহসীন ভাই কিংবা চয়ন  ভাইয়ের সাথে পৌছে দেয়ার সুযোগ হয়েছিল । তখন শান্তি স্যার প্রধান শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে সরকারী চাকুরীতে যোগদান করেছেন এবং জহিরুল ইসলাম স্যার প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেছেন। তিনি খুবই কড়া মানুষ। আর যেকারনে হোস্টেলে যতবারই গেছি প্রতিবারই হোস্টেল সুপার জোহরা খাতুন ফুফু  এবং জহিরু...

ভিন্ন চোখে একজন গোলাম সরোয়ার টুকু।

  গোলাম সরোয়ার টুকু বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন রাজনীতিবিদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বরগুনা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের দুবার ভিপি,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ততা, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালনসহ তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন সভা সমাবেশে অসাধারণ বক্তৃতার কারনে এ জনপদের সকলের কাছেই তার পরিচিতি একজন ত্যাগী রাজনৈতিক নেতা হিসাবে। ২০০১ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রচারণায় টুকুর কর্মতৎপরতা, অসাধারণ বক্তৃতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা এ অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন নিয়ে টুকু মনে -প্রাণে,চিন্তা- দর্শনে সার্বক্ষনিক একজন Political activist.  রাজনীতি জীবনের একটি অংশ। রাজনৈতিক জীবনে প্রত্যেকেরই একটি লক্ষ্য থাকে একটি স্বপ্ন থাকে। তার সে স্বপ্ন- বাস্তবতা,সফলতা- ব্যর্থতা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সহযোদ্ধারা বিচার বিশ্লেষণ করবেন। আমার আজকের আলোচনার প্রেক্ষিত সেটি নয়,ভিন্ন- Look at the different perspective. আমরা দু...

আগস্টে করোনার ব্যাপক সংক্রমনের আশংকা, কর্মস্থলে পৌছার বিশেষ ব্যবস্থা না করেই পোষাক শিল্প কারখানা খুলে দেয়া সরকারের সুইসাইডাল সিদ্ধান্ত।।

  রেডিমেট গার্মেন্টস -আরএমজি সেকটর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানী খাত। ২০১৯ সালেও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। ঐ বছর ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে বাংলাদেশ। কিন্তু করোনার কারনে পোষাক শিল্পে বড় ধাক্কা লাগলেও বাংলাদেশ তা কাটিয়ে উঠে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ হাজার ১৪৫ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের পোশাক পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি৷ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। কোভিড পরিস্থিতিতেও ২০২০-২১ অর্থ বছরে দেশটিতে পোশাক রফতানি বেড়েছে ১৩ শতাংশের বেশি। সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে, অন্তত আগামী দুই বছর এ প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় থাকবে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ক্রয় বাড়িয়ে তুলতে যাচ্ছে মার্কিন খুচরা বিক্রেতা (রিটেইলার) প্রতিষ্ঠানগুলো। আমেরিকার বাজারে বাংলাদশী আরএমজি পণ্যের সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে। তারমানে এই নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষকে করোনা ঝুকিতে রেখে বিজিএমইএ এর স্বার্থ রক্ষায় গার্মেন্টস শিল্প কারখানা খুলে দিতে হবে। তারপরেও লক ডাউনের ম...

মতিউর রহমান বিএসসি, একজন সব্যসাচি শিক্ষক, একজন সফল সাংস্কৃতিক সংগঠক।।

১৯৮৪ সন। আমরা দশম শ্রেণীতে পড়ি। নবম শ্রেনীতে থাকাকালীন সময়েই কারিকুলাম পরিবর্তন করা হয়। ৮৫ এর ব্যাচটি ছিল শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যাচ। নবম শ্রেণীতে আমরা পদার্থ,রসায়ন জীববিজ্ঞান, ইতিহাস, পৌরনীতি সব বিষয় পড়েছি। পরে টাইপ ও সর্টহ্যান্ড ঐচ্ছিক ও ভুগোল সবার জন্য বাধ্যতামুলক করে বিজ্ঞান ও মানবিক গ্রুপ বিভাজন কর হয়। আমাদের ক্লাশে ভুগোল পড়াতেন যতদুর মনে পড়ে প্রথমে আজিজ স্যার পরে লতিফ স্যার এবং মোসলেম স্যার । একদিন স্যার ক্লাশে নেই আমরা হৈ চৈ করছি হঠাৎ মতি বিএসসি স্যার ক্লাশে ডুকে ভুগোল পড়ানো শুরু করলেন। আমরা তার পড়ানোর স্টাইল,অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ, বিভিন্ন মহাদেশ সম্পর্কে জ্ঞানের গভীরতা এবং মানচিত্র আকার কৌশল দেখে আমরা শুধু অবাকই হইনি আমরা সবাই সিদ্ধান্ত নিলাম হেড স্যারকে বলব মতি স্যার যেন ভুগোলের বাড়তি ক্লাশ নেন। মানবিক বিভাগ থেকে আমি ও বসির, বিজ্ঞান থেকে নুর জালাল ও জ.ই মামুন আকন স্যারকে বিষয়টি বললাম। স্যার আমাদের কথা শুনে মতি বিএসসি স্যারকে বাড়তি ক্লাশ নেয়ার অনুরোধ করলেন এবং স্যার টেস্ট পরীক্ষার পর বাড়তি ক্লাশ নিয়ে, সাজেশন ও নোট দিয়ে আমাদেরকে ভালভাবেই পরীক্...