সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আমতলী নাগরিক ফোরামের একটি মানবিক আবেদন: একটি স্বপ্ন বাচাতে শাহীনের পাশে দাড়ান ।।

আমতলী সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শাহীন। তার দু’টি চোখের মনি লম্বা হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে তার চোখের অপারেশন না করালে চিরদিনের মত চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলবে । তার দু’টি চোখের চিকিৎসার জন্য ২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। তার দরিদ্র পিতার পক্ষে এত টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব না বিধায় আমতলী উপজেলা নাগরিক ফোরাম ১৮ জুলাই বিকাল ৩টায় এ্যাডভোকেট এম্এ কাদের মিয়ার সভাপিতত্বে এক জরুরী সভায় আমতলী এবং আমতলীর বাইরের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে একটি মানবিক আবেদন জানিয়েছেন। একজন মেধাবী ছাত্রের চোখের আলো - একটি স্বপ্ন বাচাতে শাহীনের পাশে দাড়ান । বিকাশ নম্বর -খায়রুল বাশার বুলবুল, নাগরিক ফোরাম -০১৭০৯৯৭৫৪০১.

আপনার একদিনের চা/ সিগারেটের পয়সাই আমতলী সরকারী কলেজের ছাত্র শাহীনকে অন্ধত্ব থেকে বাচাতে পারে।

আমতলী সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শাহীন। তার দু’টি চোখের মনি লম্বা হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে তার চোখের অপারেশন না করালে চিরদিনের মত চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলবে । তার দু’টি চোখের চিকিৎসার জন্য ২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। দরিদ্র পিতা মাছ বিক্রেতা শাহজাহান মিয়ার পক্ষে তার চিকিৎসা করানো সম্ভব না, প্রয়োজন ধণাঢ্য, মহানুভব, দানশীল ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মানুষের সাহায্য সহযোগিতা। আপনার একদিনের চা /সিগারেটের পয়সাই পারে শাহীনকে চির অন্ধত্ব থেকে বাচাতে। আসনু মানবিক কারনে আমরা সবাই শাহীনের পাশে দাড়াই ।

সাহসিকতার সাথে এগিয়ে যাও

জিৎ ও কোয়েল মল্লিক অভিনিত ভারতীয় বাংলা ছবি বেশ করেছি প্রেম করেছি দেখছিলাম। ছবিতে একটি গান খুব ভাল লেগেছে। বেশ করেছি প্রেম করেছি করবইতো , ও রাধার মত মরতে হলে মরবইতো । বয়সটি প্রেমের। আমতলীর তারুণ্যও প্রেমে পরেছে, উচ্ছাসে ভাসছে। না এ প্রেম দুটি কাল চোখের জন্য নয়, ষোল কোটি মানুষের জন্য। জর্জ বাণাডশ এর একটি চমৎকার কথা আছে, যৌবনে প্রেমে না পরাও যেমনি অস্বাভাবিক, যৌবনে পরিবতর্নের স্বপ্ন না দেখাও অস্বাভাবিক । আমতলীর তারুণ্যও স্বপ্ন দেখছে, স্বপ্ন দেখাচ্ছে বদলে দেয়ার, বদলে  যাওয়ার। পরিবর্তনের অংগিকার নিয়ে একটি ব্যাতীক্রমধর্মী অনুষ্ঠান মিট দ্য প্রেস এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে নিজেরা গড়ি স্বপ্ন। আয়োজকদের স্বপ্নের কথা শুনলাম, বাস্তবায়নের কৌশল জেনে আনন্দিত হলাম, আশাবাদী হয়ে উঠলাম। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে এ স্বপ্ন দেখলে স্বপ্ন ভগংই ঘটবে। এপিজে আব্দুল কালামের মত এ স্বপ্ন ঘুমাতে না দিলেই স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠবে। দান্তের ভাষায় আমিও বলতে চাই, সাহসিকতার সাথে এগিয়ে যাও।

উন্নয়নের রোল মডেল, কোটি টাকার আনন্দ মেলা এবং সংঘাতপূর্ণ আমতলীর রাজনীতি।।

আমি বিভিন্ন সময়ে বলবার চেষ্টা করেছি, জিও পলিটিক্সের কারনে আমতলী-কলাপাড়া-কুয়াকাটা-তালতলী একটি গুরুত্বপূ্র্ণ অঞ্চল। উন্নয়নের দিক থেকে এ অঞ্চলটি অমিত সম্ভাবনাময়ী আর এ উন্নয়নের প্রবেশদ্বার বা gate way হচ্ছে আমতলী। সেক্ষেত্রে এ অঞ্চলের জন্য উন্নয়নের যে সুযোগ তৈরী হয়েছে সেটি যথার্থভাবে কাজে লাগিয়ে আমতলীকে উন্নয়নের রোল মডেল বানাতে হলে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, ঐক্য এবং সমঝোতা। আমতলীতে আনন্দ মেলা শুরু হয়েছে।  আমি ব্যক্তিগতভাবে বাঙালী ও লোকজ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, যাত্রা, পুতুল নাচ ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উৎপাদিত কৃষি পণ্যের প্রদর্শনী বা মেলার পক্ষে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা এবং পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রশাসন যেখানে সন্ধ্যার পরে কোন অনুষ্ঠানের অনুমতি দিচ্ছে না সেখানে এ ধরণের মেলার যৌক্তিকতা খুজে পাচ্ছিলাম না। পরে সাংবাদিক বন্ধুদের এবং মেলা সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে শুনলাম হাউজি,মামা মাথাই নষ্টসহ বিভিন্ন জুয়ায় প্রতিরাতে প্রায় কোটি টাকার লেন-দেন হয়। তখন বুঝলাম সমঝোতাটা কোথায়, ঐক্যটা কিসের। কারন পুজির কাছে কোন রাজনৈতিক আদর্শ নেই, ব্যক্তিগত নৈতিকতা নেই। এখানে গরীব মানুষ আরো গরীব হল কিনা, র...

আমতলী কলেজ সরকারীকরণ, কলেজ স্ট্রীটের বুড়ো বইয়ের দোকানদার ও আমতলীর উন্নয়নের রোল মডেল ।

আমতলী সরকারী কলেজের যাত্রা শুরু হয়েছে। গতকাল ২০ এপ্রিল আমাদের অত্যন্ত প্রিয়জন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারী কলেজের ফলক উম্মোচন করেছেন। গত ১৩ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ৭ এপ্রিল থেকে সরকারীকরণের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। এটি আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের বিষয় এবং আমতলী উপজেলা এমনকি এ অঞ্চলের মানুষের শিক ্ষা সংস্কৃতির বিস্তার, মেধা ও মননের বিকাশ এবং উন্নয়নের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। আমরা এই ক্ষনটির অপেক্ষায় ছিলাম। স্থানীয় ছাত্র শিক্ষক সাংবাদিক সুশীল সমাজ কলেজ সরকারীকরণের দাবীতে আন্দোলনও করেছে। আমরা কতিপয় সংবাদকর্মী এবং আমতলী কলেজের দুএকজন শিক্ষক যখন এই ইস্যুতে আন্দোলন করার প্রস্তাব করছিলাম স্থানীয় নেতারা শুধু আমাদেরকে পাগল বলতে বাকী রেখেছেন। তবে ভাবভার সুযোগ নেই শুধু আন্দোলনের কারনেই কলেজ সরকারীকরণ হয়েছে। স্কুল কলেজ সরকারীকরণ একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সুতরাং এ কৃতিত্ব একান্তভাবেই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার। কারন এ ...

Activism for gender equality

|| bvix-cyiæ‡li mgZv wfwËK mgvR PvB ||     bvix-cyiæ‡li mgZvi msMÖvg †Kej bvixi GKvi bq,cyiæl‡KI GwM‡q Avm‡Z n‡e cvjb Ki‡Z n‡e `vwqZ¡kxj f~wgKv|A·d¨v‡gi mn‡hvwMZvq wiKj cÖK‡íi gva¨‡g GbGmGm ‡m KvRwU Ki‡Q |

শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব

গত কয়েকদিন ধরে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা ভ্যাট বিরোধী অান্দোলন করছে। এ অান্দোলন নিয়ে প্রিন্ট ইলেকট্রনিক্স ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় হচ্ছে। পক্ষে বিপক্ষে মতামত দিচ্ছেন। কেউ কেউ অান্দোলনকারী ছাত্র ছাত্রী সম্পর্কে এমনি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বাজে নোংরা এবং অশালিন মন্তব্য করছেন। অান্দোলনের কৌশল, ছাত্র ছাত্রীদের ক্ষোভ প্রকাশের ভাষা বা পদ্ধতি নিয়ে দ্বিমত, ভিন্নমত থাকতেই পারে এটি যেকারো গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী দের টিউশন ফির উপর ভ্যাট আরোপের যৌক্তিকতার প্রশ্ন না তুলে যেভাবে অান্দোলনকারী ছাত্র ছাত্রী সম্পর্কে, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে নোংরা মন্তব্য করছেন, অশালিন ভাষায় গালাগাল করছেন তা শুধু যৌক্তিকই নয় অশোভন বটে।মনে রাখবেন, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা লেখা পড়া করছেন তারা আমাদেরই ভাই বোন ও সন্তান। গঠনমূলক সমালোচনা করুন, দোহাই সীমা লংঘন করবেন না। সকল পর্যায়ে শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এ বছর সরকার শিক্ষা খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে তারপরেও অবকাঠামোগত অপর্যাপ্ততা, শিক্ষক স্বল্পতার কার...

আমতলীর উন্নয়ন বিতর্ক, আমার কিছু কথা ও কিছু জিজ্ঞাসা।

গত কয়েকদিন ধরে আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস এবং কয়েকটি সভায় দেয়া বক্তৃতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছে। হোটেল রেস্তোরায় আলোচনা - সমালোচনার ঝড় বইছে। অসংখ টেলিফোনেও জবাব দিতে হচ্ছে। এটি একটি ইতিবাচক দিক। আমার খুব ভাল লাগছে অনেকে এই Development Discourse ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অংশগ্রহণ করছেন আবার খারাপ লাগছে কারো কারো ব্যক্তিগত আক্রমন এবং অসহিষ্ণু বাক্যবাণ। একজন নিরেট গণতান্ত্রিক মানুষ হিসেবে সবধরনের গঠনমূলক সমালোচনা সহ্য করার মন মানসিকতা আমার আছে। তবে আমি সকল পক্ষের কাছে বিশেষ করে যারা আমার পক্ষে অসহিষ্ণু মনোভাব প্রদর্শন করেছেন তাদের কাছেও বিনয়ের সাথে অনুরোধ করব ইতিবাচক ও সংযত মনোভাব নিয়ে সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আলোচনাকে সমৃদ্ধ করার। এটি কোন ব্যক্তিগত রেষারেষি বা বিরোধ নয় এটি একটি আদর্শিক চিন্তা, দার্শনিক যুক্তি, ব্যক্তিগত মতামত, উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করার ভার্চুয়ার সংলাপ। আমি আমতলী এবং আমতলীর বাইরে যারা যারা আমতলী নিয়ে স্বপ্ন দেখেন এরকম বিজ্ঞজনদেরকে এই সংলাপে অংশগ্রহণের অনুরোধ করব।