জিৎ ও কোয়েল মল্লিক অভিনিত ভারতীয় বাংলা ছবি বেশ করেছি প্রেম করেছি দেখছিলাম। ছবিতে একটি গান খুব ভাল লেগেছে। বেশ করেছি প্রেম করেছি করবইতো , ও রাধার মত মরতে হলে মরবইতো । বয়সটি প্রেমের। আমতলীর তারুণ্যও প্রেমে পরেছে, উচ্ছাসে ভাসছে। না এ প্রেম দুটি কাল চোখের জন্য নয়, ষোল কোটি মানুষের জন্য। জর্জ বাণাডশ এর একটি চমৎকার কথা আছে, যৌবনে প্রেমে না পরাও যেমনি অস্বাভাবিক, যৌবনে পরিবতর্নের স্বপ্ন না দেখাও অস্বাভাবিক । আমতলীর তারুণ্যও স্বপ্ন দেখছে, স্বপ্ন দেখাচ্ছে বদলে দেয়ার, বদলে যাওয়ার। পরিবর্তনের অংগিকার নিয়ে একটি ব্যাতীক্রমধর্মী অনুষ্ঠান মিট দ্য প্রেস এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে নিজেরা গড়ি স্বপ্ন। আয়োজকদের স্বপ্নের কথা শুনলাম, বাস্তবায়নের কৌশল জেনে আনন্দিত হলাম, আশাবাদী হয়ে উঠলাম। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে এ স্বপ্ন দেখলে স্বপ্ন ভগংই ঘটবে। এপিজে আব্দুল কালামের মত এ স্বপ্ন ঘুমাতে না দিলেই স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠবে। দান্তের ভাষায় আমিও বলতে চাই, সাহসিকতার সাথে এগিয়ে যাও।
গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন