জিৎ ও কোয়েল মল্লিক অভিনিত ভারতীয় বাংলা ছবি বেশ করেছি প্রেম করেছি দেখছিলাম। ছবিতে একটি গান খুব ভাল লেগেছে। বেশ করেছি প্রেম করেছি করবইতো , ও রাধার মত মরতে হলে মরবইতো । বয়সটি প্রেমের। আমতলীর তারুণ্যও প্রেমে পরেছে, উচ্ছাসে ভাসছে। না এ প্রেম দুটি কাল চোখের জন্য নয়, ষোল কোটি মানুষের জন্য। জর্জ বাণাডশ এর একটি চমৎকার কথা আছে, যৌবনে প্রেমে না পরাও যেমনি অস্বাভাবিক, যৌবনে পরিবতর্নের স্বপ্ন না দেখাও অস্বাভাবিক । আমতলীর তারুণ্যও স্বপ্ন দেখছে, স্বপ্ন দেখাচ্ছে বদলে দেয়ার, বদলে যাওয়ার। পরিবর্তনের অংগিকার নিয়ে একটি ব্যাতীক্রমধর্মী অনুষ্ঠান মিট দ্য প্রেস এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে নিজেরা গড়ি স্বপ্ন। আয়োজকদের স্বপ্নের কথা শুনলাম, বাস্তবায়নের কৌশল জেনে আনন্দিত হলাম, আশাবাদী হয়ে উঠলাম। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে এ স্বপ্ন দেখলে স্বপ্ন ভগংই ঘটবে। এপিজে আব্দুল কালামের মত এ স্বপ্ন ঘুমাতে না দিলেই স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠবে। দান্তের ভাষায় আমিও বলতে চাই, সাহসিকতার সাথে এগিয়ে যাও।
সুবন্ধি বাধ চাওড়া, হলদিয়া, আমতলী সদর ও আমতলী পৌরসভার প্রায় ৮০ হাজার মানুষের মরণ ফাদে পরিনত হয়েছে। আমরা যারা এ খালের দুপাড়ে বসবাস করি তারা জানি পানির প্রবাহ না থাকায় কচুরীপানা পচে পানি নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষি কাজে এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে গেছে। হলদিয়া গ্রামের এক অংশ, চিলা ও চাওড়া চলাভাংগা গ্রামের কৃষকরা পরিবহন করতে না পারায় আউশ চাষ বন্ধ করে দিয়েছে। গৃহস্তালি কাজেও এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এমনকি গবাদি পশুও এ খালের পানি পান করছে না। দুর্গন্ধে খালের পাশ দিয়ে হাটা যায় না। মশা ও সাপের উপদ্রব এবং ঘরে ঘরে চর্ম রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে। এ খালে মাছ ধরে প্রায় ৫শ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করত তাদের জীবন জীবিকা আজ ঝুকির মুখে পরেছে। খালে পানির প্রবাহ না থাকলে এ সমস্যা সমাধান করা যাবে না আর পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় সুবন্ধি বাধ কেটে দেয়া। কিন্ত একটি মহল গুটি কয়েক ব্যক্তির স্বার্থে ৮০ হাজার মানুষের জীবন জীবিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন,হীন স্বার্থে খাল কাটার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অথচ তারা ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন