সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2017 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবি গাজী আবদুল হালিমঃপুথি পড়ে,কবিতা বিক্রি করেই যার জীবিকা ।।

বয়সের ভারে নুয়ে পরলেও এখনো হাটে-বাজারে সুর করে কবিতা পড়েন,পুথি পড়েন ।গ্রাম-গঞ্জে কবিতা পাঠ,পুথি পাঠ,কবি গান চিত্ত বিনোদনের মাধ্যম হলেও পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের কবি গাজী আবদুল হালিম গত ৬১ বছর এভাবেই হাটে-বাজারে পুথি পড়ে, স্থানীয় ঘটনা নিয়ে কবিতা লিখে সুর করে তা বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন । বুধবার আমতলী বাজারের কাইউম মিয়ার চায়ের দোকানে কথা হয় তার সাথে। তিনি স্থানীয় ঘটনা নিয়ে প্রায় ১০০ কবিতা লিখে ছেন। বাংলা ১৩৬৩ সন থেকে প্রথমে গ্রামের অনুষ্ঠানগুলোতে সখের বশে স্থানীয় ঘটনা নিয়ে কবিতা লিখতেন এবং পুথি পাঠ করতেন। পরে হাটে-বাজারে পুথি পড়ে, কবিতা লিখে সুর করে তা বিক্রি শুরু করেন ।স্থানীয় ঘটনা তার কন্ঠে কবিতার সুরে শোনার জন্য হাট-বাজারে ব্যাপক ভীর হত। মানুষ ১০ পয়সা ২০ পয়সা দিয়ে তা কিনতও।দিনে দিনে কিভাবে যে এটা তার জীবিকা হয়ে গেল তা সে নিজেই জানেন না। ৭৫ বছর বয়সী এই স্বভাব কবি জানান গ্রাম -বাংলার ঐতিহ্য কবিতা পাঠ,পুথি পাঠ এবং কবি গান হারিয়ে গেছে। এখন কেউ এসব শুনতে চায় না, কিনেও না।আর আমিও সখের বশে এ পেশায় আসা মানুষটি স্ত্রী সন্তানসহ ৭ সদস্যর পরিবার নিয়ে বে...

৫০তম জম্মদিন: কিছু অকৃতিম ভালবাসা, কিছু প্রত্যাশা।

২২ অক্টোবর ছিল আমার ৫০ তম জম্মদিন। জীবনের ৪৯ টি বছর পেরিয়ে ৫০ বছরে পদার্পন করায় কাছের এবং দুরের অনেক বন্ধুরা ফোন করে, দেখা করে, সোশ্যাল মিডিয়ায়  শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ভার্চুয়াল গিফট দিয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই সাংবাদিক মনিরুজ্জামান সুমনকে একটা অসাধারণ লেখার মাধ্যমে  জম্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য। ধন্যবাদ জানাচ্ছি রাব্বি, অনন্যা ও বুশরাকে কেক কেটে,  মোমবাতি জ্বালিয়ে ৫০ তম জম্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য। শত ব্যস্ততার মাঝেও কয়েকজন বন্ধু দিনটি মনে রেখেছেন, বরীন্দ্র সরোবরে আয়োজন করেছেন ছোট্ট আড্ডার। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাদের প্রতিও। ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারনে এসব ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানাতে, কৃতজ্ঞতা জানাতে বিলম্ব হওয়ায় আন্তরিকভাবে দুখ প্রকাশ করছি। একটা মধ্যবিত্ত পরিবারে আমার  জম্ম। শৈশব বেড়ে উঠেছে গ্রামীণ পরিবেশে । মেঠো পথ,ধানের সোধা গন্ধ আর মুর্শিদি- মারফতি গানের অসাম্প্রদায়িক চেতনা শিশু মনকে কিছুটা হলেও করেছে প্রভাবিত। কৈশোর কেটেছে দেশের সর্বদক্ষিনের অবহেলিত একটি  উপজেলা শহরে। জম্মদিন পালন বর্তমান সংস্কৃতির একটি গু...

শুভ জম্মদিন ও একজন স্বপ্নের ফেরিওয়ালার গল্প ।।

The Wright Brothers  প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই আকাশের দিকে তাকিয়ে পাখির উড়া দেখতেন। দেখতে দেখতে এক সময় পাখির মত আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। একদিন তাদের স্বপ্ন সফল হল। পাখি হয়ে আকাশে উড়ে নয়, উড়োজাহাজ আবিস্কার করে আকাশ উড়ে। প্রতিটি জীবনে স্বপ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বপ্ন বা vision জীবনকে guide করে, স্বপ্ন ছাড়া জীবন হচ্ছে সুনির্দিষ্ট গন্তব্য ছাড়া দূরপাল্লার যাত্রার মত। তবে এ স্বপ্ন রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখা নয়। ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের মতে স্বপ্ন সেটাই যেটা অর্জনের জন্য আমাদেরকে ঘুমাতে দেয় না। স্বপ্ন দেখানো আরো কঠিন কাজ। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ স্যার সারাটা জীবন জুরেই স্বপ্ন ফেরী করেছেন। বিভিন্ন সভা সমাবেশ বক্তৃতা আর লেখার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ড: জাফর ইকবাল। আমাদের সমাজ জীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে প্রতিদিন  Social Media, পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে, চ্যানেলে সাক্ষাতকার, কমিউনিটি রেডিওর টক শোতে এমনকি মাঠে ঘাটে সভা সমাবেশ আর উঠান বৈঠকে যে মানুষটি এ অঞ্চলের তরুন প্রজম্মকে দিন বদলের কথা বলছেন, ...

আমতলীর শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, একজন মেডিকেল ছাত্রের প্রস্তাবনা ও সমসাময়ীক বাস্তবতা।।

Shamim Mohammad Rasel স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র। ব্যক্তিগতভাবে আমার সাথে পরিচয় নেই। Generation gap, Communication না থাকা এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য আমতলীর বাইরে চলে যাওয়ায় এ প্রজম্মের অনেক প্রতিভাবান তরুনদের আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তবে মিডিয়ার মানুষ হিসাবে সব সময়ই চেষ্টা করেছি আমতলীর সোনার ছেলে-মেয়েদের সফলতার গল্প তুলে আনতে। People's Voice of Amtali নিষ্ঠার সাথে সম্প্রতি এ কাজটি শুরু করেছে। গত কয়েকদিনে এই পেজের অন্যতম এডমিন আবদুর রহমান সালেহ খুব দক্ষতার সাথে কয়েকজনের গল্প তুলে ধরেছেন। গতকাল পিভিএ তে আমতলীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেডিকেল, বুয়েটসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতামুলক ভর্তি পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করার Shamim Mohammad Rasel এর বিভিন্ন প্রস্তাবনা দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। তার পোস্ট এবং অন্যদের কমেন্টস দেখে আমি খুবই আশান্বিত হয়েছি। এমনিতেই আমি খুব আশাবাদি মানুষ। আমতলীর রাজনীতি, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং সামাজিক সমস্যা দেখে আমি অন্যদের মত কখনোই হতাশ হইনি। উপরন্তু সুবন্ধি বাধের কারনে...

সুবন্ধি বাধ, একজন জেলা প্রশাসক ও খালের দুপাড়ের অভাগা ৮০ হাজার মানুষ।।

বরগুনা জেলার সকল পর্যায়ের মানুষের খুব  মন খারাপ। ব্যক্তিগতভাবে আমারও। বরগুনা জেলার অত্যন্ত জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক, সাধারণ মানুষের খুব কাছের ব্যক্তি  ড: মুহা: বশিরুল আলম চলে গেছেন। বিভিন্ন  মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কারনে জেলা প্রশাসকের চলে যাওয়ার খবর এখন সুবন্ধি খালের দুপাড়ের ৮০ হাজার মানুষের মুখে মুখে। অনেকদিন ঢাকায় ছিলাম। আজকে অফিসেই দেখা হল চন্দ্রা, কাউনিয়া, লোদা এবং মহিষডাঙ্গার কয়েকজনের সাথে। দেখলাম তাদেরও খুব মন খারাপ। ২০০৮ সন থেকে সুবন্ধি বাধের কারনে আমতলী উপজেলার আমতলী, চাওড়া, হলদিয়া ইউনিয়ন  ও আমতলী পৌরসভার প্রায় ৮০ হাজার মানুষের কৃষি, পণ্য পরিবহন, জীবন জীবিকা এমনকি পানি ব্যবহার সংক্রান্ত দৈনন্দিন কাজ কর্ম মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। এ সংবাদ শুনে জেলা প্রশাসক স্যার শুধু নির্দেশনা দিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি নিজের চোখে সমস্যা দেখেছেন,ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কথা শুনেছেন,সমস্যা সমাধানের উপায় বের করার জন্য মিডিয়া, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে একাধিক বার মতবিনিময় সভা করেছেন। Citizen's  Voice -Barguna এবং Public Service  Innovation Bangladesh এ তুলে ধরে ...

ঐতিহ্যবাহী জনতা পাঠাগার, কিছু স্মৃতি কিছু বাস্তবতা।।

গত কয়েকদিন ধরে আমতলীর ঐতিহ্যবাহী জনতা পাঠাগার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঠাগারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে লেখালেখি এবং নতুন প্রজম্মের জ্ঞান চর্চার জন্য পাঠাগারটি পুরোদমে চালুর দাবী সম্বলিত আবেদন দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। ৮০ দশকে  আমতলীর মত একটি পিছিয়ে পরা জনপদে যারা পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করার একটি মহৎ উদ্যোগ নিয়েছিলেন আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি পাঠাগারের সাথে দীর্ঘদিন যুক্ত থাকার কারনে আমিও ব্যক্তিগতভাবে চাই পাঠাগারটি আবার আগের মত চালু হোক। আবার হয়ে উঠুক জমজমাট আড্ডা স্থল। ফিরে পাক হারানো গৌরব, ঐতিহ্য। জনতা পাঠাগার আমতলীর একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। আমতলীর শিক্ষানুরাগী ও  সংস্কৃতিমনা অধিকাং মানুষ এ প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন না কোনভাবে যুক্ত ছিল। আমরা কয়েকজন প্রতিযোগিতা করে বই পড়তাম, পড়া শেষে আলোচনা তর্ক বিতর্ক চলত। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী,সুখবন্ত সিং,গজেন্দ্র মিত্র, শাহরিয়ার কবির, হুমায়ুন আহমেদ এর মিসির আলী সাইন্স ফিকশন এবং ড: জাফর ইকবালের অধিকাংশ বই এখানেই পড়া। পাঠাগারের সংগ্রহ ঈর্ষনীয়। পাঠাগারের সেই আড্ডাটি আজ অতিত। পাঠাগারের সভাপতি হজ্বে, ফিরে আসলে কমিটির ...

সিটিজেন জার্নালিস্ট :কিছু সৃজনশীল চিন্তা, কিছু সম্ভাবনা।।

Social Mediaকে ভিত্তি করে Citizen Journalism বা নাগরিক সাংবাদিকতা বর্তমান সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়  হয়ে উঠছে। আমরাও যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমতলীর সমস্যা -সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছি,  লেখা লেখি করছি কালকে আসুন না আমিও থাকবো।  এক সাথে বসি।  আলোচনা করি। সমস্যা -সম্ভাবনা গুলো চিহ্নিত করি।  সম্ভাবনা গুলোকে বাস্তবে রুপ দেয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করি।

আমতলী সিটিজেন জার্নালিস্ট :নতুন পথ চলা।।

আমতলীর সমস্যা -সম্ভাবনা নিয়ে যারা ভাবছেন, বিচ্ছিন্নভাবে Social Media এ লেখা লেখি করছেন People's Voice of Amtali নামে তাদের নতুন করে এক সাথে পথ চলা শুরু হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই উদ্যমী তরুনদের অভিনন্দন জানাই,  স্বাগত জানাই। আমি বিশ্বাস করি, রাত যত অন্ধকারই  হোক না কেন,  রাতের আধার ভেদ করে সকালের সূর্য উঠবেই। আমতলীর সকল চিন্তা,  ভাল উদ্যোগের সাথে আছি, থাকবো । প্রত্যাশা করছি সকল সংকীর্ণতা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাও। নতুন চলার পথ শুভ হোক।

খন্দকার মোশতাক ও আমতলী কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর একজন ছাত্র।।

    খন্দকার মোশতাক ও আমতলী কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর একজন ছাত্র।। বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানের দেহ নামাতে যে লোকটি কবরে নেমেছিল তার নাম খন্দকার মোশতাক। শেখ কামাল ের বিয়ের উকিল বাপের নাম খন্দকার মোশতাক। বঙ্গবন্ধুর মাতার মৃত্যুতে যে লোকটি মাটিতে শুয়ে কান্নায় গড়াগড়ি করেছিলো তার নাম খন্দকার মোশতাক। সবাই সোনার নৌকা উপহার দিলেও বঙ্গবন্ধুকে সোনার বটগাছ উপহার দিয়েছিল খন্দকার মোশতাক কারণ বঙ্গবন্ধু তার কাছে বটগাছের মত।১৪ই আগস্ট দুপুরে যে লোকটি বাসা থেকে তরকারী রান্না করে নিয়ে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে খাইয়েছিলো তারও নাম খন্দকার মোশতাক। বুধবার দুপুরে জিয়াউল হক মুক্তা ভাইর এ লেখাটি নিয়ে আমরা কয়েকজন সাংবাদিক আমতলী প্রেসক্লাবের সামনের একটি চায়ের দোকানে আলোচনা করছিলাম। আলোচনার এক পর্যায়ে আমতলী সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর একজন ছাত্র জানতে চাইল কে এই খন্দকার মোশতাক? আমরা অবাক বিস্ময়ে ছেলেটার দিকে তাকালেও,আমি ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিক অসচেতন এই তরুন প্রজন্মকে কোন দোষ দেই না। দোষ আমাদের, আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি, আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে একটি অসাম্প্রদায়...

নজরুল: একজন বিপ্লবী ছাত্রনেতা

নজরুল: একজন সাহসী সাংবাদিকের প্রতিকৃতি

মৃত্যুকে শাসাই - বলি , তোর মরে যাওয়া ভাল , যেমন মরেছে সাদা ঘাসের সকল প্রেম। নিজের লেখা কবিতার মত মৃত্যুকে শাসাতে পারেননি। বরং সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতে গিয়ে , স্বপ্ন দেখাতে গিয়ে নিজেই একদিন স্বপ্নের দ্রুবতাঁরা হয়ে গেলেন। হা , আমি বরিশাল বিএম কলেজের একজন বিপ্লবী ছাত্রনেতা এবং আপোষহীন সাংবাদিক দৈনিক ইত্তেফাকের বরিশাল সংবাদদাতা নজরুল ইসলামের কথা বলছি। নজরুল একজন ছাত্রনেতা হিসাবে , একজন সাহসী সাংবাদিক হিসাবে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান , ৭০ এর নির্বাচন এবং ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র জনতাকে সংগঠিত করার জন্য , মুক্তির সংগ্রামে সামীল করার জন্য ঘুরে বেড়িয়েছেন গোটা দক্ষিনাঞ্চল। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তখন জাসদ ছাত্রলীগের জয়জয়কার। তারুণ্যের এ হাওয়া দক্ষিনাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও লেগেছিল। এ অঞ্চলের ছাত্র - জনতাকে সমাজ পরিবর্তনের বিপ্লবী আদর্শে   উদ্দীপ্ত করার অন্যতম সংগঠক নজরুল। নজরুলের জম্ম ১৯৫৩ সনের ২৯ জুলাই বরগুনা জেলার ...