সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
অবশেষে অমল তার বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ফিরে পেয়েছে। সকাল থেকে বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান উদ্ধারের দাবীতে পরিবার পরিজন নিয়ে অমল আমরণ অনশন করছিল। অনশনের সংবাদ শুনেই ছুটে আসেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি,এম দেলওয়ার হোসেন  পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান ও আমতলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার মৃধাসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।তারা অমলের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের দখল বুঝিয়ে দিয়ে অনশন ভংগ করান। এজন্য আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই,কৃতজ্ঞতা জানাই মিডিয়া,আমতলীর ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও যুব সমাজসহ কাছের এবং দূরের ফেসবুক বন্ধুদের যারা অমলের ন্যায় সঙ্গত আন্দোলনে সামীল হয়েছেন একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।
সিলেটের রাজন,খুলনার রাকিব অার বরগুনার রবিউল হত্যাকান্ডসহ সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গোটা দেশ অাজ ক্ষোভ- বিক্ষোভে উত্তাল। অামতলীতেও সে বিক্ষোভের হাওয়া লেগেছে। ফুসে উঠেছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।  বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ এবং বিচারের দাবীতে ভিন্ন ভিন্নভাবে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করলেও প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগে সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। শিশু নির্যাতন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ  এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় একটি সামাজিক অান্দোলন গড়ে তোলার জন্য অাইনজীবি,শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে  গতকাল ৯ অাগস্ট অামতলীতে  গড়ে উঠেছে সম্মিলিত নাগরিক মঞ্চ। অাসুন অামরা সম্মিলিতভাবে শিশু নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতাসহ মানবাধিকার লংঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
সমালোচনা করুন,  দোহাই সীমা লংঘন করবেন না। সকল পর্যায়ে শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এ বছর সরকার শিক্ষা খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে তারপরেও অবকাঠামোগত অপর্যাপ্ততা,  শিক্ষক স্বল্পতার কারনে প্রায় সারে ৩ লক্ষ ছাত্র ছাত্রীর উচ্চ শিক্ষার সুযোগ রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারেনি। এটি রাষ্ট্রের চরম ব্যর্থতা। রাষ্ট্র তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কথা বিবেচনা না করে যেসব দরিদ্র,মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক পরিবারের সন্তান পাবলিক  বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে অতিরিক্ত টিউশন ফি দিয়ে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা পড়া করছেন, রাষ্ট্র টিউশন ফি না কমিয়ে,  তাদের  পাশে না দাড়িয়ে ভ্যাট আরোপ করে তাদের বিপক্ষে দাড়িয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত চরম অযৌক্তিক, অসাংবিধানিক যা মাত্র ৩শ কোটি টাকার ভ্যাটের জন্য উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত করবে এবং পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বৈষম্যের পাহাড় তৈরী করবে। শিক্ষা খাতে খরচ যদি বিনিয়োগ হয়ে থাকে একজন অভিভাবক হিসাবে সরকারের কাছে অনুরোধ করব অনতিবিলম্বে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের টিউশন ফির ...
অন্ধ  রাষ্ট্রযন্ত্র ঃ ফজলু মিয়া এবং ফাইয়াজ মিয়ার দিনকাল বিনা অপরাধে,বিনা বিচারে ২২ বছর জেল খেটে সিলেট কারাগার থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন ফজলু মিয়া। অন্যদিকে গুলশানের অভিজাত এলাকার ব্যস্থ সড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে গাড়ির ধাক্কায় এক শিশু নিহত এবং ৪ জন আহত করার মত অপরাধ করলেও অভিযুক্ত ফাইয়াজ মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার না করে নিরাপদে বাসায় পৌছে দিয়েছে। ফজলু মিয়া দরিদ্র মানুষ বলে রাষ্ট্রযন্ত্র তার অধিকারের বিষয়ে নির্বিকার, অন্ধ আর ফাইয়াজ মিয়া প্রভাবশালী সাবেক এমপির ভাতিজা বলে তার অপরাধ না দেখার ভান করছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয় না। দুর্ভাগ্য এখনো ছবি বিশ্বাসের মত চিৎকার করে বলতে হয়  ফিরিয়ে দাও আমার ২২ টি বছর।

অমল পাল আমাদেরকে ক্ষমা করো।

মানুষের বিপদে- আপদে যাকে সব সময় পাশে পাওয়া যেত সেই স্বজ্জন ব্যক্তিটি আজ আর আমাদের মাঝে নেই। খুব কম বয়সে বড় অভিমান নিয়ে তুমি চলে গেলে । আমরা তোমার জন্য কিছুই করতে পারিনি এমনকি দরজা জানালা বন্ধ করে  মিন মিন করেও বলতে পারিনি হামলাকারীদের বিচার চাই। আমাদের রহস্যজনক নিরবতা আর সামগ্রিক অক্ষমতার জন্য আমাদেরকে ক্ষমা করো।

দক্ষতায় মর্যাদা বাড়ে ভিক্ষায় হারায়।

অমল পেশায় একজন নরসুন্দর। তার ছোট দোকানটি বেদখল হয়েছিল। আমরণ অনশনের মাধ্যমে এ সংখ্যালঘু মানুষটি বেচে থাকার একমাত্র  অবলম্বন দোকানটি ফিরে পেয়েছে। এ সফলতার কাহিনী প্রচারে গত দুদিন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, অন লাইন পত্রিকা ও সোশ্যাল মিডিয়া খুবই সরব ভূমিকা পালন করেছে।এটি অবশ্যই একটি ইতিবাচক দিক। তবে আমি একটি কারনে খুবই উদ্ভিগ্ন তাহলো, যারা সংবাদ পরিবেশন করেছেন তারা অহেতুক এবং অনাঙ্খিতভাবে দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে গেছেন। কেউ উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিচে নামিয়ে  মেয়রকে হাইলাইট করার চেষ্টা করেছেন, কেউবা মেয়রকে নিচে নামিয়ে  উপজেলা চেয়ারম্যানকে হাইলাইট করার চেষ্টা করেছেন আবার কেউ কেউ ডিজিটাল ব্যানার, দাগ খতিয়ানের প্রশ্ন তুলে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের  চেষ্টাও করেছেন । কোন কোন সংবাদে উপজেলা চেয়ারম্যানের নামই নেই,কোনটায় মেয়রের। অথচ  সেখানে উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র এবং আমতলী ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।  হয়তো কেউ উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থক,  কেউবা  মেয়রের। সে ব্যক্তিগত আনুগত্যর দিক থেকে আমরা কাউকে নামানো-উঠানোর চেষ্টা করেছি। ...