সিলেটের রাজন,খুলনার রাকিব অার বরগুনার রবিউল হত্যাকান্ডসহ সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গোটা দেশ অাজ ক্ষোভ- বিক্ষোভে উত্তাল। অামতলীতেও সে বিক্ষোভের হাওয়া লেগেছে। ফুসে উঠেছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ এবং বিচারের দাবীতে ভিন্ন ভিন্নভাবে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করলেও প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগে সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। শিশু নির্যাতন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় একটি সামাজিক অান্দোলন গড়ে তোলার জন্য অাইনজীবি,শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে গতকাল ৯ অাগস্ট অামতলীতে গড়ে উঠেছে সম্মিলিত নাগরিক মঞ্চ। অাসুন অামরা সম্মিলিতভাবে শিশু নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতাসহ মানবাধিকার লংঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
সুবন্ধি বাধ চাওড়া, হলদিয়া, আমতলী সদর ও আমতলী পৌরসভার প্রায় ৮০ হাজার মানুষের মরণ ফাদে পরিনত হয়েছে। আমরা যারা এ খালের দুপাড়ে বসবাস করি তারা জানি পানির প্রবাহ না থাকায় কচুরীপানা পচে পানি নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষি কাজে এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে গেছে। হলদিয়া গ্রামের এক অংশ, চিলা ও চাওড়া চলাভাংগা গ্রামের কৃষকরা পরিবহন করতে না পারায় আউশ চাষ বন্ধ করে দিয়েছে। গৃহস্তালি কাজেও এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এমনকি গবাদি পশুও এ খালের পানি পান করছে না। দুর্গন্ধে খালের পাশ দিয়ে হাটা যায় না। মশা ও সাপের উপদ্রব এবং ঘরে ঘরে চর্ম রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে। এ খালে মাছ ধরে প্রায় ৫শ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করত তাদের জীবন জীবিকা আজ ঝুকির মুখে পরেছে। খালে পানির প্রবাহ না থাকলে এ সমস্যা সমাধান করা যাবে না আর পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় সুবন্ধি বাধ কেটে দেয়া। কিন্ত একটি মহল গুটি কয়েক ব্যক্তির স্বার্থে ৮০ হাজার মানুষের জীবন জীবিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন,হীন স্বার্থে খাল কাটার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অথচ তারা ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন