সিলেটের রাজন,খুলনার রাকিব অার বরগুনার রবিউল হত্যাকান্ডসহ সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গোটা দেশ অাজ ক্ষোভ- বিক্ষোভে উত্তাল। অামতলীতেও সে বিক্ষোভের হাওয়া লেগেছে। ফুসে উঠেছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ এবং বিচারের দাবীতে ভিন্ন ভিন্নভাবে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করলেও প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগে সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। শিশু নির্যাতন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় একটি সামাজিক অান্দোলন গড়ে তোলার জন্য অাইনজীবি,শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে গতকাল ৯ অাগস্ট অামতলীতে গড়ে উঠেছে সম্মিলিত নাগরিক মঞ্চ। অাসুন অামরা সম্মিলিতভাবে শিশু নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতাসহ মানবাধিকার লংঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলি।
গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন