অবশেষে অমল তার বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ফিরে পেয়েছে। সকাল থেকে বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান উদ্ধারের দাবীতে পরিবার পরিজন নিয়ে অমল আমরণ অনশন করছিল। অনশনের সংবাদ শুনেই ছুটে আসেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি,এম দেলওয়ার হোসেন পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান ও আমতলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার মৃধাসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।তারা অমলের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের দখল বুঝিয়ে দিয়ে অনশন ভংগ করান। এজন্য আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই,কৃতজ্ঞতা জানাই মিডিয়া,আমতলীর ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও যুব সমাজসহ কাছের এবং দূরের ফেসবুক বন্ধুদের যারা অমলের ন্যায় সঙ্গত আন্দোলনে সামীল হয়েছেন একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।
গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন