সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Innovation Talk, সফলতা নিয়ে গবেষণা, Branding :পিভিএ এখন ভিন্ন উচ্চতায় ।।



People's Voice of Amtali -PVA'র সফলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের A2I আওতায় Innovation Talk ছিল আমাদের জন্য একটা বড় অর্জন। পিভিএ'র সাথে যুক্ত একঝাক স্বপ্নবাজ,
প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নাগরিক সাংবাদিকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠার ১০ মাসে এরকম একটি অর্জন নি:সন্দেহে ঈর্ষণীয়। পিভিএ'র পাখায় এরকম একটি সফলতার পালক যুক্ত হওয়ার দুই মাসের ব্যবধানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের একজন শিক্ষার্থী পিভিএ'র সফলতা নিয়ে একাডেমিক গবেষণার উদ্যোগ নেয়ায় পিভিএ এখন উচ্চতার আরেক ধাপে।
গতকাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম তার স্নাতকোত্তর থিসিসের অংশ হিসেবে মাঠ প্রশাসনের সাথে নাগরিকদের সেতুবন্ধনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুমিকা শীর্ষক গবেষণায় কেস স্টাডি হিসেবে পিভিএ'র সফলতাগুলোকে তুলে ধরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। Social Media হিসাবে পিভিএ'র অর্জন এবং অর্জনের প্রক্রিয়াকে গবেষণার অংশ করা এবং পিভিএকে একাডেমিক পরিসরে যুক্ত করার জন্য মুজাহিদুল ইসলামকে পিভিএ'র পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।
উপজেলা পর্যায়ে পিভিএ একটি সফল উদ্যোগ এবং Social Media ব্যবহার করে সমস্যা সমাধানের একটি Role Model. নাগরিক সম্পৃক্ততা, নাগরিক ও প্রশাসনের সেতুবন্ধনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে পিভিএ সফলতা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া, Branding করার জন্য প্রধান মন্ত্রীর A2I বিভাগ উদ্যোগ নিয়েছে এবং দেশী বিদেশী বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছে।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ সফলতা আমাদের সকলের। আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় পিভিএ হয়ে উঠুক Social Media ভিত্তিক সমস্যা -সম্ভাবনা তুলে ধরবার বিশ্বব্যাপী Role Model.

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

হলুদ সাংবাদিকতা , যোশেফ পুলিৎজার এবং আমেরিকা-স্পেন যুদ্ধ

গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...

ব্রাজিল সমর্থকদের কমিটি গঠন, এক বৃটিশ চালাক ভদ্রলোক ও পিভিএ'র পথচলা ।।

এক বাংলাদেশী নামকরা ডাক্তার লন্ডনে চাকরি না পেয়ে মানবতার সেবা এবং সহজ সরলভাবে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য তাবু টানিয়ে অস্থায়ী ক্লিনিক খুলে বসল। তাঁবুর বাইরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে লিখে দিল 'GET TREATMENT FOR £20 - IF NOT CURED GET BACK £100 বিফলে মূল্য ফেরত! এ দেখে এক ব্রিটিশ চালাক লোক চিন্তা করল একই সাথে বোকা বাঙালীকে জব্দ করা এবং ১০০ পাউন্ড ধান্ধা করার এই সুযোগ। একে তো ব্রিটিশ, তার উপর অতি বুদ্ধিমান ভাবুন একবার! যথারীতি ভদ্রলোক গিয়ে ডাক্তারকে বলল- আমার জিহ্বায় কোন কিছুর স্বাদ পাইনা, আমি কোন স্বাদ পরখ করতে পারিনা আমার চিকিৎসা করুন। ডাক্তার বুঝতে পেরে তার এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে তিন ফোটা খাইয়ে দাও। ঔষধ খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক চেঁচিয়ে উঠল- এটা তো কেরোসিন! ডাক্তার: গুড, আপনার জিহ্বা কাজ করা শুরু করেছে, ২০ পাউন্ড দিন। ২০ পাউন্ড হারিয়ে অনেক ভেবেচিন্তে ভদ্রলোক দ্বিতীয় দিন আবার আসল ভদ্রলোক : আমার স্মৃতি কাজ করছেনা, আপনি আমার চিকিৎসা করুন।এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে চার ফোটা খাইয়ে দাও। খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক রেগেমেগে একাকার। ব...

বৈষ্ণব পদাবলী,ভন্ড মজিদ-কুবের ও একজন সুলতান আহমেদ

১৯৮৬ সন। আমি তখন বরগুনা সরকারী কলেজের ছাত্র। রাজনৈতিক কারনে বিকালে আমাদের আড্ডা ছিল বরগুনা বাজার রোডের আবদুল আলিম হিমু সম্পাদিত সাপ্তাহিক বরগুনা কন্ঠের বিপরিতে সাজুর চায়ের দোকানে। অধিকাংশ সময়ে আড্ডার মধ্যমনি ছিল জাসদ নেতা সালাম আলমাস চৌধুরী। এক সময়ে তিনি আমতলী কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ৮৬ সনের জানুয়ারী কি ফ্রেব্রুয়ারী মাস,শীতের সন্ধ্যায় আমরা সাজুর চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছি। অপরিচিত এক ভদ্রলোক ডুকে সালাম দিয়ে আমাদের পাশের টেবিলে বসলেন। খুবই সাধারণ পোষাক পরিচ্ছেদ, হাতে একটি ডায়রী এবং বলার স্টাইল ও উচ্চারণ অনেকটাই স্থানীয় সাদা মাটা । প্রথম দেখায় খুব একটা ভাল না লাগলেও যখন শুনলাম তিনি বরগুনা আলীয়া মাদ্রাসায় বাংলা বিভাগের প্রভাষক এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নে, তখন হঠাৎ করেই তার প্রতি একটা ভাললাগা তৈরী হয়ে গেল। এরপর মাঝেই মাঝেই তিনি আমাদের আড্ডায় আসতেন এবং দিনে দিনে তিনিও হয়ে উঠলেন আমাদের আড্ডার অন্যতম আকর্ষন। তার সহজ সরল বলার স্টাইল হাসতে হাসতে কঠিন কথা বলার কৌশল এবং সাহসীকতা আমাদেরকে খুব আকৃষ্ট করত। এরপর অনেক দিন তারসাথে আর যোগা...