সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Constructive Feedback ও সবাইকে খুশী করতে না পারা।।

 

আপনি যখন কোন দায়িত্ব পালন করেন কিংবা নেতৃত্ব দেন,আপনাকে অনেক কাজ করতে হয় । অনেক কিছু ম্যানেজ করতে কয়। এসব করতে গিয়ে আপনার কাজ নিয়ে, দায়িত্ব পালন নিয়ে অনেক আলোচনা, অনেক সমালোচনা থাকবে। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তবে Feedback এবং criticism আমরা এক করে ফেলি। আমরা অনেকক্ষেত্রেই Constructive feedback দিতেও পারিনা এবং নিতেও পারিনা। একজন বিচারক যখন ন্যায় বিচার করেন তাতেও একটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পক্ষ বিচার মেনে না নিয়ে ক্ষুদ্ধ হন।স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বার্থে আঘাত লাগলে কেউ আর Constructive feedback দিতে পারেন না, কঠোর সমালোচনা শুরু করেন এবং সেটা যদি সীমানা অতিক্রম করে তাহলে আপনি মানসিকভাবে ভেংগে পড়েন কিংবা কাজের উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। 
 
সেক্ষেত্রে আপনি যদি visionary leader হন আপনাকে অবশ্যই emotional intelligence এর সাহায্য নিতে হবে।সব সময়ই মনে রাখবেন, আপনি মানুষ নিয়ে এবং মানুষের সাথে কাজ করছেন,কোন কম্পিউটার বা AI নিয়ে নয়। সুতরাং আপনি কোনভাবেই সবাইকে খুশী করতে পারবেন না। চেষ্টা করাও বোকামী নয় ভন্ডামী। এক্ষেত্রে Steve Jobs একটি চমৎকার কথা বলেছেন, আপনি যদি সবাইকে খুশী করতে চান, নেতা না হয়ে আইসক্রিম বিক্রি করেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

হলুদ সাংবাদিকতা , যোশেফ পুলিৎজার এবং আমেরিকা-স্পেন যুদ্ধ

গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...
অবশেষে অমল তার বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ফিরে পেয়েছে। সকাল থেকে বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান উদ্ধারের দাবীতে পরিবার পরিজন নিয়ে অমল আমরণ অনশন করছিল। অনশনের সংবাদ শুনেই ছুটে আসেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি,এম দেলওয়ার হোসেন  পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান ও আমতলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার মৃধাসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।তারা অমলের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের দখল বুঝিয়ে দিয়ে অনশন ভংগ করান। এজন্য আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই,কৃতজ্ঞতা জানাই মিডিয়া,আমতলীর ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও যুব সমাজসহ কাছের এবং দূরের ফেসবুক বন্ধুদের যারা অমলের ন্যায় সঙ্গত আন্দোলনে সামীল হয়েছেন একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

আপনার একদিনের চা/ সিগারেটের পয়সাই আমতলী সরকারী কলেজের ছাত্র শাহীনকে অন্ধত্ব থেকে বাচাতে পারে।

আমতলী সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শাহীন। তার দু’টি চোখের মনি লম্বা হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে তার চোখের অপারেশন না করালে চিরদিনের মত চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলবে । তার দু’টি চোখের চিকিৎসার জন্য ২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। দরিদ্র পিতা মাছ বিক্রেতা শাহজাহান মিয়ার পক্ষে তার চিকিৎসা করানো সম্ভব না, প্রয়োজন ধণাঢ্য, মহানুভব, দানশীল ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মানুষের সাহায্য সহযোগিতা। আপনার একদিনের চা /সিগারেটের পয়সাই পারে শাহীনকে চির অন্ধত্ব থেকে বাচাতে। আসনু মানবিক কারনে আমরা সবাই শাহীনের পাশে দাড়াই ।