সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গত ৫ দশকে বরিশালের ইত্তেফাকের চার সাহসী সাংবাদিকের অকাল মৃত্যু

১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় থেকে ২৭ জুন,  ২০১৭ পর্যন্ত গত ৪৭ বছরে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দৈনিক ইত্তেফাকের বরিশাল জেলা সংবাদদাতা এবং বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসাবে কর্মরত চার সাংবাদিকেরই অকাল মৃত্যু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ইত্তেফাকের জেলা সংবাদদাতা হিসাবে কর্মরত ছিলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর হাতে তিনি শহীদ হলে বিএম কলেজের ছাত্রনেতা নজরুল ইসলাম ইত্তেফাকের জেলা সংবাদদাতা হিসাবে নিয়োগ পান। ১৯৭৩ সনে নজরুল ইসলাম দুস্কৃতিকারীদের হাতে নিহত হলে জেলা সংবাদদাতা হিসাবে নিয়োগ পান সাংবাদিক মাইনুল হাসান। পরে তিনি ইত্তেফাকের বরিশাল ব্যুরো প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পান। মাইনুল হাসান অসুস্থ অবস্থায় ব্যুরো অফিসে যোগদেন উপকূলীয় ভোলা জেলার সাহসী সাংবাদিক লিটন বাশার। মাইনুল হাসানও অকালে মারা যান এবং ইত্তেফাকের বরিশাল ব্যুরো চীপ হিসাবে দায়িত্ব পান লিটন বাশার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস গত ২৭ জুন লিটন বাশারও অকালে চির বিদায় নেন। পেশাগত জীবনে এই চার জনই সৎ এবং সাহসী ভূমিকা পালন করেন। সমকালীন সময়ে তারা ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং তারা যুগ যুগ বেচে থাকবেন...

লিটন বাশার : একজন সময়ের সাহসী সাংবাদিক

১৯ জুন ছিল বরিশাল প্রেসক্লাবের স্বজন স্মরণ দিবস। প্রতি বছর প্রয়াত সহযোদ্ধাদের স্মরণ করার জন্য বরিশাল প্রেসক্লাব এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এ বছর বৃহৎ কলেবরে একটি স্মরণিকা বের করার উদ্যোগ নিলে ১৯৭২-৭৩ সময়কালের দৈনিক ইত্তেফাকের বরিশাল সংবাদদাতা বরিশাল বিএম কলেজের ছাত্রনেতা আমার অগ্রজ শহীদ নজরুল ইসলাম সম্পর্কে কিছু লেখার জন্য বরিশাল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল ইসলাম চুন্নু ভাই আমাকে ফোন করেন। ১৯৭৩ সনে আমি খুব ছোট  । নজরুল এবং সমসাময়ীক রাজনীতি এবং সাংবাদিকতা সম্পর্কে আমার জানার ব্যপ্তি একেবারেই সীমিত। তার সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সাংবাদিক সহযোদ্ধাদের সাথে আলোচনা এবং secondary source ঘাটতে গিয়ে বারবারই date line মিস করছিলাম। আর নজরুল ভাই এবং দেবাশীষ  দা বারবার  তাগাদা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে ২ জুন  রাত ১২টার দিকে ফোন করেন সাংবাদিক বন্ধুবর লিটন বাশার। ধমকের সুরেই বললেন ও ভাই, আপনি কি আমার চেয়েও আলিস্যা। তাকে সবকিছু বুঝিয়ে বললাম এবং এও নিশ্চিত করলাম পরেরদিন  সকাল ১০ টার মধ্যে লেখাটি পাঠাবো। ১৮ জুন রাতেও ফোন করেছিলেন ১৯ তারিখ প্রেসক্লাবের প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য।  কথা...

শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলীসহ বরগুনায় ৩টি সংসদীয় আসনের দাবী: ১০ বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্যর একাত্মতা ঘোষনা ।।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১২ (বরগুনা ৩) আমতলী-তালতলী সংসদীয় আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮৬ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জেলায় বরগুনা ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা নিয়ে বরগুনা-২ আসন এবং আমতলী-তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-৩ আসন ছিল। ২০০৮ সনে নির্বাচন কমিশন ভৌগলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনায় না নিয়ে কেবলমাত্র জনসংখ্যার ভিত্তিতে ১টি আসন বিলুপ্ত করে বরগুনায় ২টি আসন করে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলী উপজেলাসহ বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে সংসদীয় ৩টি আসন পুণর্বহালের দাবীতে সোচ্চার হয়ে উঠছে বরগুনা জেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ আমতলী-তালতলীর বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ। এ দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেছেন বরগুনা-০১ আসনের সাংসদ সাবেক মন্ত্রী জননেতা এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-০২ আসনের সাংসদ শওকত হাসানুর রহমান রিমন, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ নাসিমা ফেরদৌসী, সাবেক সাংসদ ও বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জননেতা মো: দেলোয়ার হোসেন, সাবেক সাংস...

লেডি জাস্টিসিয়ার স্ট্যাচু, তেতুল তত্ব : মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলের হাত ধরেই কি দেশ সাম্প্রদায়িকতার পথে হাটছেন ।। ।

লেডি জাস্টিসিয়ার স্ট্যচু অপসারণের প্রতিবাদে আজ সকালে প্রগতিশীল ছাত্র জনতার শান্তিপূর্ণ সমাবেশ জল কামান আর টিয়ার শেল দিয়ে ছত্রভংগ করার সংবাদ  টিভিতে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম এ প্রতিবাদ জেলা উপজেলায় ছড়িয়ে দেয়া দরকার। বহু মুসলিম দেশের হাই কোর্টের সামনে লেডি জাস্টিসিয়ার স্ট্যাচু আছে। ধর্মের সাথে  কোথাও সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরী হয়নি। গণতন্ত্র বহু মতের চর্চা। সমাজ ও আইন স্বীকৃত আমার যৌক্তিক  কথা, বিশ্বাস,জীবনাচরণ, নারীর  পোষাক পরিচ্ছেদ, স্বাধীন চলা ফেরা,আয় রোজগার করা  আপনার ভাল নাই লাগতে পারে কিন্তু বাধা দিতে পারবেন না,জোর করে বন্ধ করতে পারবেন না। তেতুল হুজুরের সব কথা সব তত্ব আমি পছন্দ করি এমনটি নয় বাট তাকে বলতে বাধা দিতে পারি না, যৌক্তিকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে পারি -এটাই গনতন্ত্র। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে যার যার বিশ্বাসকে, চেতনাকে লালন করবার পরিবেশ তৈরী করা। কারো কথায়, হুমকীতে ন্যায় বিচারের প্রতীককে সরিয়ে ফেলা নয়, জল কামান আর টিয়ার শেল দিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে স্তব্ধ করা নয় । এখন তো হুমকি দিয়েছেন সব স্ট্যাচু সরাতে হবে আমার স্মৃতির মিনার চেতনা...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলীসহ বরগুনায় ৩টি সংসদীয় আসনের দাবী ।।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা বরগুনা জেলার আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনের দাবীতে স্বোচ্চার হয়ে উঠছে আমতলী তালতলী বাসী। ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সন থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আমতলী-তালতলীকে নিয়ে জাতীয় সংসদের-১১২ বরগুনা-০৩ পৃথক আসন ছিল। কিন্তু ২০০৮ সনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ভৌগলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনায় না নিয়ে কেবলমাত্র লোক সংখ্যার অজুহাতে জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত ৩টি সংসদীয় আসন থেকে ১টি আসন বিলুপ্ত করে ২টি আসন করেছে। এতে উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে বৈষম্য সহ নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনসহ বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন ৩টি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে ৩টি আসন ছিল। এর মধ্যে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন। বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলার সাথে সড়ক...

আমতলী সরকারী কলেজ ও নীরোর বাশি।।

আমতলী কলেজ জাতীয়করণ হওয়ার পর থেকেই একটার পর একটা জটিলতা তৈরী হচ্ছে। সংযুক্ত অধ্যক্ষ নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রীট আবেদন,অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্ণীতির অভিযোগে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, আন্দোলনরত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়রী, বেতন ভাতার দাবীতে শিক্ষক কর্মচারীদের আন্দোলন সর্বোপরি দুর্ণীতি দমন কমিশনের তদন্তের কারনে  একদিকে জাতীয়করণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে অন্যদিকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা অধিদপ্তর মজিবর রহমানকে অর্ন্তবর্তিকালীন অধ্যক্ষের প্রশাসনিক দাযিত্ব এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিস্বাক্ষরে আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করলেও  পরস্পর বিরোধী অভিযোগের কারনে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। শিক্ষক কর্মচারীরা ৬ মাস বেতন ভাতা না পাওয়ায় তারা দুর্বিসহ এবং মানবেতর জীবন যাপন করছেন। আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি সংকট কেবল একজনকে অধ্যক্ষ হিসাবে রাখা বা না রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আরো গভীরে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,শিক্ষক -অভিভাবক  ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের একটি সম্মিলিত ...

সুবন্ধি বাধ: লাখো মানুষের মরণ ফাদ।।

সুবন্ধি বাধ চাওড়া, হলদিয়া,  আমতলী সদর ও আমতলী পৌরসভার প্রায় ৮০ হাজার মানুষের মরণ ফাদে পরিনত হয়েছে। আমরা যারা এ খালের দুপাড়ে বসবাস করি তারা জানি পানির প্রবাহ না থাকায় কচুরীপানা পচে পানি নষ্ট হয়ে গেছে।  কৃষি কাজে এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে গেছে। হলদিয়া গ্রামের  এক অংশ, চিলা ও চাওড়া চলাভাংগা গ্রামের কৃষকরা পরিবহন করতে না পারায় আউশ চাষ বন্ধ করে দিয়েছে। গৃহস্তালি কাজেও এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এমনকি গবাদি পশুও এ খালের পানি পান করছে না। দুর্গন্ধে খালের পাশ দিয়ে হাটা যায় না। মশা ও সাপের  উপদ্রব এবং ঘরে ঘরে চর্ম রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে। এ খালে মাছ ধরে প্রায় ৫শ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করত তাদের জীবন জীবিকা আজ ঝুকির মুখে পরেছে। খালে পানির প্রবাহ না থাকলে এ সমস্যা সমাধান করা যাবে না আর পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় সুবন্ধি বাধ কেটে দেয়া। কিন্ত একটি মহল গুটি কয়েক ব্যক্তির স্বার্থে ৮০ হাজার মানুষের জীবন জীবিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন,হীন স্বার্থে খাল কাটার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অথচ তারা ...