লেডি জাস্টিসিয়ার স্ট্যাচু, তেতুল তত্ব : মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলের হাত ধরেই কি দেশ সাম্প্রদায়িকতার পথে হাটছেন ।। ।
লেডি জাস্টিসিয়ার স্ট্যচু অপসারণের প্রতিবাদে আজ সকালে প্রগতিশীল ছাত্র জনতার শান্তিপূর্ণ সমাবেশ জল কামান আর টিয়ার শেল দিয়ে ছত্রভংগ করার সংবাদ টিভিতে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম এ প্রতিবাদ জেলা উপজেলায় ছড়িয়ে দেয়া দরকার। বহু মুসলিম দেশের হাই কোর্টের সামনে লেডি জাস্টিসিয়ার স্ট্যাচু আছে। ধর্মের সাথে কোথাও সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরী হয়নি। গণতন্ত্র বহু মতের চর্চা। সমাজ ও আইন স্বীকৃত আমার যৌক্তিক কথা, বিশ্বাস,জীবনাচরণ, নারীর পোষাক পরিচ্ছেদ, স্বাধীন চলা ফেরা,আয় রোজগার করা আপনার ভাল নাই লাগতে পারে কিন্তু বাধা দিতে পারবেন না,জোর করে বন্ধ করতে পারবেন না। তেতুল হুজুরের সব কথা সব তত্ব আমি পছন্দ করি এমনটি নয় বাট তাকে বলতে বাধা দিতে পারি না, যৌক্তিকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে পারি -এটাই গনতন্ত্র। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে যার যার বিশ্বাসকে, চেতনাকে লালন করবার পরিবেশ তৈরী করা। কারো কথায়, হুমকীতে ন্যায় বিচারের প্রতীককে সরিয়ে ফেলা নয়, জল কামান আর টিয়ার শেল দিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে স্তব্ধ করা নয় । এখন তো হুমকি দিয়েছেন সব স্ট্যাচু সরাতে হবে আমার স্মৃতির মিনার চেতনার সৌধ ভেংগে ফেলতে হবে - এবার সরকার কি করবেন । একাত্তরে পাকিস্থানি হানাদার এবং তাদের দোসর আপনারাই ধর্মের দোহাই দিয়ে ৩০ লক্ষ মানুষ মেরেছেন, ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত নিয়েছেন। একাত্তরে আপনাদের কথা শুনলে দেশ স্বাধীন হত না। এসব বিবেচনা করেই শুধু ক্ষমতার মোহে সাম্প্রদায়িকতার পথে হাটবেন, না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক একটি গণতান্ত্রিক অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারাকে এগিয়ে নিবেন এ সিদ্ধান্ত যেমনি আওয়ামীলীগকে নিতে হবে তেমনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রতিবাদের অগ্নিশিখা ছড়িয়ে দিতে হবে জেলা উপজেলা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। চিৎকার করে রক্ত শপথ নিয়ে বলতে হবে, আমার মাটি, আমার মা -পাকিস্থান হবে না।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন