আমতলী কলেজ জাতীয়করণ হওয়ার পর থেকেই একটার পর একটা জটিলতা তৈরী হচ্ছে। সংযুক্ত অধ্যক্ষ নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রীট আবেদন,অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্ণীতির অভিযোগে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, আন্দোলনরত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়রী, বেতন ভাতার দাবীতে শিক্ষক কর্মচারীদের আন্দোলন সর্বোপরি দুর্ণীতি দমন কমিশনের তদন্তের কারনে একদিকে জাতীয়করণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে অন্যদিকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ। শিক্ষা অধিদপ্তর মজিবর রহমানকে অর্ন্তবর্তিকালীন অধ্যক্ষের প্রশাসনিক দাযিত্ব এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিস্বাক্ষরে আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করলেও পরস্পর বিরোধী অভিযোগের কারনে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। শিক্ষক কর্মচারীরা ৬ মাস বেতন ভাতা না পাওয়ায় তারা দুর্বিসহ এবং মানবেতর জীবন যাপন করছেন। আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি সংকট কেবল একজনকে অধ্যক্ষ হিসাবে রাখা বা না রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আরো গভীরে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,শিক্ষক -অভিভাবক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ আপাদত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে বিদ্যমান সংকট নিরসন করা সম্ভব হলেও কার্যকর কোন উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। হয়ত তারা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আনছেন না নতুবা ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আর নিশ্চিন্তে তাদের হাতে নীরোর বাশি বাজছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন