সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মানবতার দেয়াল: শীতার্তদের পাশে দাড়ান।।

পৌষ মাস সবে শুরু। এখনি প্রচন্ড শীত। মাঘের শীত বাঘের গায়ে তো রয়েই গেছে। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে শীত গ্রীষ্ম কোন নিয়ম মানছে না । তবে গত দুতিন দিনে বলতে গেলে হাড় কাপানো শীত পরছে। আর এই শীতে গরীব মানুষরা বেশী কষ্ট পাচ্ছে। শীতার্থ মানুষের সীমাহীন কষ্টের কথা ভেবে People's Voice of Amtali -PVA মানবতার দেয়াল (Wall of Humanity) নামে একটি উদ্যোগ নিয়েছে। যে দেয়ালে নতুন ও পুরানো শীতবস্ত্র টানানো থাকবে, যার যা প্রয়োজন সেখান থেকে নিয়ে নিবে। আসুন নতুন কিংবা আপনার বাসায় পরে থাকা পুরানো শীতবস্ত্রগুলো দান করে মানবতার পাশে দাড়াই।

কলাপাড়া ও তালতলীতে প্রধানমন্ত্রী , জিও-পলিটিক্স, পায়রা সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক উন্নয়ন ধারা ও আমতলীতে জেলার দাবী।

এই মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পায়রা সমুদ্রবন্দরের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ কাজী নিশাদ রসুল স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুয়ায়ী সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় অবতরণ করার কথা । প্রধানমন্ত্রী সেখানে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুনর্বাসন প্রকল্প স্বপ্নের ঠিকানা উদ্ভোধনসহ ১৬টি প্রকল্প উদ্ভোধন ও ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তিনি বেলা আড়াইটায় বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় শুভাগমন করবেন। তিনি এখানে ২১ উদ্ভোধন শেষে বিকাল ৩ টায় তালতলী সরকারী হাই স্কুল মাঠে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতা করবেন।  ২০০৮ সন পরবর্তী সময়ে তালতলীতে এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর । ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বরগুনা -০৩ আমতলী-তালতলী নির্বাচনী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৮ সনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হলে স্বাভাবিকভাবে প্রত্যাশা ছিল তার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলীকে ঘিরে এ অঞ্চল হবে উন্নয়নের একটি রোল মডেল । জ...

মামনির জন্মদিন: স্বপ্নের চেয়েও বড় হও।

১৯২৮ সন। পন্ডিত জহরলাল নেহেরু তখন এলাহবাদে। আর ১০ বছরের ইন্দিরা গান্ধী থাকেন হিমালয়ের কোলঘেসে মূসৌরী শহরে। যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম চিঠি। নেহেরু প্রায়ই মেয়েকে চিঠিতে প্রকৃতি, পৃথিবী ও মানব সভ্যতার বিকাশসহ ভারতের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে লিখতেন। ১৯২৯ সনের নভেম্বর মাসে এসব চিঠি নিয়ে মা-মনিকে-বাবা নামে একটি বই প্রকাশিত হলে তা ইতিহাসের অংশ হয়ে যায় । বর্তমানে এটি ভারতের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে এবং রেফারেন্স বুক হিসাবে পড়ানো হয়।কুটনৈ তিক ফারুক চৌধুরীর কুটনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা প্রিয় ফারজানাও আমাদের ভ্রমন সাহিত্য ও ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। প্রত্যেক পিতাই দূরে থাকা সন্তানদের প্রতি কিছু পরামর্শ, কিছু নির্দেশনা দিয়ে থাকে। আগে চিঠি লিখত,এখন তার জায়গায় ইমেইল, মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া ।এজন্য নির্দেশনাটাও বেশী । এটা কর, ওটা কর না । সন্ধ্যার আগেই বাসায় বা হলে ফের। রাত কর না। রাজনীতিতে জড়িও না, কোটা সংস্কার আন্দোলন কিংবা নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে যেও না। কারন অভিভাবকরা সব সময় সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে, মেয়ে হলে তো কথাই নেই । সন্তানরা হয়ত ভাবে, আমরা বড় হয়েছি এত ট...

৫০ তম জন্মদিন ও স্বামীজির Strength is Life, Weakness is Death.

রাত ১২-০১। কালের খেয়ায় পাড়ি দিয়ে মহাকালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আরো একটি বছর। শচীনের চার কিংবা ছক্কা হাকিয়ে নয়,ঘণ্টা-দিন-মাস পেড়িয়ে আমিও জীবনের Half Century করার গৌরব অর্জন করলাম। মহাকালের হিসাবে ৫০ বছর খুবই সামান্য সময়, ক্ষণিক মাত্র। কিন্তু জীবনের ক্ষেত্রে অর্ধ শতাব্দী একটি অসাধারণ মাইলস্টোন। যাপিত জীবনের নির্মোহ আত্ম মূল্যায়নে যেমনি রয়েছে প্রাপ্তির আনন্দ, তেমনি আছে চ্যালেঞ্জ। কারণ এসময়ে সকল ভাল এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগগুলো এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সকলের অকুন্ঠ সমর্থন, অকৃতিম ভালবাসা এবং আন্তরিক সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলে প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তির তালিকাটি অনেক দীর্ঘ। তবে অচলায়তন ভেংগে সমাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখানো-শিব খেরার ভাষায় Absulately it’s a big challenge. আইনস্টাইনের ৫০ তম জন্মদিন। শুভেচ্ছা জানিয়ে কার্ড পাঠিয়েছেন সিগমন্ড ফ্রয়েড। কার্ডে ফ্রয়েড আইনস্টাইন কে সম্বোধন করেছেন You are lucky one বলে। আইনস্টাইন বুঝতে পারছিলেন না ফ্রয়েডের মত খ্যাতিমান মানুষ কেন তাঁকে ভাগ্যবান মনে করছেন। ফ্রয়েডকে চিঠি লিখলেন আইনস্টাইন, আপনি যেখানে এত মানুষের...

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা ও একজন সাংবাদিক।

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং শিক্ষক নেতা। তিনি কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমীতে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন আমতলী সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। মৃত্যুর আ গ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আমতলী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম এবং ২০১১ সনে প্রেসক্লাবের আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সম্পাদনায় আমতলী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল সাপ্তাহিক দক্ষিন বাংলা। তিনি যুক্ত ছিলেন স্কাউট,ক্রীড়া সংস্থা এবং শিল্পকলা পরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে এবং আমতলী ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।  জন্ম ১১ জুন, ১৯৫৪ আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দেওয়ান পরিবারে। পিতার নাম চেরাগ আলী দেওয়ান। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ আমতলীর এই কৃতি সন্তান আমতলী শহরের নি...

সোনালী হেলথ কেয়ার :চাকুরীর নামে অভিনব প্রতারণা।

আমতলী উপজেলার আমতলী পৌরসভা বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে আকর্ষনীয় বেতনে সোনালী হেলথ কেয়ার নামক একটি প্রকল্পে চাকুরী দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিনব প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে ।খোজ নিয়ে জানা গেছে আমতলীতে এই নামে কোন সংগঠন বা প্রকল্পের কার্যক্রম নেই। এমনকি কোন অফিসের সাইনবোর্ডও খুজে পাওয়া যায়নি। কোন রকম চাকুরীর বিজ্ঞাপন ছাড়াই অতি গোপনে পৌরসভাসহ ৭ ইউনিয়নে ৭ জন সমন্বয়কারী এবং ৭২ জন ওয়ার্ড কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। নিয়োগ ের জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা আবেদন ফিসহ ওয়ার্ড কর্মীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ইউনিয়ন ও পৌরসভা সমন্বয়কের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা জামানত নেয়া হচ্ছে। একটি সংগঠিত প্রতারক চক্র বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে বেকার যুবক এবং নারীদের প্রলুব্ধ করে এ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।  এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো সরোয়ার হোসেন জানান আমতলীতে এরকম কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি অবগত নন। সোনালী হেলথ কেয়ারের কার্যক্রম এবং প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

পিভিএতে রাকিবের অদম্য ইচ্ছার গল্প, পাশে দাড়িয়েছেন অনেকেই।।

রাকিব লোছা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। বাবা অসুস্থ থাকায় রিকসা চালিয়ে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছে। তবে তার অদম্য ইচ্ছার কাছে দারিদ্র্য কোনভাবেই লেখা পড়ায় বাধা হতে পারেনি। রাকিবকে নিয়ে পিভিএতে তার অদম্য ইচ্ছার গল্প প্রকাশিত হলে অনেকেই মানবিকতার হাত নিয়ে রাকিবের পাশে দাড়িয়েছেন। রাকিবের শিক্ষা উপকরণ ও ফরম পূরণের টাকা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং স্কুল ড্রেস প্রদান করেছেন আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের শহিদুল ইসলাম।অন্যদিকে রাকিবের প্রয়োজনীয় পোষাক প্রদানের আশ্বাসসহ টিশার্ট প্রদান করেছেন আমতলী শহরের এনভিশন ফ্যাশন মার্টের পক্ষে শাহরিয়ার আহমেদ মিরাজ। আসুন রাকিবের পাশে দাড়াই, সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে রাকিবের অদম্য ইচ্ছাকে এগিয়ে নেই।