সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই।

  যুদ্ধে কে হারবে, কে জিতবে জানিনা। তবে এটা জানি,যুদ্ধে বিপুল সংখ্যক শিশু- নারী, সামরিক ও বেসামরিক মানুষ মারা যাবে। সংখ্যাটা হাজার, লক্ষ কিংবা কোটিও ছাড়াতে পারে। আমেরিকান একটি গবেষণা সংস্থা বলেছেন পারমানবিক অস্ত্রের ব্যবহার হলে এ যুদ্ধে ১২ কোটি মানুষ মারা যাবে। ভাবেন তো সংখ্যাটা ১২ হাজার নয়, ১২ লক্ষও নয়, ১২ কোটি। আহতের সংখ্যা জানিনা, মা বাবা হারানো শিশুদের সংখ্যা, ঘর বাড়ি হারানো মানুষের সংখ্যা - আমি জানিনা। তেজস্ক্রিয়তায় দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা আমরা কেউ জানিনা। যুদ্ধ হচ্ছে বর্তমান সময়ে মানবসভ্যতার জন্য এক চরম বিপর্যয়ের নাম। একবার হিরোশিমা নাগাসাকির কথা ভাবুনতো -সাথে সাথে মারা গেছে ১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ। এখনো সেখানে দীর্ঘ মেয়াদে ক্যান্সার, জন্মগত ত্রুটি এবং বিভিন্ন জেনেটিক সমস্যা নিয়ে শিশুরাজন্ম গ্রহণ করে । সুতরাং মানব সভ্যতা বাচাতে আসুন যুদ্ধকে না বলি। যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।

Constructive Feedback ও সবাইকে খুশী করতে না পারা।।

  আপনি যখন কোন দায়িত্ব পালন করেন কিংবা নেতৃত্ব দেন,আপনাকে অনেক কাজ করতে হয় । অনেক কিছু ম্যানেজ করতে কয়। এসব করতে গিয়ে আপনার কাজ নিয়ে, দায়িত্ব পালন নিয়ে অনেক আলোচনা, অনেক সমালোচনা থাকবে। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তবে Feedback এবং criticism আমরা এক করে ফেলি। আমরা অনেকক্ষেত্রেই Constructive feedback দিতেও পারিনা এবং নিতেও পারিনা। একজন বিচারক যখন ন্যায় বিচার করেন তাতেও একটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পক্ষ বিচার মেনে না নিয়ে ক্ষুদ্ধ হন।স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বার্থে আঘাত লাগলে কেউ আর Constructive feedback দিতে পারেন না, কঠোর সমালোচনা শুরু করেন এবং সেটা যদি সীমানা অতিক্রম করে তাহলে আপনি মানসিকভাবে ভেংগে পড়েন কিংবা কাজের উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।    সেক্ষেত্রে আপনি যদি visionary leader হন আপনাকে অবশ্যই emotional intelligence এর সাহায্য নিতে হবে।সব সময়ই মনে রাখবেন, আপনি মানুষ নিয়ে এবং মানুষের সাথে কাজ করছেন,কোন কম্পিউটার বা AI নিয়ে নয়। সুতরাং আপনি কোনভাবেই সবাইকে খুশী করতে পারবেন না। চেষ্টা করাও বোকামী নয় ভন্ডামী। এক্ষেত্রে Steve Jobs একটি চমৎকার কথা বলেছেন, আপনি...

এক হ্যামিলনের বাশিওয়ালার জন্মদিন, সংকট সম্ভাবণায় শুভ দিনের প্রত্যাশা।।

  John C Maxwel খুব চমৎকারভাবে বলেছেন Leaders become great not because of their power but, because of their ability to empower others. এরকম একজন নেতা গোলাম সরোয়ার টুকু। পুরো রাজনৈতিক জীবনে স্রোতের বিরুদ্ধে থাকা মানুষটার সাথে সব সময়ই ঢাল হয়ে পাশে ছিল ছাত্র -যুবক ও বরগুনার সাধারণ মানুষ। বরগুনা সরকারী কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একাই দাড়ালেন,তার পক্ষ হয়ে লড়লেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সে এক অভাবনীয় এবং অপকল্পনীয় যুথবদ্ধ ঐক্য।    কোনদিন কোন স্থানীয় সরকার বা সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। জনপ্রিয়তার বাটখারায় মাপাও যায়নি সে কত জনপ্রিয়। সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেন একজন ৫ বারের সংসদ সদস্য, উপমন্ত্রী ও প্রায় ৩৪ বছর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং আওয়ামীলীগের মত সাংগঠনিককভাবে শক্তিশালী দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এবারও ঘটল একটি অভাবনীয় কান্ড। দলে দলে মানুষ তাকেই বরগুনা - আমতলী - তালতলী নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করল। এ যেন এক হ্যামিলনের বাশিওয়ালা। মানুষকে হাসাতে,কাদাতে, ক্ষুদ্ধ করতে, উদ্ধুদ্ধ করতে,পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাতে অসাধারণ এক ক্যারিশমেটিক ও সম্মোহনী শক্তি । এ এক E...

জহিরুল ইসলাম স্যারের দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী,পিভিএ'র বিনম্র শ্রদ্ধা।।

মো. জহিরুল ইসলাম। আমতলী মফিজউদ্দিন বালিকা বিদ্যালয়ের একজন সফল প্রধান শিক্ষক এবং আমার দেখা একজন দক্ষ,  সৎ, নিষ্ঠবান শিক্ষক এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ।  নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে ছিপছিপে শারীরিক অবয়ব এবং আচরণে রাগি একজন মানুষের প্রতিকৃতি। সময়টা যতটা মনে পরে ১৯৭৬ সন। আমি দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ি।  আমার বড়বোন এমইউ বালিকা বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে এবং থাকে স্কুলের হোস্টেলে। হোস্টলে তখন মরহুম মোক্তার হোসেন তালুকদারের ২ মেয়ে নাজমা ফুফু এবং পারভিজ ফুফু   মরহুম আজিজ তালুকদারের ৩ মেয়ে জোসনা আপা, হেনা আপা  এবং কাজল আপা এবং আমেরিকা প্রবাসী  শাহআলম ভাইয়ের বোন রেহেনা আপু থাকতেন। মাঝে মাঝে বুধবার বাড়ি থেকে কিংবা বাজার থেকে কিনে দেয়া এটা ওটা মহসীন ভাই কিংবা চয়ন  ভাইয়ের সাথে পৌছে দেয়ার সুযোগ হয়েছিল । তখন শান্তি স্যার প্রধান শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে সরকারী চাকুরীতে যোগদান করেছেন এবং জহিরুল ইসলাম স্যার প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেছেন। তিনি খুবই কড়া মানুষ। আর যেকারনে হোস্টেলে যতবারই গেছি প্রতিবারই হোস্টেল সুপার জোহরা খাতুন ফুফু  এবং জহিরু...

ভিন্ন চোখে একজন গোলাম সরোয়ার টুকু।

  গোলাম সরোয়ার টুকু বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, একজন রাজনীতিবিদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বরগুনা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের দুবার ভিপি,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ততা, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালনসহ তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন সভা সমাবেশে অসাধারণ বক্তৃতার কারনে এ জনপদের সকলের কাছেই তার পরিচিতি একজন ত্যাগী রাজনৈতিক নেতা হিসাবে। ২০০১ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রচারণায় টুকুর কর্মতৎপরতা, অসাধারণ বক্তৃতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা এ অঞ্চলের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন নিয়ে টুকু মনে -প্রাণে,চিন্তা- দর্শনে সার্বক্ষনিক একজন Political activist.  রাজনীতি জীবনের একটি অংশ। রাজনৈতিক জীবনে প্রত্যেকেরই একটি লক্ষ্য থাকে একটি স্বপ্ন থাকে। তার সে স্বপ্ন- বাস্তবতা,সফলতা- ব্যর্থতা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সহযোদ্ধারা বিচার বিশ্লেষণ করবেন। আমার আজকের আলোচনার প্রেক্ষিত সেটি নয়,ভিন্ন- Look at the different perspective. আমরা দু...

আগস্টে করোনার ব্যাপক সংক্রমনের আশংকা, কর্মস্থলে পৌছার বিশেষ ব্যবস্থা না করেই পোষাক শিল্প কারখানা খুলে দেয়া সরকারের সুইসাইডাল সিদ্ধান্ত।।

  রেডিমেট গার্মেন্টস -আরএমজি সেকটর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানী খাত। ২০১৯ সালেও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। ঐ বছর ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে বাংলাদেশ। কিন্তু করোনার কারনে পোষাক শিল্পে বড় ধাক্কা লাগলেও বাংলাদেশ তা কাটিয়ে উঠে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ হাজার ১৪৫ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের পোশাক পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি৷ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। কোভিড পরিস্থিতিতেও ২০২০-২১ অর্থ বছরে দেশটিতে পোশাক রফতানি বেড়েছে ১৩ শতাংশের বেশি। সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে, অন্তত আগামী দুই বছর এ প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় থাকবে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ক্রয় বাড়িয়ে তুলতে যাচ্ছে মার্কিন খুচরা বিক্রেতা (রিটেইলার) প্রতিষ্ঠানগুলো। আমেরিকার বাজারে বাংলাদশী আরএমজি পণ্যের সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে। তারমানে এই নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষকে করোনা ঝুকিতে রেখে বিজিএমইএ এর স্বার্থ রক্ষায় গার্মেন্টস শিল্প কারখানা খুলে দিতে হবে। তারপরেও লক ডাউনের ম...

মতিউর রহমান বিএসসি, একজন সব্যসাচি শিক্ষক, একজন সফল সাংস্কৃতিক সংগঠক।।

১৯৮৪ সন। আমরা দশম শ্রেণীতে পড়ি। নবম শ্রেনীতে থাকাকালীন সময়েই কারিকুলাম পরিবর্তন করা হয়। ৮৫ এর ব্যাচটি ছিল শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যাচ। নবম শ্রেণীতে আমরা পদার্থ,রসায়ন জীববিজ্ঞান, ইতিহাস, পৌরনীতি সব বিষয় পড়েছি। পরে টাইপ ও সর্টহ্যান্ড ঐচ্ছিক ও ভুগোল সবার জন্য বাধ্যতামুলক করে বিজ্ঞান ও মানবিক গ্রুপ বিভাজন কর হয়। আমাদের ক্লাশে ভুগোল পড়াতেন যতদুর মনে পড়ে প্রথমে আজিজ স্যার পরে লতিফ স্যার এবং মোসলেম স্যার । একদিন স্যার ক্লাশে নেই আমরা হৈ চৈ করছি হঠাৎ মতি বিএসসি স্যার ক্লাশে ডুকে ভুগোল পড়ানো শুরু করলেন। আমরা তার পড়ানোর স্টাইল,অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ, বিভিন্ন মহাদেশ সম্পর্কে জ্ঞানের গভীরতা এবং মানচিত্র আকার কৌশল দেখে আমরা শুধু অবাকই হইনি আমরা সবাই সিদ্ধান্ত নিলাম হেড স্যারকে বলব মতি স্যার যেন ভুগোলের বাড়তি ক্লাশ নেন। মানবিক বিভাগ থেকে আমি ও বসির, বিজ্ঞান থেকে নুর জালাল ও জ.ই মামুন আকন স্যারকে বিষয়টি বললাম। স্যার আমাদের কথা শুনে মতি বিএসসি স্যারকে বাড়তি ক্লাশ নেয়ার অনুরোধ করলেন এবং স্যার টেস্ট পরীক্ষার পর বাড়তি ক্লাশ নিয়ে, সাজেশন ও নোট দিয়ে আমাদেরকে ভালভাবেই পরীক্...

শিকারি ও বুদ্ধিমান পাখি

একবার এক শিকারি ছোট্ট একটি পাখি ধরে ফেলল। পাখিটি খুব বুদ্ধিমান ছিল। পাখিটি শিকারির খুব প্রশংসা করতে লাগল যে, তুমি এতবড় শিকারি! জীবনে অনেক বাঘ মেরেছ, অনেক ভাল্লুক মেরেছ, এই করেছ, সেই করেছ। আমি একটা ছোট্ট পাখি, আমার ওজন ১০০ গ্রামও না, আমাকে খেয়ে তুমি কী করবে? আমাকে খেলে তো তোমার পেটের একটা কোনাও ভরবে না। তার চেয়ে বরং আমাকে ছেড়ে দাও। তোমাকে এমন তিনটি মূল্যবান বাণী শোনাব যা তোমার সারাজীবন কাজে লাগবে। এমনভাবে সে কথাবার্তা বলছিল যে শিকারির মন গলে গেল। কারণ তেল পেতে সবাই পছন্দ করে। আরেকজনকে গলানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে তেল। সে ভেবে দেখল, ঠিকই তো। এত ছোট পাখি খেয়ে কোনো লাভ নেই। তার চেয়ে শুনি, পাখিটা কী বলতে চায়। হয়তো এতে আমার লাভ বেশি হবে। শিকারি রাজি হওয়ায় পাখিটি বলল, আমি প্রথম বাক্যটি বলব তোমার হাতের ওপর বসে, দ্বিতীয় বাক্যটি বলব এই গাছের ডালে বসে, তৃতীয় বাক্যটি বলবো গাছের মগডালে বসে। শিকারি বললো, ঠিক আছে। পাখি বলল, ‘কখনো অলীক কল্পনা কর না, যা অবাস্তব সেটা কখনো বিশ্বাস কর না’। শিকারি বলল, খুব ঠিক কথা। সত্যিই তাই। কখনো অবাস্তব কথায় বিশ্বাস করতে নেই। পাখ...

সীতা হরণ,রামের অস্থিরতা ও পিভিএ'র অনির্ধারিত আড্ডা।।

পৌরাণিক কাহিনীতে জমি চাষ করতে গিয়ে ভূমিতে লাঙলের আঘাতে সীতার জন্ম। অযোধ্যার রাজকুমার রাম তার ভাই লক্ষ্মণকে নিয়ে মিথিলায় গেলে মিথিলার রাজসভায় ধনুক ভেঙ্গে সীতাকে জয় করেন রাম।সীতাকে বিবাহের পর, রাম ১৪ বছরের জন্য বনবাসে গিয়ে চিত্রকুট পর্বতে স্বর্ণমৃগের পিছনে ছুটতে গিয়ে রাবণ সীতাকে হরণ করে। রামলক্ষ্মণ বানর ও ভল্লুকসেনার সাহায্যে রাবনবধ ও সীতা উদ্ধার করলেও, প্রজার প্রশ্ন নিরসন করতে সীতাকে শুধু অগ্নিপরীক্ষাই দিতে হয়নি রাম তাকে ত্যাগ করলে লব কুশকে গর্ভে নিয়ে সীতা আশ্রয় নেন বাল্মীকি মুনির আশ্রমে। সীতার চিন্তায় রাম অস্থির হয়ে ভাই ভরতকে রাজ্য পরিচালনার প্রস্তাব দিলে ভরত রামকে স্থির হতে বলেন। ভরতের কথা শুনে রাম তাকে বলেন সীতা ধ্যান, সীতা জ্ঞান, সীতা চিন্তামণি। সীতা বিনা আমি যেন মণিহারা ফণী। পিভিএ'র দুচার জন একত্রিত হলেই একটা জমজমাট আড্ডা হয়ে যায়। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠে আমতলীর উন্নয়ন, রাজনীতি এবং সমকালীন ঘটনাবলী। আজকে লঞ্চে ঢাকা যাওয়ার পথে সেরকম একটি অনির্ধারিত আড্ডায় আবারো প্রমান হল আমাদের চিন্তায় মননে পিভিএ ধ্যান-জ্ঞান হয়ে উঠছে।

আমতলীর কৃতিমানদের নিয়ে'স্মৃতি চির অম্লান।।

আমতলী দক্ষিনাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ। ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আমতলীর গুলিশাখালীতে একটি প্রশাসনিক থানা স্থাপিত হয় । বরগুনা ও খেপুপাড়া গুলিশাখালী থানাধীন ছিল । নদী ভাংগন এবং এক প্রান্তে হওয়ায় ১৯০১ সনে গুলিশাখালী থানা হেড-কোয়ার্টার মধ্যবর্তী স্থান আমতলীতে স্থানান্তর করা হয় এবং ১৯০৪ সনে থানার নামকরণ করা হয় আমতলী। সময়ের বিবর্তনে আমতলী থেকে বিভক্ত হয়ে বরগুনা আজ জেলা এবং কলাপাড়া একটি উন্নত জনপদ। অথচ তৎকালীন সময় আমতলীকে মহাকুমা করার কথা ছিল । ১৯৬৫ সালে মৌলিক গণতন্ত্রের অধীনে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে আমতলীর প্রার্থী ডাঃ ফজলুর রহমান মাত্র ১ ভোটে হারার মধ্যদিয়ে আমতলীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে। আমতলীকে মহাকুমায় উন্নীত করার দাবী অগ্রাহ্য করে ১৯৬৯ সনে বরগুনা মহকুমায় উন্নীত হয়। ১৯৮২ সালের ৩ নভেম্বর আমতলীকে উপজেলা এবং বরগুনাকে জেলা ঘোষনা করা হয়।অথচ সেদিন আমতলীর কৃতি সন্তান ডা: ফজলুর রহমান নির্বাচিত হলে আজকে জেলা হত আমতলী। তবে সময়ের বিবর্তনে আমতলী আজ অমিত সম্ভাবনাময়ী এক জনপদ। কলাপাড়া-আমতলী -তালতলীকে কেন্দ্র করে দক্ষিনাঞ্চলের যে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ আমতলী তার gate way. আর এই সমৃদ্ধির পেছনে রয়েছে আমতল...

স্টিফেন হকিংস’র প্রেমিকা ও PVA এর সফলতা -ব্যর্থতার গল্প ।।

মাত্র ৩৮ ঘন্টা আগে পৃথিবীর সকল মায়া ত্যাগ করে চির বিদায় নিলেন বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী A Brief History of Time বইয়ের লেখক Stephen William Hawking । ১৯৬৪ সন, হকিংস ক্যামব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বোনের বান্ধবী Jane Wilde কে প্রথম দেখাতেই প্রেমে পরে গেলেন । একেই বলে Love at the first sight । আর কি প্রেম, একদম সরাসরি ইনগেজমেন্ট এবং ১৯৬৫ সনে বিয়ে । তখনই হকিংস এর শরীরে motor neurone disease ধীরে ধীরে বাড়ছে। স্ত্রীর ভালবাসা আর সেবা পেয়ে হকিংস শুধু সুস্থ্য হয়ে উঠলেন না নতুন উদ্যমে শুরু করলেন লেখাপড়া আর কাজ । মিডিয়ার সামনে বলেই ফেললেন Jane Wilde এর সাথে প্রণয়ই আমাকে কিছুটা বাচতে এবং দুনিয়াটা ঝাকুনি দিতে শিখিয়েছে । People's Voice of Amtali- PVA শুরুতেই একটি চ্যালেঞ্জের মুখে পরেছে। বরগুনা জেলা প্রশাসন, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের প্রচেষ্টায় সমস্যা তুলে আনা, তাৎক্ষনিক সমস্যা সমাধান করে Citizen's Voice-Barguna শুধু জনপ্রিয়তাই অর্জন করেনি Citizen's Journalism এর ক্ষেত্রে একটি role model হয়ে উঠেছে । এটি PVA এর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারন সবাই CVB এর মত PVA ...

লক্ষী বাঈ খ্যাত লক্ষ্ণৌ, দক্ষিনাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আমতলীর মান্নাদে খ্যাত প্রিয় বল্লভ কর্মকারের সুস্থ্যতা কামনা।।

আমতলী দক্ষিনাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ।সামাজিক সাংস্কৃতিকভাবেও ছিল বেশ অগ্রগামী।ঐতিহ্যবাহী নুরজাহান ক্লাবকে ঘিরে ৫০ এর দশকের নাট্যচর্চা এবং তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলা পর্যায়ে নাট্য প্রতিযোগিতায় আমতলীর থিয়েটার একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আমতলীর সংস্কৃতিকে পৌছে দিয়েছিল খ্যাতির শিখরে। ৮০ দশকে বরগুনা জেলা পর্যায়ে নাট্য প্রতিযোগিতায় আমতলীর উদীচীর ইলেকশন ক্যারিকেচার, অভিরাম পাওয়া রুটি ভক্ষন এবং ক্ষেপা পাগলার পেচাল এর সফল মঞ্চায়ন তারই ধারাবাহিকতা। শুধু কি নাটক, সঙ্গীত ও সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রেও আমতলী ছিল অনেক এগিয়ে। এ মাটিতে জম্ম নিয়েছেন অসংখ্য খ্যাতিমান শিল্পী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব । সময়টা ৮০ দশকের প্রথম দিকে। আমরা তখন স্কুলের ছাত্র। সন্ধ্যার পরে এবিএম চত্বর পাড় হলেই মনে হত আমি কোন কল্পনার জগতে এসেছি।একদিকে নুরু বারেকের দোকানে, ফয়সল ভাই , হারুন ভাই কুদ্দুস বিশ্বাস এবং পিছনে মাহবুব উল আলম ঝুন্টু তালুকদার, দেলোয়ার আকনের বাসায় ফুল ভলিউমে টেপ রেকর্ডারে মান্নাদে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় সতিনাথ, মোহাম্মদ রফির গান বাজত, স্বপন ভাইর বাসায় বাজত ভুপেনের গান।অন্যদিকে অজয় কর্মকার, ফুল্টু...

ব্রাজিল সমর্থকদের কমিটি গঠন, এক বৃটিশ চালাক ভদ্রলোক ও পিভিএ'র পথচলা ।।

এক বাংলাদেশী নামকরা ডাক্তার লন্ডনে চাকরি না পেয়ে মানবতার সেবা এবং সহজ সরলভাবে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য তাবু টানিয়ে অস্থায়ী ক্লিনিক খুলে বসল। তাঁবুর বাইরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে লিখে দিল 'GET TREATMENT FOR £20 - IF NOT CURED GET BACK £100 বিফলে মূল্য ফেরত! এ দেখে এক ব্রিটিশ চালাক লোক চিন্তা করল একই সাথে বোকা বাঙালীকে জব্দ করা এবং ১০০ পাউন্ড ধান্ধা করার এই সুযোগ। একে তো ব্রিটিশ, তার উপর অতি বুদ্ধিমান ভাবুন একবার! যথারীতি ভদ্রলোক গিয়ে ডাক্তারকে বলল- আমার জিহ্বায় কোন কিছুর স্বাদ পাইনা, আমি কোন স্বাদ পরখ করতে পারিনা আমার চিকিৎসা করুন। ডাক্তার বুঝতে পেরে তার এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে তিন ফোটা খাইয়ে দাও। ঔষধ খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক চেঁচিয়ে উঠল- এটা তো কেরোসিন! ডাক্তার: গুড, আপনার জিহ্বা কাজ করা শুরু করেছে, ২০ পাউন্ড দিন। ২০ পাউন্ড হারিয়ে অনেক ভেবেচিন্তে ভদ্রলোক দ্বিতীয় দিন আবার আসল ভদ্রলোক : আমার স্মৃতি কাজ করছেনা, আপনি আমার চিকিৎসা করুন।এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে চার ফোটা খাইয়ে দাও। খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক রেগেমেগে একাকার। ব...

আমতলীর বঙ্গবন্ধু টাউন হল কেবলই স্মৃতি।।

১৯৭৩ সনের মে মাস। নিজামউদ্দিন আহমেদ মাত্র কয়েক মাস প্রথম জাতীয় সংসদে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এসময়েই বঙ্গবন্ধু সরকার পর্যাযক্রমে প্রত্যেক থানায় একটি অডিটরিয়াম নির্মানের সিদ্ধান্ত নেন। সবচেয়ে তরুণ এমপি হিসাবে প্রাথমিক পর্যায়ে আমতলীকে এ কর্মসুচির আওতায় আনা হয়। জায়গা নির্ধারণ,অর্থ বরাদ্দ সম্পন্ন করে নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে অডিটরিয়ামের নির্মান কাজ শুরু হয় । নির্মান কাজের দায়িত্বে ছিলেন আমতলীর বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম পাশা তালুকদার। প্রথম অডিটরিয়ামের নামকরণ করা হয় আমতলী টাউন হল। সে অনুযায়ী নিজামউদ্দিন আহমেদের পরামর্শে গাজী আমির হোসেন ও আতাহার উদ্দিন আকন ইংরেজী ATH দিয়ে টাউন হলের সামনের ডিজাইন করেন। কিন্তু ১৯৭৫ সনের ফেব্রুয়ারী মাসে নতুন নামকরণ করা হয় বঙ্গবন্ধু টাউন হল। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হলে টাউন হল অসমাপ্ত রেখে নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় টাউন হলের ভিতরে গাছ গাছরায় ভরে যায়। ১৯৭৭ সনের দিকে শাহ আলম তালুকদারের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে চাদা তুলে এখানে একটি ব্যয়ামাগার করা হয়। কিছুদিন এটা ভালভাবে চললেও পরে বন্ধ হয়ে ...

আমতলী কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী, জ্ঞান ভিত্তিক সমাজের Light House ও পিভিএ'র Golden Journey

১৯৬৯ সনের জুলাই মাস। পিছিয়ে পরা জনপদ আমতলী যুক্ত হল একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিস্তারে সাবেক এমপিএ আলহাজ মফিজ উদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে আমতলীর মানুষ সৃষ্টি করল নতুন ইতিহাস,আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হল আমতলী কলেজ। দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ, নানা চড়াই- উৎড়াই পেড়িয়ে ২০১৯ সনের জুলাই মাসে আমতলী কলেজ পূর্ণ করবে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর -সুবর্ণ জয়ন্তী। সময়ের বিবর্তনে আমতলী কলেজ ডিগ্রী কলেজে উন্নীত হয়েছে, জাতীয়করণ হয়েছে। গত ৫০ বছর ধরে আমতলী সরকারী কলেজ এ অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক সাংস্কৃতিক বিকাশসহ জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় Light House এর ভূমিকা পালন করছে। আমতলী সরকারী কলেজ কর্তৃপক্ষ জাকজমকপূর্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমতলীর মানুষের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান আমতলী সরকারী কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবেন এটি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীসহ আমতলীবাসীর প্রত্যাশা। পাশাপাশি কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী ঘিরে People's Voice of Amtali - PVA শুরু করছে Golden Journey. এসময়ে পিভিএ তুলে ধরবে কলেজ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস,কাধে বস্তা নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কলেজ...

মানবতার দেয়াল: শীতার্তদের পাশে দাড়ান।।

পৌষ মাস সবে শুরু। এখনি প্রচন্ড শীত। মাঘের শীত বাঘের গায়ে তো রয়েই গেছে। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে শীত গ্রীষ্ম কোন নিয়ম মানছে না । তবে গত দুতিন দিনে বলতে গেলে হাড় কাপানো শীত পরছে। আর এই শীতে গরীব মানুষরা বেশী কষ্ট পাচ্ছে। শীতার্থ মানুষের সীমাহীন কষ্টের কথা ভেবে People's Voice of Amtali -PVA মানবতার দেয়াল (Wall of Humanity) নামে একটি উদ্যোগ নিয়েছে। যে দেয়ালে নতুন ও পুরানো শীতবস্ত্র টানানো থাকবে, যার যা প্রয়োজন সেখান থেকে নিয়ে নিবে। আসুন নতুন কিংবা আপনার বাসায় পরে থাকা পুরানো শীতবস্ত্রগুলো দান করে মানবতার পাশে দাড়াই।

কলাপাড়া ও তালতলীতে প্রধানমন্ত্রী , জিও-পলিটিক্স, পায়রা সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক উন্নয়ন ধারা ও আমতলীতে জেলার দাবী।

এই মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পায়রা সমুদ্রবন্দরের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ কাজী নিশাদ রসুল স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুয়ায়ী সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় অবতরণ করার কথা । প্রধানমন্ত্রী সেখানে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুনর্বাসন প্রকল্প স্বপ্নের ঠিকানা উদ্ভোধনসহ ১৬টি প্রকল্প উদ্ভোধন ও ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তিনি বেলা আড়াইটায় বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় শুভাগমন করবেন। তিনি এখানে ২১ উদ্ভোধন শেষে বিকাল ৩ টায় তালতলী সরকারী হাই স্কুল মাঠে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতা করবেন।  ২০০৮ সন পরবর্তী সময়ে তালতলীতে এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর । ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বরগুনা -০৩ আমতলী-তালতলী নির্বাচনী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৮ সনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হলে স্বাভাবিকভাবে প্রত্যাশা ছিল তার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলীকে ঘিরে এ অঞ্চল হবে উন্নয়নের একটি রোল মডেল । জ...

মামনির জন্মদিন: স্বপ্নের চেয়েও বড় হও।

১৯২৮ সন। পন্ডিত জহরলাল নেহেরু তখন এলাহবাদে। আর ১০ বছরের ইন্দিরা গান্ধী থাকেন হিমালয়ের কোলঘেসে মূসৌরী শহরে। যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম চিঠি। নেহেরু প্রায়ই মেয়েকে চিঠিতে প্রকৃতি, পৃথিবী ও মানব সভ্যতার বিকাশসহ ভারতের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে লিখতেন। ১৯২৯ সনের নভেম্বর মাসে এসব চিঠি নিয়ে মা-মনিকে-বাবা নামে একটি বই প্রকাশিত হলে তা ইতিহাসের অংশ হয়ে যায় । বর্তমানে এটি ভারতের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে এবং রেফারেন্স বুক হিসাবে পড়ানো হয়।কুটনৈ তিক ফারুক চৌধুরীর কুটনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা প্রিয় ফারজানাও আমাদের ভ্রমন সাহিত্য ও ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। প্রত্যেক পিতাই দূরে থাকা সন্তানদের প্রতি কিছু পরামর্শ, কিছু নির্দেশনা দিয়ে থাকে। আগে চিঠি লিখত,এখন তার জায়গায় ইমেইল, মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া ।এজন্য নির্দেশনাটাও বেশী । এটা কর, ওটা কর না । সন্ধ্যার আগেই বাসায় বা হলে ফের। রাত কর না। রাজনীতিতে জড়িও না, কোটা সংস্কার আন্দোলন কিংবা নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে যেও না। কারন অভিভাবকরা সব সময় সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে, মেয়ে হলে তো কথাই নেই । সন্তানরা হয়ত ভাবে, আমরা বড় হয়েছি এত ট...

৫০ তম জন্মদিন ও স্বামীজির Strength is Life, Weakness is Death.

রাত ১২-০১। কালের খেয়ায় পাড়ি দিয়ে মহাকালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আরো একটি বছর। শচীনের চার কিংবা ছক্কা হাকিয়ে নয়,ঘণ্টা-দিন-মাস পেড়িয়ে আমিও জীবনের Half Century করার গৌরব অর্জন করলাম। মহাকালের হিসাবে ৫০ বছর খুবই সামান্য সময়, ক্ষণিক মাত্র। কিন্তু জীবনের ক্ষেত্রে অর্ধ শতাব্দী একটি অসাধারণ মাইলস্টোন। যাপিত জীবনের নির্মোহ আত্ম মূল্যায়নে যেমনি রয়েছে প্রাপ্তির আনন্দ, তেমনি আছে চ্যালেঞ্জ। কারণ এসময়ে সকল ভাল এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগগুলো এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সকলের অকুন্ঠ সমর্থন, অকৃতিম ভালবাসা এবং আন্তরিক সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলে প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তির তালিকাটি অনেক দীর্ঘ। তবে অচলায়তন ভেংগে সমাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখানো-শিব খেরার ভাষায় Absulately it’s a big challenge. আইনস্টাইনের ৫০ তম জন্মদিন। শুভেচ্ছা জানিয়ে কার্ড পাঠিয়েছেন সিগমন্ড ফ্রয়েড। কার্ডে ফ্রয়েড আইনস্টাইন কে সম্বোধন করেছেন You are lucky one বলে। আইনস্টাইন বুঝতে পারছিলেন না ফ্রয়েডের মত খ্যাতিমান মানুষ কেন তাঁকে ভাগ্যবান মনে করছেন। ফ্রয়েডকে চিঠি লিখলেন আইনস্টাইন, আপনি যেখানে এত মানুষের...

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা ও একজন সাংবাদিক।

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং শিক্ষক নেতা। তিনি কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমীতে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন আমতলী সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। মৃত্যুর আ গ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আমতলী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম এবং ২০১১ সনে প্রেসক্লাবের আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সম্পাদনায় আমতলী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল সাপ্তাহিক দক্ষিন বাংলা। তিনি যুক্ত ছিলেন স্কাউট,ক্রীড়া সংস্থা এবং শিল্পকলা পরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে এবং আমতলী ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।  জন্ম ১১ জুন, ১৯৫৪ আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দেওয়ান পরিবারে। পিতার নাম চেরাগ আলী দেওয়ান। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ আমতলীর এই কৃতি সন্তান আমতলী শহরের নি...