সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মূর্খ ইদুরের জ্ঞানী- বিত্তবানের স্বপ্ন ও সমকালীন বাস্তবতা।

একদিন একটি ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করে। কোন খাবার না পেয়ে রাজার গহনার পাত্রে রাখা একটি হীরের টুকরো গিলে ফেলে। হীরে চুরি যাওয়ার কারণে রাজ প্রাসাদে সবার ঘুম হারাম হয়ে গেছে । রাজা মশাই জ্যোতিষী কে ডেকে পাঠায়। জ্যোতিষী বলে হীরের টুকরো ইদুরে খেয়ে ফেলেছে। সেনাপতি রাজার হীরে উদ্ধারের জন্য রাজ্যময় পুরস্কার ঘোষণা করে দিলেন । একজন শিকারীকে খুজে বের করে, ইঁদুর মেরে হীরে উদ্ধারের দায়িত্ব দেয়া হল। শিকার ি যখন ইঁদুর ধরার জন্য ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয়। তখন সে দেখে শত শত ইঁদুর একে অন্যের সংগে দলবেঁধে শুয়ে আছে, আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর রঙিন কাপড়ের বিছানা করে চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছে। শিকারি তখন ওই ইঁদুরটাকে ধরে। আর তার পেট চিরে হীরে বের করেন এবং রাজার হাতে সেটা তুলে দিলেন। রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার দিয়ে দিলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন,হাজারো ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে, ওই ইঁদুরটাই হীরে চুরি করেছে? শিকারি জবাবে বলে, -খুবই সহজ ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায় কিংবা বিত্তবান-জ্ঞানী হওয়...

একটি কাঠের ব্রীজ,সম্মিলিত প্রচেষ্টার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ও স্বপ্নের মেলবন্ধন ।

স্বপ্ন দেখা এবং দেখানো অনেক বড় কাজ। আমি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার কথা বলছি না, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের যে স্বপ্ন ঘুমোতে দেয় না তার কথা বলছি। প্রত্যেকটি মানুষ নিজেকে নিয়ে, সমাজ ও দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অন্যকে স্বপ্ন দেখায়। এরকমই একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আমতলী সদর ইউনিয়নের নাচনা পাড়া গ্রামবাসী। গ্রামের বাসিন্ধারা সম্মিলিতভাবে শিংখাল ী খালের উপর ১১০ ফুট একটি কাঠের ব্রীজ নির্মান করে দুপাড়ের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরী করার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দল,মত এবং ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ যখন ক্রমশ আত্মকেন্ত্রিক হয়ে পরছে,সরকারী-বেসরকারী উন্নয়ন বরাদ্দ এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার,স্বচ্ছতা এবং জনঅংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ঠিক সেই সময় গ্রামের কতিপয় একেবারেই সাধারণ মানুষ চলমান স্রােতের বিপরীতে নিজেরা স্বপ্ন দেখে মহৎ কিছু করার উদ্যোগ নিয়েছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং পিভিএ’র পক্ষ থেকে কালাম মেম্বর, হিরন মৃধা, আতাহার চৌকিদার এবং আবদুল মালেকসহ যারা শ্রম দিয়েছেন, অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগ...

আজ ২৫ মে,বিদ্রোহী কবির ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী।।

আজ শুক্রবার ২৫ মে,২০১৮, বাংলা ১১ জ্যেষ্ঠ,১৪২৫। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী। দ্রোহ, প্রেম ও সাম্যের কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম এক বিশেষ স্থান দখল করে আছেন । ১৮৯৯ সাল বাংলা ১৩০৬ সনের এইদিনে বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে কাজী পরিবারে কবির জন্ম। বরেণ্য এ কবি নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পিতা কাজী ফকির আহমেদকে হারান । আর্থিক অণটনে পড়ে বই-খাতা রেখে রোজগারে নামতে হয়েছে। কখনও মসজিদের ইমামতি, মাজারের খাদেমগিরি কিংবা চায়ের দোকানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এজন্য ছেলেবেলায় সবাই তাকে ‘দুখু মিয়া’ বলে ডাকত । আসানসোলের চা-রুটির দোকানে রুটির কাজ করার সময় সেখানে কর্মরত দারোগা রফিজ উল্লাহ’র সঙ্গে পরিচয় হয় নজরুলের। তিনি কিশোর নজরুলকে নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে ১৯১৪ সনে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষা না দিয়েই ১৯১৭ সালে সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন এবং অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম জনপ্রিয় হয়েছেন কবিতা ও গানে। ব্রিটিশ শাসকদের শো...

দার্শনিক সক্রেটিস, চালাক নিন্দুক ও Tripple Filter Test.

সক্রেটিস প্রাচীন গ্রিসে সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষদের একজন। সক্রেটিস একদিন ঘরের বাইরে বসে আছেন । এক ভদ্রলোক তার সাথে দেখা করতে এসে তাকে বললেন আপনার বন্ধু সম্পর্কে কি শুনেছি জানেন ? এক মিনিট দাড়ান, বলেই সক্রেটিস তাকে বললেন আমার বন্ধু সম্পর্কে কিছু বলার আগে আপনার একটা পরীক্ষা নিতে চাই।এটার নাম Tripple Filter Test বা তিন ছাকুনি পরীক্ষা। আপনার কথাগুলো ছাকুনি দিয়ে ছেকে দেখতে চাই। প্রথম ছাকুনি সত্য। আপনি কি পুরোপুরি নিশ্চিত আপনি আমাকে যা বলতে যাচ্ছেন তা আসলেই সত্য। ভদ্রলোক বিব্রত হয়ে আমতা আমতা করে বললেন, না আমি কেবল তা শুনেছি কিন্তু ----। তাহলে আপনি নিশ্চিত নন যা বলতে এসেছেন তা আসলেই সত্য কিনা। তাহলে এবার আসা যাক দ্বিতীয় পরীক্ষায় যার নাম ভাল। আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে যা বলবেন তা কি ভাল ? জবাবে ভদ্রলোক বললেন, না আদৌ ভাল না বরং আমি উল্টাটা বলব। সক্রেটিস তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে আমার কাছে খারাপ কথা বলবেন অথচ আপনি জানেন না সেটি সত্য কি না। তারপরেও আপনি আমার পরীক্ষায় পাশ করতে পারেন যদি তৃতীয় পরীক্ষা উত্তীর্ণ হন। কারন তৃতীয় পরীক্ষাটা এখনো বাকী আর তৃতীয় প...

ব্রাজিল সমর্থকদের কমিটি গঠন, এক বৃটিশ চালাক ভদ্রলোক ও পিভিএ'র পথচলা ।।

এক বাংলাদেশী নামকরা ডাক্তার লন্ডনে চাকরি না পেয়ে মানবতার সেবা এবং সহজ সরলভাবে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য তাবু টানিয়ে অস্থায়ী ক্লিনিক খুলে বসল। তাঁবুর বাইরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে লিখে দিল 'GET TREATMENT FOR £20 - IF NOT CURED GET BACK £100 বিফলে মূল্য ফেরত! এ দেখে এক ব্রিটিশ চালাক লোক চিন্তা করল একই সাথে বোকা বাঙালীকে জব্দ করা এবং ১০০ পাউন্ড ধান্ধা করার এই সুযোগ। একে তো ব্রিটিশ, তার উপর অতি বুদ্ধিমান ভাবুন একবার! যথারীতি ভদ্রলোক গিয়ে ডাক্তারকে বলল- আমার জিহ্বায় কোন কিছুর স্বাদ পাইনা, আমি কোন স্বাদ পরখ করতে পারিনা আমার চিকিৎসা করুন। ডাক্তার বুঝতে পেরে তার এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে তিন ফোটা খাইয়ে দাও। ঔষধ খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক চেঁচিয়ে উঠল- এটা তো কেরোসিন! ডাক্তার: গুড, আপনার জিহ্বা কাজ করা শুরু করেছে, ২০ পাউন্ড দিন। ২০ পাউন্ড হারিয়ে অনেক ভেবেচিন্তে ভদ্রলোক দ্বিতীয় দিন আবার আসল ভদ্রলোক : আমার স্মৃতি কাজ করছেনা, আপনি আমার চিকিৎসা করুন।এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে চার ফোটা খাইয়ে দাও। খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক রেগেমেগে একাকার। ব...

আফতাব আলম, একজন সৎ এবং আদর্শ শিক্ষক

আলহাজ্ব আফতাব আলম (রত্তন সিকদার)। একজন সৎ এবং আদর্শ শিক্ষক । সর্বশেষ কর্মস্থল বরগুনা সরকারী বালিকা বিদ্যালয়।এখান থেকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে অবসর গ্রহণ করেন । শিক্ষকতা জীবনে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ছাত্র -শিক্ষক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। অবসর গ্রহণের পরে আমতলীর বিভিন্ন সামাজিক কাজের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি একত্রিত হয়ে গড়ে তুলেছিলেন মুক্ত জীবন নামের একটি সংগঠন ।  জন্ম আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামে । পিতা মরহুম আমিন উদ্দিন সিকদার একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং সমাজসেবক । ১৪ মে, ২০১৭ সনে আমতলীর এই কৃতি সন্তান ইন্তেকাল করেন।

আজ ২৫ মে,বিদ্রোহী কবির ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী

আজ শুক্রবার ২৫ মে,২০১৮, বাংলা ১১ জ্যেষ্ঠ,১৪২৫। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী। দ্রোহ, প্রেম ও সাম্যের কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম এক বিশেষ স্থান দখল করে আছেন । ১৮৯৯ সাল বাংলা ১৩০৬ সনের এইদিনে বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে কাজী পরিবারে কবির জন্ম। বরেণ্য এ কবি নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পিতা কাজী ফকির আহমেদকে হারান । আর্থিক অণটনে পড়ে বই-খাতা রেখে রোজগারে নামতে হয়েছে। কখনও মসজিদের ইমামতি, মাজারের খাদেমগিরি কিংবা চায়ের দোকানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এজন্য ছেলেবেলায় সবাই তাকে ‘দুখু মিয়া’ বলে ডাকত । আসানসোলের চা-রুটির দোকানে রুটির কাজ করার সময় সেখানে কর্মরত দারোগা রফিজ উল্লাহ’র সঙ্গে পরিচয় হয় নজরুলের। তিনি কিশোর নজরুলকে নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে ১৯১৪ সনে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষা না দিয়েই ১৯১৭ সালে সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন এবং অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম জনপ্রিয় হয়েছেন কবিতা ও গানে। ব্রিটিশ শাসকদের...