সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

লেডি জাস্টিসিয়া ,তেতুল হুজুর ও সমকালীন বাস্তবতা

আবারো বলি এটা মুর্তি নয় এটা ভাস্কর্য । আমি এখানে শিল্পের এসথেটিক জাজমেন্ট করছি না । শিল্প বিচারে ডালির Persistence of Memory বা মাইকেল এঞ্জেলোর Last judgement নিয়েও বিতর্ক আছে । তবে subjective, objective, content and unity বিচার করে যেভাবে Statue of Liberty বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র সাম্য স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠছে তেমনি দেবী থেমিসের স্ট্যাচুও ন্যায় বিচারের প্রতীক লেডি জাস্টিসিয়া হিসাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে । বিশ্বের অনেক দেশের বিচারালয়ের সামনে এ স্ট্যচু রয়েছে । এমনকি মুসলিম দেশগুলোর বিচারালয়ের সামনেও । এনিয়ে কোথাও কোন বিতর্ক নেই । ধর্মের সাথে কোন রুপ সাংঘর্ষিকও নয় । বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশের মসজিদের সামনেও স্ট্যাচু রয়েছে কই তারা তো এসব নিয়ে বিতর্ক করে না । রমজানের আগে তেতুল হুজুরগণ সমাজের অনৈতিক কর্মকান্ড , অবৈধ আয় , জুয়া সূদ ঘুষ নিয়ে কথা বলছি না । মাতামাতি শুরু করলাম ন্যায় বিচারের প্রতীক নিয়ে .

আমতলীর শিল্প সংস্কৃতির চর্চা, বইমেলা ও একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার

  আমতলীর শিল্প সাংস্কৃতিক অঙ্গন ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ৮০ দশকে একদিকে তরুনদের অংশগ্রহণে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিবাদী গণসঙ্গীত, নাটক এবং সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় অপেক্ষাকৃত সিনিয়র শিল্পীদের নেতৃত্বে শিল্পকলা পরিষদের সাংস্কৃতিক চর্চা। স্বপন সিদ্দিকী ও বাহাদুর খ ানের নেতৃত্বে উদীচীর নাটক আমতলী তো বটে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কলাপাড়া এবং বরগুনা জেলা সদরেও জনপ্রিয় হয়ে উঠল। এমনকি আমতলী উদীচীর নাটকের কথা শুনলে বরগুনা সিনেমা হলের দর্শক কমে যেত। ভিতরে ভিতরে উদীচী ও শিল্পকলা এ দুধারার মধ্যে একটা প্রতিযোগিতাও ছিল। সেটা কখনো সুস্থ্য কখনো অসুস্থ্যও। এটা বিবেচনা করেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানিক চন্দ্র দের নেতৃত্বে আমরা কয়েকজন দুধারাকে একত্রিত করার উদ্যোগ নিলাম এবং সফলও হলাম। শিল্পকলা পরিষদ হয়ে উঠল আমতলীর শিল্প সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। সময়ের বিবর্তনে এসব আজ ইতিহাস। বাহাদুর খান মারা যাওয়ার পর আমি কিছুদিন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করলেও সিডর পরবর্তী সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের অনীহা এবং শিল্প সংস্কৃতির প্রতি অনাগ্রহের কারনে শিল্পকলা পরিষদকে আর সচল করা যায়নি। বার বার নতুন কমিটি গঠন...

শৈত্য প্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

তীব্র শীতে কাপছে দক্ষিনাঞ্চলসহ পুরো দেশ। রাজধানীর চেয়ে গ্রামীণ জনপদে শীতের তীব্রতার সঙ্গে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের শিরশিরে বাতাশে বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রায় সপ্তাহ জুড়ে সারাদেশে বইছে শৈত্য প্রবাহ। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল তেঁতুলিয়ায়।শীতবস্ত্রের অভাবে কনকনে ঠাণ্ডায় ভুগছেন হতদরিদ্ররা। এদিকে, ঠাণ্ডাজনিত রোগ বালাইয়ে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে চারপাশ। সোমবার সকালে কলাপাড়াসহ এ এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আবহাওয়ার পূর্বাভাস, শীত আরো দুই দিন বাড়বে। জানুয়ারির শেষদিকে আসতে পারে আরেকটি শৈত্য প্রবাহ।

ব্যান্ডউইডথের দাম কমলেও কোন সুবিধা পাচ্ছে না ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।।

পাইকারি পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের দাম ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। ব্যান্ডউইডথের নতুন এ মূল্য বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো (আইএসপি) এ দাম কমানোর সুফল পাবে। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহারকারী গ্রাহকেরা সরাসরি এই দাম কমানোর সুফল পাবেন না । বিএসসিসিএল সূত্র জানায়, ভারত থেকে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল কেবল) অপারেটরের মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ আমদানি কমিয়ে আনতে ব্যান্ডউইডথের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কক্সবাজারে প্রতি এমবিপিএস (মেগা বিটস প্রতি সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথের সর্বনিম্ন দাম পড়বে ৩১০ টাকা। তবে এজন্য আইআইজি প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে ৫০ জিবিপিএস (গিগা বিটস প্রতি সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ নিতে হবে। ঢাকায় প্রতি এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথের সর্বনিম্ন দাম পড়বে ৪২৫ থেকে ৪৩৫ টাকার মধ্যে। এই দাম পেতে হলে আইআইজিকে বিএসসিসিএলের কাছে কমপক্ষে ৩০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ নিতে...

স্বপ্নবাজদের শীতবস্ত্র বিতরণ,বৃদ্ধ হতদরিদ্রদের শীত জয়ের গল্প

শৈত্য প্রবাহের কারনে কনকনে শীতে কাপছে সারাদেশ। উপকূলের মানুষও গত কয়েকদিনের শীতে দিশেহারা। হতদরিদ্র এবং বৃদ্ধ নারী পুরুষের অবস্থা আরো খারাপ।এসব বয়স্ক মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করেই মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-MJF'র সহযোগিতায় CRCC প্রকল্পের আওতায় এনএসএস'র স্বেচ্ছাসেবীরা সীমিত সামর্থের মধ্যে কলাপাড়া ও পাথরঘাটা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের হতদরিদ্র এবং বৃদ্ধ নারী -পুরুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়।গত দুদিন এসব স্বেচ্ছ াসেবীরা কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী, লতাচাপলি এবং নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে খুজে খুজে হতদরিদ্র এবং শীতার্থ বৃদ্ধ নারী-পুরুষের হাতে তুলে দেন শীতবস্ত্র। এই তীব্র শীতে আকস্মিকভাবে বাড়িতে বসে তরুনদের হাত থেকে একটি কম্বল পেয়ে আনন্দে কেউ কেউ কেদে ফেলেছেন। শীত জয়ের অমলিন হাসি আর আনন্দাশ্রু দেখে মনে হয়েছে This is something in the world which money can't bye. এরকম একটি অসাধারণ কাজ করার জন্য এনএসএস'র স্বেচ্ছাসেবীদের অসংখ্য ধন্যবাদ। একঝাক স্বপ্নবাজ তারুণ্য, তোমরাই এ জাতির বাতিঘর -এগিয়ে যাও স্বপ্নের পথে,সম্ভাবনার দিগন্তে।

জাবেদ পাটোয়ারী: ভাংগা সাইকেল ও জীবন যুদ্ধে একজন সাহসী যোদ্ধার গল্প

ড: জাবেদ পাটোয়ারী। ৩১জানুয়ারী, ২০১৮ বিকালে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদ- ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ-আইজিপি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন । ২৫ জানুয়ারি সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে জাবেদ পাটোয়ারীকে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ-আইজিপি হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ৩১ জানুয়ারি হতে এ নিয়োগ কার্যকর হবে এবং ঐদিন বর্তমান আইজিপি একেএম শহীদুল হকের চাকরির মেয়াদ শেষ হলে তিনি তার স্থলাভিষিক্ত হলেন । সদা হাস্যজ্জোল এবং মিডিয়া বান্ধব এই মানুষটি বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক হিসাবে সুনামের সাথে একটানা ৯ বছর দায়িত পালন করেছেন এবং নিজ যোগ্যতা অভিজ্ঞতার বলে কর্মজীবনে অনেক প্রশংসা কুড়িযেছেন। ড. জাবেদ পাটোয়ারী বত্রিশ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ক্যারিয়ারে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা পেশাদারিত্ব ও সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি অতিরিক্ত আইজি (গ্রেড-১) স্পেশাল ব্রাঞ্চ ছাড়াও ১৯৯৬ থেকে ...