আবারো
বলি
এটা
মুর্তি
নয়
এটা
ভাস্কর্য। আমি
এখানে
শিল্পের
এসথেটিক
জাজমেন্ট
করছি
না। শিল্প
বিচারে
ডালির
Persistence of Memory বা মাইকেল এঞ্জেলোর
Last judgement নিয়েও বিতর্ক আছে। তবে
subjective, objective, content and unity বিচার করে
যেভাবে
Statue of Liberty বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র সাম্য
স্বাধীনতার
প্রতীক
হয়ে
উঠছে
তেমনি
দেবী
থেমিসের
স্ট্যাচুও
ন্যায়
বিচারের
প্রতীক
লেডি
জাস্টিসিয়া
হিসাবে
বিশ্বব্যাপী
পরিচিতি
লাভ
করেছে। বিশ্বের
অনেক
দেশের
বিচারালয়ের
সামনে
এ
স্ট্যচু
রয়েছে। এমনকি
মুসলিম
দেশগুলোর
বিচারালয়ের
সামনেও। এনিয়ে
কোথাও
কোন
বিতর্ক
নেই।ধর্মের
সাথে
কোন
রুপ
সাংঘর্ষিকও
নয়। বিশ্বের
অনেক
মুসলিম
দেশের
মসজিদের
সামনেও
স্ট্যাচু
রয়েছে
কই
তারা
তো
এসব
নিয়ে
বিতর্ক
করে
না। রমজানের
আগে
তেতুল
হুজুরগণ
সমাজের
অনৈতিক
কর্মকান্ড,
অবৈধ
আয়,
জুয়া
সূদ
ঘুষ
নিয়ে
কথা
বলছি
না। মাতামাতি
শুরু
করলাম
ন্যায়
বিচারের
প্রতীক
নিয়ে.
গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন