আবারো
বলি
এটা
মুর্তি
নয়
এটা
ভাস্কর্য। আমি
এখানে
শিল্পের
এসথেটিক
জাজমেন্ট
করছি
না। শিল্প
বিচারে
ডালির
Persistence of Memory বা মাইকেল এঞ্জেলোর
Last judgement নিয়েও বিতর্ক আছে। তবে
subjective, objective, content and unity বিচার করে
যেভাবে
Statue of Liberty বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র সাম্য
স্বাধীনতার
প্রতীক
হয়ে
উঠছে
তেমনি
দেবী
থেমিসের
স্ট্যাচুও
ন্যায়
বিচারের
প্রতীক
লেডি
জাস্টিসিয়া
হিসাবে
বিশ্বব্যাপী
পরিচিতি
লাভ
করেছে। বিশ্বের
অনেক
দেশের
বিচারালয়ের
সামনে
এ
স্ট্যচু
রয়েছে। এমনকি
মুসলিম
দেশগুলোর
বিচারালয়ের
সামনেও। এনিয়ে
কোথাও
কোন
বিতর্ক
নেই।ধর্মের
সাথে
কোন
রুপ
সাংঘর্ষিকও
নয়। বিশ্বের
অনেক
মুসলিম
দেশের
মসজিদের
সামনেও
স্ট্যাচু
রয়েছে
কই
তারা
তো
এসব
নিয়ে
বিতর্ক
করে
না। রমজানের
আগে
তেতুল
হুজুরগণ
সমাজের
অনৈতিক
কর্মকান্ড,
অবৈধ
আয়,
জুয়া
সূদ
ঘুষ
নিয়ে
কথা
বলছি
না। মাতামাতি
শুরু
করলাম
ন্যায়
বিচারের
প্রতীক
নিয়ে.
১৯২৮ সন। পন্ডিত জহরলাল নেহেরু তখন এলাহবাদে। আর ১০ বছরের ইন্দিরা গান্ধী থাকেন হিমালয়ের কোলঘেসে মূসৌরী শহরে। যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম চিঠি। নেহেরু প্রায়ই মেয়েকে চিঠিতে প্রকৃতি, পৃথিবী ও মানব সভ্যতার বিকাশসহ ভারতের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে লিখতেন। ১৯২৯ সনের নভেম্বর মাসে এসব চিঠি নিয়ে মা-মনিকে-বাবা নামে একটি বই প্রকাশিত হলে তা ইতিহাসের অংশ হয়ে যায় । বর্তমানে এটি ভারতের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে এবং রেফারেন্স বুক হিসাবে পড়ানো হয়।কুটনৈ তিক ফারুক চৌধুরীর কুটনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা প্রিয় ফারজানাও আমাদের ভ্রমন সাহিত্য ও ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। প্রত্যেক পিতাই দূরে থাকা সন্তানদের প্রতি কিছু পরামর্শ, কিছু নির্দেশনা দিয়ে থাকে। আগে চিঠি লিখত,এখন তার জায়গায় ইমেইল, মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া ।এজন্য নির্দেশনাটাও বেশী । এটা কর, ওটা কর না । সন্ধ্যার আগেই বাসায় বা হলে ফের। রাত কর না। রাজনীতিতে জড়িও না, কোটা সংস্কার আন্দোলন কিংবা নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে যেও না। কারন অভিভাবকরা সব সময় সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে, মেয়ে হলে তো কথাই নেই । সন্তানরা হয়ত ভাবে, আমরা বড় হয়েছি এত ট...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন