আবারো
বলি
এটা
মুর্তি
নয়
এটা
ভাস্কর্য। আমি
এখানে
শিল্পের
এসথেটিক
জাজমেন্ট
করছি
না। শিল্প
বিচারে
ডালির
Persistence of Memory বা মাইকেল এঞ্জেলোর
Last judgement নিয়েও বিতর্ক আছে। তবে
subjective, objective, content and unity বিচার করে
যেভাবে
Statue of Liberty বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র সাম্য
স্বাধীনতার
প্রতীক
হয়ে
উঠছে
তেমনি
দেবী
থেমিসের
স্ট্যাচুও
ন্যায়
বিচারের
প্রতীক
লেডি
জাস্টিসিয়া
হিসাবে
বিশ্বব্যাপী
পরিচিতি
লাভ
করেছে। বিশ্বের
অনেক
দেশের
বিচারালয়ের
সামনে
এ
স্ট্যচু
রয়েছে। এমনকি
মুসলিম
দেশগুলোর
বিচারালয়ের
সামনেও। এনিয়ে
কোথাও
কোন
বিতর্ক
নেই।ধর্মের
সাথে
কোন
রুপ
সাংঘর্ষিকও
নয়। বিশ্বের
অনেক
মুসলিম
দেশের
মসজিদের
সামনেও
স্ট্যাচু
রয়েছে
কই
তারা
তো
এসব
নিয়ে
বিতর্ক
করে
না। রমজানের
আগে
তেতুল
হুজুরগণ
সমাজের
অনৈতিক
কর্মকান্ড,
অবৈধ
আয়,
জুয়া
সূদ
ঘুষ
নিয়ে
কথা
বলছি
না। মাতামাতি
শুরু
করলাম
ন্যায়
বিচারের
প্রতীক
নিয়ে.
সুবন্ধি বাধ চাওড়া, হলদিয়া, আমতলী সদর ও আমতলী পৌরসভার প্রায় ৮০ হাজার মানুষের মরণ ফাদে পরিনত হয়েছে। আমরা যারা এ খালের দুপাড়ে বসবাস করি তারা জানি পানির প্রবাহ না থাকায় কচুরীপানা পচে পানি নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষি কাজে এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে গেছে। হলদিয়া গ্রামের এক অংশ, চিলা ও চাওড়া চলাভাংগা গ্রামের কৃষকরা পরিবহন করতে না পারায় আউশ চাষ বন্ধ করে দিয়েছে। গৃহস্তালি কাজেও এ খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এমনকি গবাদি পশুও এ খালের পানি পান করছে না। দুর্গন্ধে খালের পাশ দিয়ে হাটা যায় না। মশা ও সাপের উপদ্রব এবং ঘরে ঘরে চর্ম রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকিতে রয়েছে। এ খালে মাছ ধরে প্রায় ৫শ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করত তাদের জীবন জীবিকা আজ ঝুকির মুখে পরেছে। খালে পানির প্রবাহ না থাকলে এ সমস্যা সমাধান করা যাবে না আর পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় সুবন্ধি বাধ কেটে দেয়া। কিন্ত একটি মহল গুটি কয়েক ব্যক্তির স্বার্থে ৮০ হাজার মানুষের জীবন জীবিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন,হীন স্বার্থে খাল কাটার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অথচ তারা ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন