সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্বপ্নবাজদের শীতবস্ত্র বিতরণ,বৃদ্ধ হতদরিদ্রদের শীত জয়ের গল্প


শৈত্য প্রবাহের কারনে কনকনে শীতে কাপছে সারাদেশ। উপকূলের মানুষও গত কয়েকদিনের শীতে দিশেহারা। হতদরিদ্র এবং বৃদ্ধ নারী পুরুষের অবস্থা আরো খারাপ।এসব বয়স্ক মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করেই মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-MJF'র সহযোগিতায় CRCC প্রকল্পের আওতায় এনএসএস'র স্বেচ্ছাসেবীরা সীমিত সামর্থের মধ্যে কলাপাড়া ও পাথরঘাটা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের হতদরিদ্র এবং বৃদ্ধ নারী -পুরুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়।গত দুদিন এসব স্বেচ্ছাসেবীরা কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী, লতাচাপলি এবং নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় ঘুরে খুজে খুজে হতদরিদ্র এবং শীতার্থ বৃদ্ধ নারী-পুরুষের হাতে তুলে দেন শীতবস্ত্র। এই তীব্র শীতে আকস্মিকভাবে বাড়িতে বসে তরুনদের হাত থেকে একটি কম্বল পেয়ে আনন্দে কেউ কেউ কেদে ফেলেছেন। শীত জয়ের অমলিন হাসি আর আনন্দাশ্রু দেখে মনে হয়েছে This is something in the world which money can't bye.

এরকম একটি অসাধারণ কাজ করার জন্য এনএসএস'র স্বেচ্ছাসেবীদের অসংখ্য ধন্যবাদ। একঝাক স্বপ্নবাজ তারুণ্য, তোমরাই এ জাতির বাতিঘর -এগিয়ে যাও স্বপ্নের পথে,সম্ভাবনার দিগন্তে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

হলুদ সাংবাদিকতা , যোশেফ পুলিৎজার এবং আমেরিকা-স্পেন যুদ্ধ

গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...
অবশেষে অমল তার বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ফিরে পেয়েছে। সকাল থেকে বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান উদ্ধারের দাবীতে পরিবার পরিজন নিয়ে অমল আমরণ অনশন করছিল। অনশনের সংবাদ শুনেই ছুটে আসেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি,এম দেলওয়ার হোসেন  পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান ও আমতলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার মৃধাসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।তারা অমলের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের দখল বুঝিয়ে দিয়ে অনশন ভংগ করান। এজন্য আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই,কৃতজ্ঞতা জানাই মিডিয়া,আমতলীর ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও যুব সমাজসহ কাছের এবং দূরের ফেসবুক বন্ধুদের যারা অমলের ন্যায় সঙ্গত আন্দোলনে সামীল হয়েছেন একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

আপনার একদিনের চা/ সিগারেটের পয়সাই আমতলী সরকারী কলেজের ছাত্র শাহীনকে অন্ধত্ব থেকে বাচাতে পারে।

আমতলী সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শাহীন। তার দু’টি চোখের মনি লম্বা হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে তার চোখের অপারেশন না করালে চিরদিনের মত চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলবে । তার দু’টি চোখের চিকিৎসার জন্য ২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। দরিদ্র পিতা মাছ বিক্রেতা শাহজাহান মিয়ার পক্ষে তার চিকিৎসা করানো সম্ভব না, প্রয়োজন ধণাঢ্য, মহানুভব, দানশীল ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মানুষের সাহায্য সহযোগিতা। আপনার একদিনের চা /সিগারেটের পয়সাই পারে শাহীনকে চির অন্ধত্ব থেকে বাচাতে। আসনু মানবিক কারনে আমরা সবাই শাহীনের পাশে দাড়াই ।