সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ব্যান্ডউইডথের দাম কমলেও কোন সুবিধা পাচ্ছে না ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।।


পাইকারি পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের দাম ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। ব্যান্ডউইডথের নতুন এ মূল্য বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো (আইএসপি) এ দাম কমানোর সুফল পাবে। কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহারকারী গ্রাহকেরা সরাসরি এই দাম কমানোর সুফল পাবেন না ।

বিএসসিসিএল সূত্র জানায়, ভারত থেকে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল কেবল) অপারেটরের মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ আমদানি কমিয়ে আনতে ব্যান্ডউইডথের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কক্সবাজারে প্রতি এমবিপিএস (মেগা বিটস প্রতি সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথের সর্বনিম্ন দাম পড়বে ৩১০ টাকা। তবে এজন্য আইআইজি প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে ৫০ জিবিপিএস (গিগা বিটস প্রতি সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ নিতে হবে।

ঢাকায় প্রতি এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথের সর্বনিম্ন দাম পড়বে ৪২৫ থেকে ৪৩৫ টাকার মধ্যে। এই দাম পেতে হলে আইআইজিকে বিএসসিসিএলের কাছে কমপক্ষে ৩০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ নিতে হবে। তবে ৫০ থেকে ২৫০০ এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথ কিনতে ঢাকায় আইআইজিদের গুণতে হবে ৬১০ টাকা, এটি এতদিন ছিল ৭১৯ টাকা। ৫০ থেকে ১৯৯ এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথ কিনতে ঢাকায় আইএসপিদের দিতে হেব ৬৮৫ টাকা, এতদিন এই ব্যান্ডউইডথের দাম ছিল ৭৯১ টাকা ।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিদিন ৫০০ জিবিপিএসের বেশি ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার হয়। এর মধ্যে বিএসসিসিএলের মাধ্যমে আসে ৩৫২ এমবিপিএস। বাকি ১৫০ জিবিপিএসের বেশি ব্যান্ডউইডথ আসে আইটিসি অপারেটরের মাধ্যমে। ব্যান্ডউইডথের দাম কমানোর সাথে ইন্টারনেট গ্রাহক পর্যায়ে এমবিপিসের দাম ও মেয়াদ পুণনির্ধারণ করা প্রয়োজন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

হলুদ সাংবাদিকতা , যোশেফ পুলিৎজার এবং আমেরিকা-স্পেন যুদ্ধ

গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...
অবশেষে অমল তার বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ফিরে পেয়েছে। সকাল থেকে বেদখল হওয়া ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান উদ্ধারের দাবীতে পরিবার পরিজন নিয়ে অমল আমরণ অনশন করছিল। অনশনের সংবাদ শুনেই ছুটে আসেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি,এম দেলওয়ার হোসেন  পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান ও আমতলী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার মৃধাসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।তারা অমলের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের দখল বুঝিয়ে দিয়ে অনশন ভংগ করান। এজন্য আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই,কৃতজ্ঞতা জানাই মিডিয়া,আমতলীর ব্যবসায়ী, সচেতন নাগরিক ও যুব সমাজসহ কাছের এবং দূরের ফেসবুক বন্ধুদের যারা অমলের ন্যায় সঙ্গত আন্দোলনে সামীল হয়েছেন একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

আপনার একদিনের চা/ সিগারেটের পয়সাই আমতলী সরকারী কলেজের ছাত্র শাহীনকে অন্ধত্ব থেকে বাচাতে পারে।

আমতলী সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শাহীন। তার দু’টি চোখের মনি লম্বা হয়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে তার চোখের অপারেশন না করালে চিরদিনের মত চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলবে । তার দু’টি চোখের চিকিৎসার জন্য ২ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। দরিদ্র পিতা মাছ বিক্রেতা শাহজাহান মিয়ার পক্ষে তার চিকিৎসা করানো সম্ভব না, প্রয়োজন ধণাঢ্য, মহানুভব, দানশীল ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মানুষের সাহায্য সহযোগিতা। আপনার একদিনের চা /সিগারেটের পয়সাই পারে শাহীনকে চির অন্ধত্ব থেকে বাচাতে। আসনু মানবিক কারনে আমরা সবাই শাহীনের পাশে দাড়াই ।