সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলীসহ বরগুনায় ৩টি সংসদীয় আসনের দাবী ।। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা বরগুনা জেলার আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনের দাবীতে স্বোচ্চার হয়ে উঠছে আমতলী তালতলী বাসী। ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সন থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আমতলী-তালতলীকে নিয়ে জাতীয় সংসদের-১১২ বরগুনা-০৩ পৃথক আসন ছিল। কিন্তু ২০০৮ সনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ভৌগলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনায় না নিয়ে কেবলমাত্র লোক সংখ্যার অজুহাতে জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত ৩টি সংসদীয় আসন থেকে ১টি আসন বিলুপ্ত করে ২টি আসন করেছে। এতে উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে বৈষম্য সহ নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনসহ বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন ৩টি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে ৩টি আসন ছিল। এর মধ্যে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন। বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলার সাথে সড়ক যোগযোগ ব্যবস্থা রয়েছে এবং বেতাগীর যেকোন স্থান থেকে বরগুনা আসতে সময় লাগে সর্বো”্চ একঘন্টা । পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা নিয়ে ছিল বরগুনা ২ আসন । পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার সাথেও রয়েছে অত্যন্ত ভাল সড়ক যোগযোগ। অন্যদিকে আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে ছিল বরগুনা ৩ আসন। এ দু উপজেলার সাথেও রয়েছে সড়ক যোগযোগ। কিন্তু বরগুনার এবং আমতলী,তালতলী উপজেলার মাঝখানে বিশাল পায়রা নদী এবং বেতাগী এবং বামনা পাথরঘাটা উপজেলার মাঝখানে বিশাল বিষখালী নদী থাকা স্বত্বেও কিন্তু ২০০৮ সনে বরগুনা সদর, আমতলী উপজেলা ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন এবং পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ২ আসন করা হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দুরত্বের কারনে সংসদ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে যাওয়া, উন্নয়ন সম্পর্কে খোজ খবর নেয়া কিংবা তৃণমুল পর্যায়ের কোন জনগণকে স্থানীয় সমস্যা নিয়ে সংসদ সদস্যর কাছে খুব কষ্টকর হয়ে পরেছে।ফলে দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুকিতে থাকা উপকুলীয় বরগুনা জেলার উন্নয়ন বরাদ্দ কমছে এবং উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাহত হচ্ছে । অবহেলিত এ জেলার উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে এখানকার রাজনৈতিক নেতারা শুরু থেকেই আসন পূর্নবিনাসের বিরোধিতা করেন।বরগুনা ১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু আসন পূর্নবিনাসের বিরোধীতা করে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদনও করেছিলেন। তার অভিযোগ ছিল আসন পূর্নবিন্যাস করা হলে দুর্ভোগ বাড়বে। প্রার্থীদের গনসংযোগের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এতে এলাকার দুরত্ব অনেক বেড়ে যাবে। উন্নয়নে ব্যাহত হবে। আসন সংখ্যাকমে যাওয়ায় জেলার গুরুত্ব ও রাজনৈতিক গুরুত্ব কমে যাবে। তিনি বলেন বড় বড় দুটি নদী পথ অতিক্রম করে অন্য উপজেলার সাথে যোগযোগ করতে হচ্ছে। তিনি পূর্বাবস্থায় বরগুনা ৩টি আসন করার দাবী জানান। সাবেক সাংসদ ও বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন বরগুনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ ৩টি উপজেলা নিয়ে এক একটি আসন করার ফলে জনসাধারণের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না তিনি এই জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানান । সাবেক সাংসদ মতিয়ার রহমান তালুকদার বলেন বরগুনা জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের একটি আসনকে বিলুপ্তি করা ছিল অযৌক্তিক। তিনি আমতলী-তালতলীকে ভিন্ন সংসদীয় আসনের দাবী করেন। সাবেক সাংসদ এ্যাডঃ আব্দুল মজিদ মল্লিক বলেন এ সিদ্ধান্ত আমতলী তালতলীর উন্নয়ন ব্যাহত করছে। আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি জি এম দেলওয়ার হোসেন বলেন তিনটি উপজেলা নিয়ে একটি সংসদীয় আসন গঠন করায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। আমতলী পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান, আমতলী-তালতলীকে নিয়ে পৃথক সংসদীয় আসনের দাবী করেন।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা বরগুনা জেলার আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনের দাবীতে স্বোচ্চার হয়ে উঠছে আমতলী তালতলী বাসী। ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সন থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আমতলী-তালতলীকে নিয়ে জাতীয় সংসদের-১১২ বরগুনা-০৩ পৃথক আসন ছিল। কিন্তু ২০০৮ সনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ভৌগলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনায় না নিয়ে কেবলমাত্র লোক সংখ্যার অজুহাতে জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত ৩টি সংসদীয় আসন থেকে ১টি আসন বিলুপ্ত করে ২টি আসন করেছে। এতে উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে বৈষম্য সহ নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনসহ বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন ৩টি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে ৩টি আসন ছিল। এর মধ্যে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন। বরগুনা সদর ও বেতাগী ...

সক্রেটিস, রাস্তার নির্বোধ যুবক ও একটি সোনার মোহর।।

সক্রেটিস একদিন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন ।এক যুবক পাশ থেকে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করছিলেন। সক্রেটিস ভ্রুক্ষেপ না করে হেটে যাচ্ছেন দেখে এক ভদ্রলোক এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন আপনাকে ঐ যুবক গালাগাল করছে আর আপনি কিছুই বলছেন না। সক্রেটিস হাটতে হাটতে তাকে বললেন রাস্তায় এক ভিক্ষুক ভিক্ষা করছে, আপনি পকেট থেকে একটি সোনার মোহর বের করে ভিক্ষুককে দিতে চাইলেন কিন্তু ভিক্ষুক সেটা নিল না, তাহলে সেটা কার কাছে থাকবে। ভদ্রলোক স্বাভাবিকভাবেই জবাব দিলেন কেন আমার কাছে। সুতরাং নির্বোধদের সাথে অপ্রয়োজনে তর্কে জড়াবেন না, নির্বোধরা আপনাকে তার কাতারে দাড় করাবে।

স্বামী বিবেকানন্দ ও দর্জির দোকানের ভদ্রতা ।।

একদিন নিউ ইয়র্কের রাস্তা দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ হেটে যাচ্ছিলেন। পথে পরিচয় হয় এক আমেরিকান ভদ্রলোকের সাথে। ধুতি কোর্তা আর পাগড়ি ছিল স্বামীজির পোষাকের বিশেষত্ব । এই বিশেষ ধরণের পোষাক দেখে আমেরিকান ভদ্রলোক স্বামীজিকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন ভদ্রলোকের পোষাক পর না ?  তার কথা শুনে স্বামীজি স্মিত হেসে জবাব দিলেন,তোমার দেশে ভদ্রলোক তৈরী হয় দর্জির দোকানে আর আমার দেশে ভদ্রলোক তৈরী হয় আচার-আচরণ এবং চরিত্রে।  সুন্দর পরিপাটি পোষাক অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তবে শুধু কোর্ট টাই পরলেই ভদ্রলোক হওয়া যায়না । চাল -চলন আচার -আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং নৈতিক মূল্যবোধই ভদ্রলোক তৈরী করে।এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট, স্ট্যাটাস এবং কমেন্ট দেখেই অনেক ক্ষেত্রে একজন মানুষকে বিচার করা যায় সে কতটা ভদ্রলোক।

আমতলীর কৃতিমানদের নিয়ে'স্মৃতি চির অম্লান।।

আমতলী দক্ষিনাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ। ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আমতলীর গুলিশাখালীতে একটি প্রশাসনিক থানা স্থাপিত হয় । বরগুনা ও খেপুপাড়া গুলিশাখালী থানাধীন ছিল । নদী ভাংগন এবং এক প্রান্তে হওয়ায় ১৯০১ সনে গুলিশাখালী থানা হেড-কোয়ার্টার মধ্যবর্তী স্থান আমতলীতে স্থানান্তর করা হয় এবং ১৯০৪ সনে থানার নামকরণ করা হয় আমতলী। সময়ের বিবর্তনে আমতলী থেকে বিভক্ত হয়ে বরগুনা আজ জেলা এবং কলাপাড়া একটি উন্নত জনপদ। অথচ তৎকালীন সময় আমতলীকে মহাকুমা করার কথা ছিল । ১৯৬ ৫ সালে মৌলিক গণতন্ত্রের অধীনে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে আমতলীর প্রার্থী ডাঃ ফজলুর রহমান মাত্র ১ ভোটে হারার মধ্যদিয়ে আমতলীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে। আমতলীকে মহাকুমায় উন্নীত করার দাবী অগ্রাহ্য করে ১৯৬৯ সনে বরগুনা মহকুমায় উন্নীত হয়। ১৯৮২ সালের ৩ নভেম্বর আমতলীকে উপজেলা এবং বরগুনাকে জেলা ঘোষনা করা হয়।অথচ সেদিন আমতলীর কৃতি সন্তান ডা: ফজলুর রহমান নির্বাচিত হলে আজকে জেলা হত আমতলী। তবে সময়ের বিবর্তনে আমতলী আজ অমিত সম্ভাবনাময়ী এক জনপদ। কলাপাড়া-আমতলী -তালতলীকে কেন্দ্র করে দক্ষিনাঞ্চলের যে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ আমতলী তার gate way. আর এই সমৃদ্ধির পেছনে রয়েছে আমতল...

নরকের পাচীল,লাস্কির গণতন্ত্রের বৈচিত্র্য ও PVA'র স্বপ্ন

নাগরিক সাংবাদিকতাকে ভিত্তি করে আমতলীতে আরো কয়েকটি ফেসবুক গ্রুপ, অন লাইন পত্রিকা সক্রিয় হয়েছে। এটি আমাদের জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ। প্রথমত এতে আমতলীর সমস্যা সম্ভাবনার সংবাদ অনেক বেশী প্রকাশিত হবে। দ্বিতীয়ত, একটা সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গুনগত মান বাড়বে। তবে আমার ভাল লাগার বড় আরেকটি কারন হচ্ছে, যারা এতদিন নাগরিক সাংবাদিকতাকে নাক ছিটকাতো তারা নাগরিক সাংবাদিকতায় যুক্ত হচ্ছে, নাগরিক সাংবাদিকদের Promote করতে এগিয়ে আসছে । বাংলাদেশে শুরু থেকে আমরা যারা নাগরিক সাংবাদিকতাকে সমর্থন করছি, নাগরিক সাংবাদিতার মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যা তুলে ধরে সমাধানে উদ্যোগী ভুমিকা পালন করছি, এটি কেবল তাদের কয়েকজনের বিজয় নয়, আরব বসন্ত পরবর্তি নাগরিক সাংবাদিকতা বনাম মুলধারার সাংবাদিকতার মধ্যে যে আদর্শগত বিরোধ তার একটি ক্ষুদ্র বিজয়। হ্যারল্ড লাস্কির ভাষায় গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হচ্ছে বৈচিত্র্য। সুতরাং শত ফুল ফুটতে দিন।  একবার নরকের সুপারভাইজার নরকের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনে গিয়ে দেখেন সব কিছুই ভালভাবেই চলছে। প্রত্যেকটি নরক উচু পাচীল দিয়ে ঘেরা এবং মূল ফটকে গার্ড ভালভাবে দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু...

হলুদ সাংবাদিকতা , যোশেফ পুলিৎজার এবং আমেরিকা-স্পেন যুদ্ধ

গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...

বৈশাখী ঐতিহ্য ও আমতলীতে মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস

মঙ্গল শোভাযাত্রা প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে আয়োজিত একটি তুলনামূলকভাবে নতুন বর্ষবরণ উৎসব। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলাদেশের ঢাকা শহরে এটি প্রবর্তিত হয়। একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব হিসাবে সারাদেশে এটি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আবেদনক্রমে ২০১৬ সনের ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশের ‘‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’’ কে বিশ্বের অগুরুত্বপূর্ণ অধ রা সাংস্কৃতিক ঐতিহ‌্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। আমতলীতে মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস খুব পুরানো নয়। যতটা মনে পরে বাংলা ১৩৯৯ সনের ২৬ কি ২৭ চৈত্র বিকালে স্বপন সিদ্দিকী, বাহাদুর খান এবং আমি ইউএনও অফিসের সামনে যতীন বাবুর রেস্তোরায় আড্ডা দিচ্ছিলাম। তখন আমাদের সারাদিনের আড্ডাটা ছিল ওখানে এবং আমরা কয়েকজন যতীন বাবুর একরকম নিয়মিত কাস্টমার। আড্ডার এক পর্যায়ে বাহাদুর ভাই আজি হতে শত বর্ষ পরে কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতা খানি বরীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ১৪০০ সাল কবিতাটি আবৃত্তি শুরু করলে কবিতাটি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। যেহেতু কয়েকদিন পরেই বাংলা ১৪০০ সাল এ উপল...

বৈশাখী মেলার প্রাণের উৎসবে আমতলী ও অম্ল-মধুর স্মৃতি

 বৈশাখ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাঙালির জীবনে পহেলা বৈশাখ আসে অন্যরকম স্বপ্ন আর অমিত সম্ভাবনার ফুলঝুড়ি নিয়ে, জরা ও জীর্ণ, দীনতা ও নীচতাকে পিছে ফেলে সুন্দরের পথে অবিরাম হাঁটার ও শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার অঙ্গীকার নিয়ে । কয়েশ’ বছর ধরে জীবনের নানা অনুষঙ্গকে ধারণ করে এ দিনটি বাঙালিরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে উদযাপন করে আসছে। নতুন দিনের কেতন ওড়ানো পহেলা বৈশাখের গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন বৈশাখী মেলা। নতুন বর্ষকে বরণের পাশাপাশি উৎসবকে পরিপূর্ণতা দেয় বৈশাখী মেলা। এই মেলা বাঙালির শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য। পহেলা বৈশাখ কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয় এ মেলার। ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মোগল সম্রাট বাদশা আকবরের সময় বাংলা সনের উদ্ভবের পরপরই বৈশাখের প্রথম দিনকে উদযাপন করে আসছে । বৈশাখ উদযাপনের অনুষঙ্গ হিসেবে পরবর্তীতে যুক্ত হয়েছিলো বৈশাখী মেলা। পহেলা বৈশাখ উদযাপনে সার্বজনীন উৎসবের যে রূপ আমরা দেখতে পাই, বৈশাখী মেলা সেই রূপকে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করে। ধারণা করা হয়, ১৮৬৪ সালে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে প্রথমবারের মতো পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান করা হয়। ১৯৭৭ সালে সাহিত্যপত্র ‘...

তারুণ্যের স্বপ্ন:একটি ভিন্নধর্মী ব্যবসায়িক উদ্যোগ।।

আমতলী -তালতলী- কলাপাড়া এবং গলাচীপার সীমান্ত লাগোয়া উপকুলের একঝাক তরুণ। সদ্য লেখা পড়া শেষ করে কেউ চাকুরী করছেন, কেউ ব্যবসা। কয়েকজন কিছুই করছেন না, শুধু স্বপ্নই দেখছেন। লাল,সবুজ,কমলা মেরুণ -সাত রংয়ের বাহারী স্বপ্ন। কেউ স্বপ্নের খেয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন বিদেশ বিভুইয়ে। তবে সবার মধ্যে অসাধারণ একটা মিল,দেশকে নিয়ে ভাবেন,স্বপ্নের ডানায় ভর করে ফিরে যেতে চান শেকড়ে। উন্নয়ন, উৎপাদন ও বিপণনে প্রযুক্তির ব্যবহার ও বিনিয়োগে রাখতে চান অবদান।  আমতলী -তালতলী -কলাপাড়া দক্ষিনাঞ্চলের সম্ভাবনাময়ী অঞ্চল। পদ্মা ব্রীজ, ঢাকা - কুয়াকাটা রেললাইন, পায়রা সমুূদ্র বন্দর,তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র,কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র,তালতলী ইকো পার্ক, জাহাজ ভাংগা ও নির্মান শিল্প এবং অর্থনৈতিক জোন সব মিলিয়ে বিশাল ব্যবসা -বানিজ্য সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়ে উঠবার অফুরন্ত সম্ভাবনা। নিজেদের শ্রম মেধা পুজি প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বপ্ন-সম্ভাবনা আর বাস্তবের মেলবন্ধন ঘটাতে একটি ভিন্নধর্মী ব্যবসায়িক উদ্যোগ তারুণ্যের স্বপ্ন।এটি শুধু মুনাফা নির্ভর নয়, থাকবে সামাজিক উদ্যোগ মানবিক সাড়াদান।ছোট ছোট ব্যবসায়িক উদ্যোগের পাশাপাশি ভাবছেন মেগা...