সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা ও একজন সাংবাদিক।

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং শিক্ষক নেতা। তিনি কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমীতে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন আমতলী সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। মৃত্যুর আ গ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আমতলী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম এবং ২০১১ সনে প্রেসক্লাবের আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সম্পাদনায় আমতলী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল সাপ্তাহিক দক্ষিন বাংলা। তিনি যুক্ত ছিলেন স্কাউট,ক্রীড়া সংস্থা এবং শিল্পকলা পরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে এবং আমতলী ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।  জন্ম ১১ জুন, ১৯৫৪ আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দেওয়ান পরিবারে। পিতার নাম চেরাগ আলী দেওয়ান। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ আমতলীর এই কৃতি সন্তান আমতলী শহরের নি...

সোনালী হেলথ কেয়ার :চাকুরীর নামে অভিনব প্রতারণা।

আমতলী উপজেলার আমতলী পৌরসভা বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে আকর্ষনীয় বেতনে সোনালী হেলথ কেয়ার নামক একটি প্রকল্পে চাকুরী দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিনব প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে ।খোজ নিয়ে জানা গেছে আমতলীতে এই নামে কোন সংগঠন বা প্রকল্পের কার্যক্রম নেই। এমনকি কোন অফিসের সাইনবোর্ডও খুজে পাওয়া যায়নি। কোন রকম চাকুরীর বিজ্ঞাপন ছাড়াই অতি গোপনে পৌরসভাসহ ৭ ইউনিয়নে ৭ জন সমন্বয়কারী এবং ৭২ জন ওয়ার্ড কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। নিয়োগ ের জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা আবেদন ফিসহ ওয়ার্ড কর্মীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ইউনিয়ন ও পৌরসভা সমন্বয়কের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা জামানত নেয়া হচ্ছে। একটি সংগঠিত প্রতারক চক্র বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে বেকার যুবক এবং নারীদের প্রলুব্ধ করে এ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।  এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো সরোয়ার হোসেন জানান আমতলীতে এরকম কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি অবগত নন। সোনালী হেলথ কেয়ারের কার্যক্রম এবং প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

পিভিএতে রাকিবের অদম্য ইচ্ছার গল্প, পাশে দাড়িয়েছেন অনেকেই।।

রাকিব লোছা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। বাবা অসুস্থ থাকায় রিকসা চালিয়ে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছে। তবে তার অদম্য ইচ্ছার কাছে দারিদ্র্য কোনভাবেই লেখা পড়ায় বাধা হতে পারেনি। রাকিবকে নিয়ে পিভিএতে তার অদম্য ইচ্ছার গল্প প্রকাশিত হলে অনেকেই মানবিকতার হাত নিয়ে রাকিবের পাশে দাড়িয়েছেন। রাকিবের শিক্ষা উপকরণ ও ফরম পূরণের টাকা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং স্কুল ড্রেস প্রদান করেছেন আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের শহিদুল ইসলাম।অন্যদিকে রাকিবের প্রয়োজনীয় পোষাক প্রদানের আশ্বাসসহ টিশার্ট প্রদান করেছেন আমতলী শহরের এনভিশন ফ্যাশন মার্টের পক্ষে শাহরিয়ার আহমেদ মিরাজ। আসুন রাকিবের পাশে দাড়াই, সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে রাকিবের অদম্য ইচ্ছাকে এগিয়ে নেই।

Innovation Talk, সফলতা নিয়ে গবেষণা, Branding :পিভিএ এখন ভিন্ন উচ্চতায় ।।

People's Voice of Amtali -PVA'র সফলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের A2I আওতায় Innovation Talk ছিল আমাদের জন্য একটা বড় অর্জন। পিভিএ'র সাথে যুক্ত একঝাক স্বপ্নবাজ, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নাগরিক সাংবাদিকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠার ১০ মাসে এরকম একটি অর্জন নি:সন্দেহে ঈর্ষণীয়। পিভিএ'র পাখায় এরকম একটি সফলতার পালক যুক্ত হওয়ার দুই মাসের ব্যবধানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের একজন শিক্ষার্থী পিভিএ'র সফলতা নিয়ে একাডেমিক গবেষণার উদ্যোগ নেয়ায় পিভিএ এখন উচ্চতার আরেক ধাপে। গতকাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম তার স্নাতকোত্তর থিসিসের অংশ হিসেবে মাঠ প্রশাসনের সাথে নাগরিকদের সেতুবন্ধনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুমিকা শীর্ষক গবেষণায় কেস স্টাডি হিসেবে পিভিএ'র সফলতাগুলোকে তুলে ধরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। Social Media হিসাবে পিভিএ'র অর্জন এবং অর্জনের প্রক্রিয়াকে গবেষণার অংশ করা এবং পিভিএকে একাডেমিক পরিসরে যুক্ত করার জন্য মুজাহিদুল ইসলামকে পিভিএ'র পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। উপজেলা পর্যা...

মূর্খ ইদুরের জ্ঞানী- বিত্তবানের স্বপ্ন ও সমকালীন বাস্তবতা।

একদিন একটি ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করে। কোন খাবার না পেয়ে রাজার গহনার পাত্রে রাখা একটি হীরের টুকরো গিলে ফেলে। হীরে চুরি যাওয়ার কারণে রাজ প্রাসাদে সবার ঘুম হারাম হয়ে গেছে । রাজা মশাই জ্যোতিষী কে ডেকে পাঠায়। জ্যোতিষী বলে হীরের টুকরো ইদুরে খেয়ে ফেলেছে। সেনাপতি রাজার হীরে উদ্ধারের জন্য রাজ্যময় পুরস্কার ঘোষণা করে দিলেন । একজন শিকারীকে খুজে বের করে, ইঁদুর মেরে হীরে উদ্ধারের দায়িত্ব দেয়া হল। শিকার ি যখন ইঁদুর ধরার জন্য ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয়। তখন সে দেখে শত শত ইঁদুর একে অন্যের সংগে দলবেঁধে শুয়ে আছে, আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর রঙিন কাপড়ের বিছানা করে চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছে। শিকারি তখন ওই ইঁদুরটাকে ধরে। আর তার পেট চিরে হীরে বের করেন এবং রাজার হাতে সেটা তুলে দিলেন। রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার দিয়ে দিলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন,হাজারো ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে, ওই ইঁদুরটাই হীরে চুরি করেছে? শিকারি জবাবে বলে, -খুবই সহজ ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায় কিংবা বিত্তবান-জ্ঞানী হওয়...

একটি কাঠের ব্রীজ,সম্মিলিত প্রচেষ্টার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ও স্বপ্নের মেলবন্ধন ।

স্বপ্ন দেখা এবং দেখানো অনেক বড় কাজ। আমি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার কথা বলছি না, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের যে স্বপ্ন ঘুমোতে দেয় না তার কথা বলছি। প্রত্যেকটি মানুষ নিজেকে নিয়ে, সমাজ ও দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অন্যকে স্বপ্ন দেখায়। এরকমই একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আমতলী সদর ইউনিয়নের নাচনা পাড়া গ্রামবাসী। গ্রামের বাসিন্ধারা সম্মিলিতভাবে শিংখাল ী খালের উপর ১১০ ফুট একটি কাঠের ব্রীজ নির্মান করে দুপাড়ের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরী করার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দল,মত এবং ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ যখন ক্রমশ আত্মকেন্ত্রিক হয়ে পরছে,সরকারী-বেসরকারী উন্নয়ন বরাদ্দ এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার,স্বচ্ছতা এবং জনঅংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ঠিক সেই সময় গ্রামের কতিপয় একেবারেই সাধারণ মানুষ চলমান স্রােতের বিপরীতে নিজেরা স্বপ্ন দেখে মহৎ কিছু করার উদ্যোগ নিয়েছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং পিভিএ’র পক্ষ থেকে কালাম মেম্বর, হিরন মৃধা, আতাহার চৌকিদার এবং আবদুল মালেকসহ যারা শ্রম দিয়েছেন, অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগ...

আজ ২৫ মে,বিদ্রোহী কবির ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী।।

আজ শুক্রবার ২৫ মে,২০১৮, বাংলা ১১ জ্যেষ্ঠ,১৪২৫। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী। দ্রোহ, প্রেম ও সাম্যের কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম এক বিশেষ স্থান দখল করে আছেন । ১৮৯৯ সাল বাংলা ১৩০৬ সনের এইদিনে বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে কাজী পরিবারে কবির জন্ম। বরেণ্য এ কবি নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পিতা কাজী ফকির আহমেদকে হারান । আর্থিক অণটনে পড়ে বই-খাতা রেখে রোজগারে নামতে হয়েছে। কখনও মসজিদের ইমামতি, মাজারের খাদেমগিরি কিংবা চায়ের দোকানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এজন্য ছেলেবেলায় সবাই তাকে ‘দুখু মিয়া’ বলে ডাকত । আসানসোলের চা-রুটির দোকানে রুটির কাজ করার সময় সেখানে কর্মরত দারোগা রফিজ উল্লাহ’র সঙ্গে পরিচয় হয় নজরুলের। তিনি কিশোর নজরুলকে নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে ১৯১৪ সনে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষা না দিয়েই ১৯১৭ সালে সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন এবং অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম জনপ্রিয় হয়েছেন কবিতা ও গানে। ব্রিটিশ শাসকদের শো...