সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2018 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মানবতার দেয়াল: শীতার্তদের পাশে দাড়ান।।

পৌষ মাস সবে শুরু। এখনি প্রচন্ড শীত। মাঘের শীত বাঘের গায়ে তো রয়েই গেছে। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে শীত গ্রীষ্ম কোন নিয়ম মানছে না । তবে গত দুতিন দিনে বলতে গেলে হাড় কাপানো শীত পরছে। আর এই শীতে গরীব মানুষরা বেশী কষ্ট পাচ্ছে। শীতার্থ মানুষের সীমাহীন কষ্টের কথা ভেবে People's Voice of Amtali -PVA মানবতার দেয়াল (Wall of Humanity) নামে একটি উদ্যোগ নিয়েছে। যে দেয়ালে নতুন ও পুরানো শীতবস্ত্র টানানো থাকবে, যার যা প্রয়োজন সেখান থেকে নিয়ে নিবে। আসুন নতুন কিংবা আপনার বাসায় পরে থাকা পুরানো শীতবস্ত্রগুলো দান করে মানবতার পাশে দাড়াই।

কলাপাড়া ও তালতলীতে প্রধানমন্ত্রী , জিও-পলিটিক্স, পায়রা সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক উন্নয়ন ধারা ও আমতলীতে জেলার দাবী।

এই মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পায়রা সমুদ্রবন্দরের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ কাজী নিশাদ রসুল স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুয়ায়ী সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় অবতরণ করার কথা । প্রধানমন্ত্রী সেখানে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুনর্বাসন প্রকল্প স্বপ্নের ঠিকানা উদ্ভোধনসহ ১৬টি প্রকল্প উদ্ভোধন ও ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তিনি বেলা আড়াইটায় বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় শুভাগমন করবেন। তিনি এখানে ২১ উদ্ভোধন শেষে বিকাল ৩ টায় তালতলী সরকারী হাই স্কুল মাঠে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতা করবেন।  ২০০৮ সন পরবর্তী সময়ে তালতলীতে এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর । ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বরগুনা -০৩ আমতলী-তালতলী নির্বাচনী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৮ সনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হলে স্বাভাবিকভাবে প্রত্যাশা ছিল তার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলীকে ঘিরে এ অঞ্চল হবে উন্নয়নের একটি রোল মডেল । জ...

মামনির জন্মদিন: স্বপ্নের চেয়েও বড় হও।

১৯২৮ সন। পন্ডিত জহরলাল নেহেরু তখন এলাহবাদে। আর ১০ বছরের ইন্দিরা গান্ধী থাকেন হিমালয়ের কোলঘেসে মূসৌরী শহরে। যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম চিঠি। নেহেরু প্রায়ই মেয়েকে চিঠিতে প্রকৃতি, পৃথিবী ও মানব সভ্যতার বিকাশসহ ভারতের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে লিখতেন। ১৯২৯ সনের নভেম্বর মাসে এসব চিঠি নিয়ে মা-মনিকে-বাবা নামে একটি বই প্রকাশিত হলে তা ইতিহাসের অংশ হয়ে যায় । বর্তমানে এটি ভারতের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে এবং রেফারেন্স বুক হিসাবে পড়ানো হয়।কুটনৈ তিক ফারুক চৌধুরীর কুটনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা প্রিয় ফারজানাও আমাদের ভ্রমন সাহিত্য ও ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। প্রত্যেক পিতাই দূরে থাকা সন্তানদের প্রতি কিছু পরামর্শ, কিছু নির্দেশনা দিয়ে থাকে। আগে চিঠি লিখত,এখন তার জায়গায় ইমেইল, মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া ।এজন্য নির্দেশনাটাও বেশী । এটা কর, ওটা কর না । সন্ধ্যার আগেই বাসায় বা হলে ফের। রাত কর না। রাজনীতিতে জড়িও না, কোটা সংস্কার আন্দোলন কিংবা নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে যেও না। কারন অভিভাবকরা সব সময় সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে, মেয়ে হলে তো কথাই নেই । সন্তানরা হয়ত ভাবে, আমরা বড় হয়েছি এত ট...

৫০ তম জন্মদিন ও স্বামীজির Strength is Life, Weakness is Death.

রাত ১২-০১। কালের খেয়ায় পাড়ি দিয়ে মহাকালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আরো একটি বছর। শচীনের চার কিংবা ছক্কা হাকিয়ে নয়,ঘণ্টা-দিন-মাস পেড়িয়ে আমিও জীবনের Half Century করার গৌরব অর্জন করলাম। মহাকালের হিসাবে ৫০ বছর খুবই সামান্য সময়, ক্ষণিক মাত্র। কিন্তু জীবনের ক্ষেত্রে অর্ধ শতাব্দী একটি অসাধারণ মাইলস্টোন। যাপিত জীবনের নির্মোহ আত্ম মূল্যায়নে যেমনি রয়েছে প্রাপ্তির আনন্দ, তেমনি আছে চ্যালেঞ্জ। কারণ এসময়ে সকল ভাল এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগগুলো এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সকলের অকুন্ঠ সমর্থন, অকৃতিম ভালবাসা এবং আন্তরিক সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলে প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তির তালিকাটি অনেক দীর্ঘ। তবে অচলায়তন ভেংগে সমাজ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখানো-শিব খেরার ভাষায় Absulately it’s a big challenge. আইনস্টাইনের ৫০ তম জন্মদিন। শুভেচ্ছা জানিয়ে কার্ড পাঠিয়েছেন সিগমন্ড ফ্রয়েড। কার্ডে ফ্রয়েড আইনস্টাইন কে সম্বোধন করেছেন You are lucky one বলে। আইনস্টাইন বুঝতে পারছিলেন না ফ্রয়েডের মত খ্যাতিমান মানুষ কেন তাঁকে ভাগ্যবান মনে করছেন। ফ্রয়েডকে চিঠি লিখলেন আইনস্টাইন, আপনি যেখানে এত মানুষের...

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা ও একজন সাংবাদিক।

দেওয়ান মুজিবুর রহমান একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং শিক্ষক নেতা। তিনি কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমীতে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন আমতলী সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। মৃত্যুর আ গ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আমতলী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম এবং ২০১১ সনে প্রেসক্লাবের আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সম্পাদনায় আমতলী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল সাপ্তাহিক দক্ষিন বাংলা। তিনি যুক্ত ছিলেন স্কাউট,ক্রীড়া সংস্থা এবং শিল্পকলা পরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে এবং আমতলী ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।  জন্ম ১১ জুন, ১৯৫৪ আমতলী উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দেওয়ান পরিবারে। পিতার নাম চেরাগ আলী দেওয়ান। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ আমতলীর এই কৃতি সন্তান আমতলী শহরের নি...

সোনালী হেলথ কেয়ার :চাকুরীর নামে অভিনব প্রতারণা।

আমতলী উপজেলার আমতলী পৌরসভা বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে আকর্ষনীয় বেতনে সোনালী হেলথ কেয়ার নামক একটি প্রকল্পে চাকুরী দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিনব প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে ।খোজ নিয়ে জানা গেছে আমতলীতে এই নামে কোন সংগঠন বা প্রকল্পের কার্যক্রম নেই। এমনকি কোন অফিসের সাইনবোর্ডও খুজে পাওয়া যায়নি। কোন রকম চাকুরীর বিজ্ঞাপন ছাড়াই অতি গোপনে পৌরসভাসহ ৭ ইউনিয়নে ৭ জন সমন্বয়কারী এবং ৭২ জন ওয়ার্ড কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। নিয়োগ ের জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা আবেদন ফিসহ ওয়ার্ড কর্মীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং ইউনিয়ন ও পৌরসভা সমন্বয়কের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা জামানত নেয়া হচ্ছে। একটি সংগঠিত প্রতারক চক্র বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে বেকার যুবক এবং নারীদের প্রলুব্ধ করে এ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।  এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো সরোয়ার হোসেন জানান আমতলীতে এরকম কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি অবগত নন। সোনালী হেলথ কেয়ারের কার্যক্রম এবং প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

পিভিএতে রাকিবের অদম্য ইচ্ছার গল্প, পাশে দাড়িয়েছেন অনেকেই।।

রাকিব লোছা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। বাবা অসুস্থ থাকায় রিকসা চালিয়ে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছে। তবে তার অদম্য ইচ্ছার কাছে দারিদ্র্য কোনভাবেই লেখা পড়ায় বাধা হতে পারেনি। রাকিবকে নিয়ে পিভিএতে তার অদম্য ইচ্ছার গল্প প্রকাশিত হলে অনেকেই মানবিকতার হাত নিয়ে রাকিবের পাশে দাড়িয়েছেন। রাকিবের শিক্ষা উপকরণ ও ফরম পূরণের টাকা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং স্কুল ড্রেস প্রদান করেছেন আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের শহিদুল ইসলাম।অন্যদিকে রাকিবের প্রয়োজনীয় পোষাক প্রদানের আশ্বাসসহ টিশার্ট প্রদান করেছেন আমতলী শহরের এনভিশন ফ্যাশন মার্টের পক্ষে শাহরিয়ার আহমেদ মিরাজ। আসুন রাকিবের পাশে দাড়াই, সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে রাকিবের অদম্য ইচ্ছাকে এগিয়ে নেই।

Innovation Talk, সফলতা নিয়ে গবেষণা, Branding :পিভিএ এখন ভিন্ন উচ্চতায় ।।

People's Voice of Amtali -PVA'র সফলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের A2I আওতায় Innovation Talk ছিল আমাদের জন্য একটা বড় অর্জন। পিভিএ'র সাথে যুক্ত একঝাক স্বপ্নবাজ, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নাগরিক সাংবাদিকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠার ১০ মাসে এরকম একটি অর্জন নি:সন্দেহে ঈর্ষণীয়। পিভিএ'র পাখায় এরকম একটি সফলতার পালক যুক্ত হওয়ার দুই মাসের ব্যবধানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের একজন শিক্ষার্থী পিভিএ'র সফলতা নিয়ে একাডেমিক গবেষণার উদ্যোগ নেয়ায় পিভিএ এখন উচ্চতার আরেক ধাপে। গতকাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম তার স্নাতকোত্তর থিসিসের অংশ হিসেবে মাঠ প্রশাসনের সাথে নাগরিকদের সেতুবন্ধনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুমিকা শীর্ষক গবেষণায় কেস স্টাডি হিসেবে পিভিএ'র সফলতাগুলোকে তুলে ধরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। Social Media হিসাবে পিভিএ'র অর্জন এবং অর্জনের প্রক্রিয়াকে গবেষণার অংশ করা এবং পিভিএকে একাডেমিক পরিসরে যুক্ত করার জন্য মুজাহিদুল ইসলামকে পিভিএ'র পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। উপজেলা পর্যা...

মূর্খ ইদুরের জ্ঞানী- বিত্তবানের স্বপ্ন ও সমকালীন বাস্তবতা।

একদিন একটি ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করে। কোন খাবার না পেয়ে রাজার গহনার পাত্রে রাখা একটি হীরের টুকরো গিলে ফেলে। হীরে চুরি যাওয়ার কারণে রাজ প্রাসাদে সবার ঘুম হারাম হয়ে গেছে । রাজা মশাই জ্যোতিষী কে ডেকে পাঠায়। জ্যোতিষী বলে হীরের টুকরো ইদুরে খেয়ে ফেলেছে। সেনাপতি রাজার হীরে উদ্ধারের জন্য রাজ্যময় পুরস্কার ঘোষণা করে দিলেন । একজন শিকারীকে খুজে বের করে, ইঁদুর মেরে হীরে উদ্ধারের দায়িত্ব দেয়া হল। শিকার ি যখন ইঁদুর ধরার জন্য ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয়। তখন সে দেখে শত শত ইঁদুর একে অন্যের সংগে দলবেঁধে শুয়ে আছে, আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর রঙিন কাপড়ের বিছানা করে চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছে। শিকারি তখন ওই ইঁদুরটাকে ধরে। আর তার পেট চিরে হীরে বের করেন এবং রাজার হাতে সেটা তুলে দিলেন। রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার দিয়ে দিলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন,হাজারো ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে, ওই ইঁদুরটাই হীরে চুরি করেছে? শিকারি জবাবে বলে, -খুবই সহজ ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায় কিংবা বিত্তবান-জ্ঞানী হওয়...

একটি কাঠের ব্রীজ,সম্মিলিত প্রচেষ্টার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ও স্বপ্নের মেলবন্ধন ।

স্বপ্ন দেখা এবং দেখানো অনেক বড় কাজ। আমি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার কথা বলছি না, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের যে স্বপ্ন ঘুমোতে দেয় না তার কথা বলছি। প্রত্যেকটি মানুষ নিজেকে নিয়ে, সমাজ ও দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অন্যকে স্বপ্ন দেখায়। এরকমই একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আমতলী সদর ইউনিয়নের নাচনা পাড়া গ্রামবাসী। গ্রামের বাসিন্ধারা সম্মিলিতভাবে শিংখাল ী খালের উপর ১১০ ফুট একটি কাঠের ব্রীজ নির্মান করে দুপাড়ের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরী করার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দল,মত এবং ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ যখন ক্রমশ আত্মকেন্ত্রিক হয়ে পরছে,সরকারী-বেসরকারী উন্নয়ন বরাদ্দ এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার,স্বচ্ছতা এবং জনঅংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ঠিক সেই সময় গ্রামের কতিপয় একেবারেই সাধারণ মানুষ চলমান স্রােতের বিপরীতে নিজেরা স্বপ্ন দেখে মহৎ কিছু করার উদ্যোগ নিয়েছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং পিভিএ’র পক্ষ থেকে কালাম মেম্বর, হিরন মৃধা, আতাহার চৌকিদার এবং আবদুল মালেকসহ যারা শ্রম দিয়েছেন, অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগ...

আজ ২৫ মে,বিদ্রোহী কবির ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী।।

আজ শুক্রবার ২৫ মে,২০১৮, বাংলা ১১ জ্যেষ্ঠ,১৪২৫। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী। দ্রোহ, প্রেম ও সাম্যের কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম এক বিশেষ স্থান দখল করে আছেন । ১৮৯৯ সাল বাংলা ১৩০৬ সনের এইদিনে বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে কাজী পরিবারে কবির জন্ম। বরেণ্য এ কবি নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পিতা কাজী ফকির আহমেদকে হারান । আর্থিক অণটনে পড়ে বই-খাতা রেখে রোজগারে নামতে হয়েছে। কখনও মসজিদের ইমামতি, মাজারের খাদেমগিরি কিংবা চায়ের দোকানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এজন্য ছেলেবেলায় সবাই তাকে ‘দুখু মিয়া’ বলে ডাকত । আসানসোলের চা-রুটির দোকানে রুটির কাজ করার সময় সেখানে কর্মরত দারোগা রফিজ উল্লাহ’র সঙ্গে পরিচয় হয় নজরুলের। তিনি কিশোর নজরুলকে নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে ১৯১৪ সনে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষা না দিয়েই ১৯১৭ সালে সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন এবং অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম জনপ্রিয় হয়েছেন কবিতা ও গানে। ব্রিটিশ শাসকদের শো...

দার্শনিক সক্রেটিস, চালাক নিন্দুক ও Tripple Filter Test.

সক্রেটিস প্রাচীন গ্রিসে সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষদের একজন। সক্রেটিস একদিন ঘরের বাইরে বসে আছেন । এক ভদ্রলোক তার সাথে দেখা করতে এসে তাকে বললেন আপনার বন্ধু সম্পর্কে কি শুনেছি জানেন ? এক মিনিট দাড়ান, বলেই সক্রেটিস তাকে বললেন আমার বন্ধু সম্পর্কে কিছু বলার আগে আপনার একটা পরীক্ষা নিতে চাই।এটার নাম Tripple Filter Test বা তিন ছাকুনি পরীক্ষা। আপনার কথাগুলো ছাকুনি দিয়ে ছেকে দেখতে চাই। প্রথম ছাকুনি সত্য। আপনি কি পুরোপুরি নিশ্চিত আপনি আমাকে যা বলতে যাচ্ছেন তা আসলেই সত্য। ভদ্রলোক বিব্রত হয়ে আমতা আমতা করে বললেন, না আমি কেবল তা শুনেছি কিন্তু ----। তাহলে আপনি নিশ্চিত নন যা বলতে এসেছেন তা আসলেই সত্য কিনা। তাহলে এবার আসা যাক দ্বিতীয় পরীক্ষায় যার নাম ভাল। আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে যা বলবেন তা কি ভাল ? জবাবে ভদ্রলোক বললেন, না আদৌ ভাল না বরং আমি উল্টাটা বলব। সক্রেটিস তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে আমার কাছে খারাপ কথা বলবেন অথচ আপনি জানেন না সেটি সত্য কি না। তারপরেও আপনি আমার পরীক্ষায় পাশ করতে পারেন যদি তৃতীয় পরীক্ষা উত্তীর্ণ হন। কারন তৃতীয় পরীক্ষাটা এখনো বাকী আর তৃতীয় প...

ব্রাজিল সমর্থকদের কমিটি গঠন, এক বৃটিশ চালাক ভদ্রলোক ও পিভিএ'র পথচলা ।।

এক বাংলাদেশী নামকরা ডাক্তার লন্ডনে চাকরি না পেয়ে মানবতার সেবা এবং সহজ সরলভাবে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য তাবু টানিয়ে অস্থায়ী ক্লিনিক খুলে বসল। তাঁবুর বাইরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে লিখে দিল 'GET TREATMENT FOR £20 - IF NOT CURED GET BACK £100 বিফলে মূল্য ফেরত! এ দেখে এক ব্রিটিশ চালাক লোক চিন্তা করল একই সাথে বোকা বাঙালীকে জব্দ করা এবং ১০০ পাউন্ড ধান্ধা করার এই সুযোগ। একে তো ব্রিটিশ, তার উপর অতি বুদ্ধিমান ভাবুন একবার! যথারীতি ভদ্রলোক গিয়ে ডাক্তারকে বলল- আমার জিহ্বায় কোন কিছুর স্বাদ পাইনা, আমি কোন স্বাদ পরখ করতে পারিনা আমার চিকিৎসা করুন। ডাক্তার বুঝতে পেরে তার এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে তিন ফোটা খাইয়ে দাও। ঔষধ খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক চেঁচিয়ে উঠল- এটা তো কেরোসিন! ডাক্তার: গুড, আপনার জিহ্বা কাজ করা শুরু করেছে, ২০ পাউন্ড দিন। ২০ পাউন্ড হারিয়ে অনেক ভেবেচিন্তে ভদ্রলোক দ্বিতীয় দিন আবার আসল ভদ্রলোক : আমার স্মৃতি কাজ করছেনা, আপনি আমার চিকিৎসা করুন।এসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিয়ে বলল- একে ৪২০ নম্বর বোতল থেকে চার ফোটা খাইয়ে দাও। খাওয়ানোর পর ভদ্রলোক রেগেমেগে একাকার। ব...

আফতাব আলম, একজন সৎ এবং আদর্শ শিক্ষক

আলহাজ্ব আফতাব আলম (রত্তন সিকদার)। একজন সৎ এবং আদর্শ শিক্ষক । সর্বশেষ কর্মস্থল বরগুনা সরকারী বালিকা বিদ্যালয়।এখান থেকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে অবসর গ্রহণ করেন । শিক্ষকতা জীবনে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ছাত্র -শিক্ষক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। অবসর গ্রহণের পরে আমতলীর বিভিন্ন সামাজিক কাজের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি একত্রিত হয়ে গড়ে তুলেছিলেন মুক্ত জীবন নামের একটি সংগঠন ।  জন্ম আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামে । পিতা মরহুম আমিন উদ্দিন সিকদার একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং সমাজসেবক । ১৪ মে, ২০১৭ সনে আমতলীর এই কৃতি সন্তান ইন্তেকাল করেন।

আজ ২৫ মে,বিদ্রোহী কবির ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী

আজ শুক্রবার ২৫ মে,২০১৮, বাংলা ১১ জ্যেষ্ঠ,১৪২৫। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্ম বার্ষিকী। দ্রোহ, প্রেম ও সাম্যের কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম এক বিশেষ স্থান দখল করে আছেন । ১৮৯৯ সাল বাংলা ১৩০৬ সনের এইদিনে বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে কাজী পরিবারে কবির জন্ম। বরেণ্য এ কবি নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। মাত্র ৯ বছর বয়সে পিতা কাজী ফকির আহমেদকে হারান । আর্থিক অণটনে পড়ে বই-খাতা রেখে রোজগারে নামতে হয়েছে। কখনও মসজিদের ইমামতি, মাজারের খাদেমগিরি কিংবা চায়ের দোকানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এজন্য ছেলেবেলায় সবাই তাকে ‘দুখু মিয়া’ বলে ডাকত । আসানসোলের চা-রুটির দোকানে রুটির কাজ করার সময় সেখানে কর্মরত দারোগা রফিজ উল্লাহ’র সঙ্গে পরিচয় হয় নজরুলের। তিনি কিশোর নজরুলকে নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে ১৯১৪ সনে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষা না দিয়েই ১৯১৭ সালে সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন এবং অংশ নেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম জনপ্রিয় হয়েছেন কবিতা ও গানে। ব্রিটিশ শাসকদের...

বাহাদুর খান,খ্যাতিমান নাট্যকর্মী, একজন সাহসী সাংবাদিক

বাহাদুর খান। পুরো নাম খান অবদুল্লাহ আল বাকী। একজন খ্যাতিমান নাট্যকর্মী, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সাহসী সাংবাদিক। যৌবনে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেই যুক্ত হয়েছিলেন বাম ধারার রাজনীতির সাথে। ছিলেন সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রসেনানী। ১৯৮৭ সনে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে প্রায় ৬ মাস কারাবরণ করেছেন। দীর্ঘদিন উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, আমতলী শিল্পকলা একাডেমীর সম্পাদক এবং আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসাবে সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।  জন্ম ১ মার্চ, ১৯৬১ সন আমতলী শহরের নিজ বাসভবনে। পিতা মরহুম বি. করিম খান আমতলী এম.ইউ বালক বিদ্যালয়ের একজন খ্যাতিমান প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ৫ মে, ২০০৬ সনে আমতলীর এই সংগ্রামী মানুষটি ক্যান্সারের মত মরণ ব্যধির কাছে হেরে গেছেন ।

বৈষ্ণব পদাবলী,ভন্ড মজিদ-কুবের ও একজন সুলতান আহমেদ

১৯৮৬ সন। আমি তখন বরগুনা সরকারী কলেজের ছাত্র। রাজনৈতিক কারনে বিকালে আমাদের আড্ডা ছিল বরগুনা বাজার রোডের আবদুল আলিম হিমু সম্পাদিত সাপ্তাহিক বরগুনা কন্ঠের বিপরিতে সাজুর চায়ের দোকানে। অধিকাংশ সময়ে আড্ডার মধ্যমনি ছিল জাসদ নেতা সালাম আলমাস চৌধুরী। এক সময়ে তিনি আমতলী কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ৮৬ সনের জানুয়ারী কি ফ্রেব্রুয়ারী মাস,শীতের সন্ধ্যায় আমরা সাজুর চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছি। অপরিচিত এক ভদ্রলোক ডুকে সালাম দিয়ে আমাদের পাশের টেবিলে বসলেন। খুবই সাধারণ পোষাক পরিচ্ছেদ, হাতে একটি ডায়রী এবং বলার স্টাইল ও উচ্চারণ অনেকটাই স্থানীয় সাদা মাটা । প্রথম দেখায় খুব একটা ভাল না লাগলেও যখন শুনলাম তিনি বরগুনা আলীয়া মাদ্রাসায় বাংলা বিভাগের প্রভাষক এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নে, তখন হঠাৎ করেই তার প্রতি একটা ভাললাগা তৈরী হয়ে গেল। এরপর মাঝেই মাঝেই তিনি আমাদের আড্ডায় আসতেন এবং দিনে দিনে তিনিও হয়ে উঠলেন আমাদের আড্ডার অন্যতম আকর্ষন। তার সহজ সরল বলার স্টাইল হাসতে হাসতে কঠিন কথা বলার কৌশল এবং সাহসীকতা আমাদেরকে খুব আকৃষ্ট করত। এরপর অনেক দিন তারসাথে আর যোগা...

রাশিদুল হাসান খান, একজন খ্যাতিমান আর্কিটেক্ট,একজন তুখোর ছাত্রনেতা

ড. রাশিদুল হাসান খান। একজন তুখোর ছাত্রনেতা, একজন খ্যাতিমান আর্কিটেক্ট ।১৯৭১ সনের রণাঙ্গনের এই সাহসী সৈনিক ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সন পর্যন্ত পর পর দুবার হাসান-তাহের পরিষদে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ৭৫ পরবর্তি সময়ে লেখাপড়া এবং চাকুরীর কারনে দেশের রাজনীতিতে না থেকে তিনি সৌদি প্রবাসী হলেন। ১৯৭৯ সনে তিনি ডক্টরেট করেন । যে কজন আর্কিটেক্ট সৌদি আরবের রাজধানীর আধুনিক রূপ ায়ণের মাস্টার প্ল্যান করেছিলেন তাদের অন্যতম ছিলেন রাশিদুল হাসান খান । দেশে ফিরে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হলেও ছাত্র রাজনীতিতে যতটা সফল ছিলেন মূলধারার রাজনীতির কেমিস্ট্রি বুঝতে না পারায় ঠিক ততটাই অসফল।  জন্ম ২৯ আগস্ট, ১৯৪৮ সনে আমতলী উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামে । পিতা ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন,একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক । ৫ মে, ২০১৮ সনে আমতলীর এই কৃতি সন্তান পটুয়াখালীর নিজ বাসভবনে ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন ।

অজয় কর্মকার, একজন খ্যাতিমান সঙ্গীত শিল্পী

অজয় কর্মকার। একজন খ্যাতিমান সঙ্গীত শিল্পী ।পারিবারিক পরিমন্ডল থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত। জীবনের প্রথম ভাগ হতেই খুলনা ও বরিশাল বেতারের তালিকা ভুক্ত শিল্পী হিসাবে নিয়মিত আধুনিক গান পরিবেশন করতেন।সদা হাস্যোজ্বল এই অসাধারণ ব্যক্তিত্ব গণ সঙ্গীতের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতেন। যুক্ত হয়েছিলেন বাম ধারার রাজনীতির সাথেও। ১৯৭১ সনে ঝাপিয়ে পরেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। যুক্ত ছিলেন খেলাঘর এবং উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাথে। দীর্ঘদিন আমতলী শিল্পকলা একাডেমীর সম্পাদক হিসাবে সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও গড়ে তুলেছিলেন ঝুমুর শিল্পী গোষ্ঠী। জন্ম ১২ এপ্রিল, ১৯৫৩ সনে আমতলী শহরে। পিতা স্বর্গীয় অঞ্জন কর্মকার একজন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক। ২০ মে, ২০১১ সনে আমতলীর এই কৃতি সঙ্গীত শিল্পী আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চির বিদায় নেন।

এ্যাডভোকেট গাজী আমির হোসেন,একজন প্রতিবাদী মানুষের প্রতিকৃতি

এ্যাডভোকেট গাজী আমির হোসেন । একজন প্রতিবাদী মানুষ। মানুষের অধিকার ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সব সময় ছিলেন অকুতোভয় এবং সাহসী যোদ্ধা। দেশ মাতৃকার টানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। যৌবনে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছেন। ন্যাপের মনোনীত প্রার্থী হয়ে ১৯৭৩ ও ৭৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন । আমতলী বনিক সমিতির প্রত িষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘদিন আমতলী এ. কে পাইলট হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসাবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। একজন আদর্শ শিক্ষক হিসাবে ছাএ -অভিভাবক ও বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষকদের কাছে অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৮২ সনে আইন পেশায় যুক্ত হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন। জন্ম ২৫ আগস্ট, ১৯৪২ সনে আমতলী ইউনিয়নের নীলগঞ্জ গ্রামে । পিতা মরহুম আলহাজ্ব আর্শ্বেদ আলী একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক। ২০ মে, ২০০৯ সনে আমতলীর এই কৃতি সন্তান এ মাটি ও মানুষের বন্ধন ছেড়ে চির বিদায় নেন।

মাদকের রমরমা ব্যবসা,রাসেলদের প্রতিবাদী চেতনা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান

শনিবার দুপুরে জুয়া খেলতে বাধা দেয়ায় আমতলীর মানিকঝুরি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রতিবাদকারী রাসেল প্যাদার মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।পিভিএ তে এরকম একটি পোস্ট আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাটি জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে হলেও মুল ঘটনা মাদক কেনা বেচায় বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে।বর্তমান পুলিশ সুপার ও আমতলী পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাদক কেনা বেচা অনেকাংশে হ্রাস পেলেও একেবার ে বন্ধ হয়নি। মানিকঝুরিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে গোপনে রমরমা মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে। আমি মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় রাসেল প্যাদাকে ধন্যবাদ জানাই, তার সৎ সাহসের প্রশংসা করি। আইন এবং সমাজ বিরোধী কাজের প্রতিবাদ করতে গিয়ে রাসেল আজ মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা রাসেলের পাশে দাড়াতে চাই। রাসেলদের মত প্রতিবাদী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আসুন মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি। একই সাথে বরগুনা পুলিশ সুপার,আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও আমতলী পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব, এখনি মানিকঝুরির রমরমা মাদক ব্যবসা এবং এই মাদক ব্যবসায়ীদের বির...

PVA'র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ,আমতলীর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণ সভা

রাজনীতি, শিক্ষা বিস্তার, ব্যবসা বানিজ্য,জীবন জীবিকা, শিল্প -সংস্কৃতি আর চিন্তা- চেতনায় আমতলী একটি অগ্রগামী এবং সমৃদ্ধ জনপদ । আর এ পিছনে রয়েছে এই জনপদে জন্ম নেয়া অসংখ্য কৃতি মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টা, সীমাহীন ত্যাগ আর ভালোবাসা। যাদের অবদানে এ জনপদ সমৃদ্ধ নতুন প্রজন্মের কাছে তারা অনেকটাই অপরিচিত।আমতলীর এসব স্মরণীয় বরণীয় মানুষের অবদান নতুন প্রজম্মের সামনে তুলে ধরবার জন্য People's Voice of Amtali -PVA প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট দিনে ঐ মাসে যারা মারা গেছেন তাদের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নিয়েছে । বর্তমান মাস থেকেই এটি শুরু করতে চাই। এ মাসে আমরা ৫ জনের মৃত্যু বার্ষিকী পেয়েছি। আমাদের জানামতে, ৫ মে বাহাদুর খান ও ড. রাশেদুল হাসান খান, ১৪ মে, আলহাজ আফতাব আলম, ২০ মে, এ্যাডভোকেট গাজী আমির হোসেন ও অজয় কর্মকার। এর বাইরে যদি এ মাসে কারো মৃত্যু বার্ষিকী থাকে প্লিজ আমাদেরকে জানান এবং তার ছবিসহ সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত দিন । তারপরেও কেউ বাদ গেলে আমরা পরবর্তি মাসের স্মরণ সভায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করব। PVA'র এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি সফল করার জন্য প্রয়োজন আমতলীর সকল পর্...

সংসদীয় আসন পুণর্বিন্যাস, ৩০ এপ্রিল শুনানীর রায়: তৃণমুলের স্বপ্ন ও বাস্তবতা

২১ এপ্রিল বিকাল ৩টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরস্থ নির্বাচন কমিশনে বরগুনা ০১ আসনের আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনের দাবীতে গণ শুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভাকেট আবদুল মজিদ মল্লিক এবং ঢাকা বারের সাবেক সম্পাদক এ্যাডভোকেট গাজী শাহ আলমের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন এ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ মল্লিককে শুনানীতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রন জানালে তিনি শুনানীতে অংশগ্রহণ করেন এবং আসন পুণর্বিন্যাসের পক্ষে দালিলিক প্রমানসহ যৌক্তিক দাবী তুলে ধরেন। এসময় জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমতলী পৌরসভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমান শুনানীতে উপস্থিত ছিলেন।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩০ এপ্রিল নিবাচন কমিশন সংসদীয় আসনের সীমানা পুণর্বিন্যাস সংক্রান্ত শুনানীর রায় ঘোষনা করবেন।  বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে ৩টি আসন ছিল। বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা নিয়ে বরগুনা ২ আসন এবং আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে ছিল বরগুনা ৩ আসন। ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সন থেকে ২০০৬ পর্...

রবীন্দ্র জয়ন্তী,রবির আলোয় উদ্ভাসিত হোক বাঙালীর মন ও প্রাণ

আজ পঁচিশে বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭ তম জন্মজয়ন্তী। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে (বাংলা-পঁচিশে বৈশাখ-১২৬৮) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। মাতা সারদা সুন্দরী দেবী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, উপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, ভাষাবিদ, চিত্রশিল্পী-গল্পকার। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে ‘তত্ববোধিনী পত্রিকা’য় তার প্রথম লেখা কবিতা ‘অভিলাষ’ প্রকাশিত হয়। ১৮৭৮ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘কবিকাহিনী ’প্রকাশিত হয়।অসাধারণ সৃষ্টিশীল লেখক ও সাহিত্যিক হিসেবে সমসাময়িক বিশ্বে তিনি খ্যাতিলাভ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় তার সাহিত্যকর্ম অনূদিত ও পাঠ্য সূচিতে সংযোজিত হয়েছে । এ সময় থেকেই কবির বিভিন্ন লেখা দেশ-বিদেশে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ পেতে থাকে। ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় তার ‘গীতাঞ্জলী’। গীতাঞ্জলীর জন্য কবি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ১৩৪৮ সালের বাইশে...

লক্ষী বাঈ খ্যাত লক্ষ্ণৌ, দক্ষিনাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আমতলীর মান্নাদে খ্যাত প্রিয় বল্লভ কর্মকারের সুস্থ্যতা কামনা

আমতলী দক্ষিনাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ।সামাজিক সাংস্কৃতিকভাবেও ছিল বেশ অগ্রগামী।ঐতিহ্যবাহী নুরজাহান ক্লাবকে ঘিরে ৫০ এর দশকের নাট্যচর্চা এবং তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলা পর্যায়ে নাট্য প্রতিযোগিতায় আমতলীর থিয়েটার একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আমতলীর সংস্কৃতিকে পৌছে দিয়েছিল খ্যাতির শিখরে। ৮০ দশকে বরগুনা জেলা পর্যায়ে নাট্য প্রতিযোগিতায় আমতলীর উদীচীর ইলেকশন ক্যারিকেচার, অভিরাম পাওয়া রুটি ভক্ষন এবং ক্ষেপা পাগলার পেচাল এর সফল মঞ্চায়ন তারই ধারাবাহিকতা। শুধু কি নাটক, সঙ্গীত ও সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রেও আমতলী ছিল অনেক এগিয়ে। এ মাটিতে জম্ম নিয়েছেন অসংখ্য খ্যাতিমান শিল্পী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ।  সময়টা ৮০ দশকের প্রথম দিকে। আমরা তখন স্কুলের ছাত্র। সন্ধ্যার পরে এবিএম চত্বর পাড় হলেই মনে হত আমি কোন কল্পনার জগতে এসেছি।একদিকে নুরু বারেকের দোকানে, ফয়সল ভাই , হারুন ভাই কুদ্দুস বিশ্বাস এবং পিছনে মাহবুব উল আলম ঝুন্টু তালুকদার, দেলোয়ার আকনের বাসায় ফুল ভলিউমে টেপ রেকর্ডারে মান্নাদে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় সতিনাথ, মোহাম্মদ রফির গান বাজত, স্বপন ভাইর বাসায় বাজত ভুপেনের গান।অন্যদিকে অজয় কর্মকার, ...

আমতলীর বঙ্গবন্ধু টাউন হল কেবলই স্মৃতি।।

১৯৭৩ সনের মে মাস। নিজামউদ্দিন আহমেদ মাত্র কয়েক মাস প্রথম জাতীয় সংসদে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এসময়েই বঙ্গবন্ধু সরকার পর্যাযক্রমে প্রত্যেক থানায় একটি অডিটরিয়াম নির্মানের সিদ্ধান্ত নেন। সবচেয়ে তরুণ এমপি হিসাবে প্রাথমিক পর্যায়ে আমতলীকে এ কর্মসুচির আওতায় আনা হয়। জায়গা নির্ধারণ,অর্থ বরাদ্দ সম্পন্ন করে নভেম্বর ডিসেম্বর মাসে অডিটরিয়ামের নির্মান কাজ শুরু হয় । নির্মান কাজের দায়িত্বে ছিলেন আমতলীর বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম পাশা তালুকদার। প্রথ ম অডিটরিয়ামের নামকরণ করা হয় আমতলী টাউন হল। সে অনুযায়ী নিজামউদ্দিন আহমেদের পরামর্শে গাজী আমির হোসেন ও আতাহার উদ্দিন আকন ইংরেজী ATH দিয়ে টাউন হলের সামনের ডিজাইন করেন। কিন্তু ১৯৭৫ সনের ফেব্রুয়ারী মাসে নতুন নামকরণ করা হয় বঙ্গবন্ধু টাউন হল। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হলে টাউন হল অসমাপ্ত রেখে নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় টাউন হলের ভিতরে গাছ গাছরায় ভরে যায়। ১৯৭৭ সনের দিকে শাহ আলম তালুকদারের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে চাদা তুলে এখানে একটি ব্যয়ামাগার করা হয়। কিছুদিন এটা ভালভাবে চললেও পরে বন্ধ হয়...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলীসহ বরগুনায় ৩টি সংসদীয় আসনের দাবী ।। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা বরগুনা জেলার আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনের দাবীতে স্বোচ্চার হয়ে উঠছে আমতলী তালতলী বাসী। ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সন থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আমতলী-তালতলীকে নিয়ে জাতীয় সংসদের-১১২ বরগুনা-০৩ পৃথক আসন ছিল। কিন্তু ২০০৮ সনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ভৌগলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনায় না নিয়ে কেবলমাত্র লোক সংখ্যার অজুহাতে জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত ৩টি সংসদীয় আসন থেকে ১টি আসন বিলুপ্ত করে ২টি আসন করেছে। এতে উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে বৈষম্য সহ নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনসহ বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন ৩টি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে ৩টি আসন ছিল। এর মধ্যে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন। বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলার সাথে সড়ক যোগযোগ ব্যবস্থা রয়েছে এবং বেতাগীর যেকোন স্থান থেকে বরগুনা আসতে সময় লাগে সর্বো”্চ একঘন্টা । পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা নিয়ে ছিল বরগুনা ২ আসন । পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার সাথেও রয়েছে অত্যন্ত ভাল সড়ক যোগযোগ। অন্যদিকে আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে ছিল বরগুনা ৩ আসন। এ দু উপজেলার সাথেও রয়েছে সড়ক যোগযোগ। কিন্তু বরগুনার এবং আমতলী,তালতলী উপজেলার মাঝখানে বিশাল পায়রা নদী এবং বেতাগী এবং বামনা পাথরঘাটা উপজেলার মাঝখানে বিশাল বিষখালী নদী থাকা স্বত্বেও কিন্তু ২০০৮ সনে বরগুনা সদর, আমতলী উপজেলা ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন এবং পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ২ আসন করা হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দুরত্বের কারনে সংসদ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে যাওয়া, উন্নয়ন সম্পর্কে খোজ খবর নেয়া কিংবা তৃণমুল পর্যায়ের কোন জনগণকে স্থানীয় সমস্যা নিয়ে সংসদ সদস্যর কাছে খুব কষ্টকর হয়ে পরেছে।ফলে দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুকিতে থাকা উপকুলীয় বরগুনা জেলার উন্নয়ন বরাদ্দ কমছে এবং উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাহত হচ্ছে । অবহেলিত এ জেলার উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে এখানকার রাজনৈতিক নেতারা শুরু থেকেই আসন পূর্নবিনাসের বিরোধিতা করেন।বরগুনা ১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু আসন পূর্নবিনাসের বিরোধীতা করে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদনও করেছিলেন। তার অভিযোগ ছিল আসন পূর্নবিন্যাস করা হলে দুর্ভোগ বাড়বে। প্রার্থীদের গনসংযোগের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এতে এলাকার দুরত্ব অনেক বেড়ে যাবে। উন্নয়নে ব্যাহত হবে। আসন সংখ্যাকমে যাওয়ায় জেলার গুরুত্ব ও রাজনৈতিক গুরুত্ব কমে যাবে। তিনি বলেন বড় বড় দুটি নদী পথ অতিক্রম করে অন্য উপজেলার সাথে যোগযোগ করতে হচ্ছে। তিনি পূর্বাবস্থায় বরগুনা ৩টি আসন করার দাবী জানান। সাবেক সাংসদ ও বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন বরগুনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ ৩টি উপজেলা নিয়ে এক একটি আসন করার ফলে জনসাধারণের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না তিনি এই জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানান । সাবেক সাংসদ মতিয়ার রহমান তালুকদার বলেন বরগুনা জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের একটি আসনকে বিলুপ্তি করা ছিল অযৌক্তিক। তিনি আমতলী-তালতলীকে ভিন্ন সংসদীয় আসনের দাবী করেন। সাবেক সাংসদ এ্যাডঃ আব্দুল মজিদ মল্লিক বলেন এ সিদ্ধান্ত আমতলী তালতলীর উন্নয়ন ব্যাহত করছে। আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি জি এম দেলওয়ার হোসেন বলেন তিনটি উপজেলা নিয়ে একটি সংসদীয় আসন গঠন করায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। আমতলী পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান, আমতলী-তালতলীকে নিয়ে পৃথক সংসদীয় আসনের দাবী করেন।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা বরগুনা জেলার আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনের দাবীতে স্বোচ্চার হয়ে উঠছে আমতলী তালতলী বাসী। ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সন থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আমতলী-তালতলীকে নিয়ে জাতীয় সংসদের-১১২ বরগুনা-০৩ পৃথক আসন ছিল। কিন্তু ২০০৮ সনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ভৌগলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনায় না নিয়ে কেবলমাত্র লোক সংখ্যার অজুহাতে জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত ৩টি সংসদীয় আসন থেকে ১টি আসন বিলুপ্ত করে ২টি আসন করেছে। এতে উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে বৈষম্য সহ নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকা আমতলী-তালতলী উপজেলাকে নিয়ে জাতীয় সংসদের আলাদা আসনসহ বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন ৩টি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। বরগুনা জেলার ৬ টি উপজেলা নিয়ে ৩টি আসন ছিল। এর মধ্যে বরগুনা সদর ও বেতাগী উপজেলা নিয়ে বরগুনা ১ আসন। বরগুনা সদর ও বেতাগী ...

সক্রেটিস, রাস্তার নির্বোধ যুবক ও একটি সোনার মোহর।।

সক্রেটিস একদিন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন ।এক যুবক পাশ থেকে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করছিলেন। সক্রেটিস ভ্রুক্ষেপ না করে হেটে যাচ্ছেন দেখে এক ভদ্রলোক এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন আপনাকে ঐ যুবক গালাগাল করছে আর আপনি কিছুই বলছেন না। সক্রেটিস হাটতে হাটতে তাকে বললেন রাস্তায় এক ভিক্ষুক ভিক্ষা করছে, আপনি পকেট থেকে একটি সোনার মোহর বের করে ভিক্ষুককে দিতে চাইলেন কিন্তু ভিক্ষুক সেটা নিল না, তাহলে সেটা কার কাছে থাকবে। ভদ্রলোক স্বাভাবিকভাবেই জবাব দিলেন কেন আমার কাছে। সুতরাং নির্বোধদের সাথে অপ্রয়োজনে তর্কে জড়াবেন না, নির্বোধরা আপনাকে তার কাতারে দাড় করাবে।

স্বামী বিবেকানন্দ ও দর্জির দোকানের ভদ্রতা ।।

একদিন নিউ ইয়র্কের রাস্তা দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ হেটে যাচ্ছিলেন। পথে পরিচয় হয় এক আমেরিকান ভদ্রলোকের সাথে। ধুতি কোর্তা আর পাগড়ি ছিল স্বামীজির পোষাকের বিশেষত্ব । এই বিশেষ ধরণের পোষাক দেখে আমেরিকান ভদ্রলোক স্বামীজিকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন ভদ্রলোকের পোষাক পর না ?  তার কথা শুনে স্বামীজি স্মিত হেসে জবাব দিলেন,তোমার দেশে ভদ্রলোক তৈরী হয় দর্জির দোকানে আর আমার দেশে ভদ্রলোক তৈরী হয় আচার-আচরণ এবং চরিত্রে।  সুন্দর পরিপাটি পোষাক অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তবে শুধু কোর্ট টাই পরলেই ভদ্রলোক হওয়া যায়না । চাল -চলন আচার -আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং নৈতিক মূল্যবোধই ভদ্রলোক তৈরী করে।এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট, স্ট্যাটাস এবং কমেন্ট দেখেই অনেক ক্ষেত্রে একজন মানুষকে বিচার করা যায় সে কতটা ভদ্রলোক।

আমতলীর কৃতিমানদের নিয়ে'স্মৃতি চির অম্লান।।

আমতলী দক্ষিনাঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ। ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আমতলীর গুলিশাখালীতে একটি প্রশাসনিক থানা স্থাপিত হয় । বরগুনা ও খেপুপাড়া গুলিশাখালী থানাধীন ছিল । নদী ভাংগন এবং এক প্রান্তে হওয়ায় ১৯০১ সনে গুলিশাখালী থানা হেড-কোয়ার্টার মধ্যবর্তী স্থান আমতলীতে স্থানান্তর করা হয় এবং ১৯০৪ সনে থানার নামকরণ করা হয় আমতলী। সময়ের বিবর্তনে আমতলী থেকে বিভক্ত হয়ে বরগুনা আজ জেলা এবং কলাপাড়া একটি উন্নত জনপদ। অথচ তৎকালীন সময় আমতলীকে মহাকুমা করার কথা ছিল । ১৯৬ ৫ সালে মৌলিক গণতন্ত্রের অধীনে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে আমতলীর প্রার্থী ডাঃ ফজলুর রহমান মাত্র ১ ভোটে হারার মধ্যদিয়ে আমতলীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে। আমতলীকে মহাকুমায় উন্নীত করার দাবী অগ্রাহ্য করে ১৯৬৯ সনে বরগুনা মহকুমায় উন্নীত হয়। ১৯৮২ সালের ৩ নভেম্বর আমতলীকে উপজেলা এবং বরগুনাকে জেলা ঘোষনা করা হয়।অথচ সেদিন আমতলীর কৃতি সন্তান ডা: ফজলুর রহমান নির্বাচিত হলে আজকে জেলা হত আমতলী। তবে সময়ের বিবর্তনে আমতলী আজ অমিত সম্ভাবনাময়ী এক জনপদ। কলাপাড়া-আমতলী -তালতলীকে কেন্দ্র করে দক্ষিনাঞ্চলের যে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ আমতলী তার gate way. আর এই সমৃদ্ধির পেছনে রয়েছে আমতল...

নরকের পাচীল,লাস্কির গণতন্ত্রের বৈচিত্র্য ও PVA'র স্বপ্ন

নাগরিক সাংবাদিকতাকে ভিত্তি করে আমতলীতে আরো কয়েকটি ফেসবুক গ্রুপ, অন লাইন পত্রিকা সক্রিয় হয়েছে। এটি আমাদের জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ। প্রথমত এতে আমতলীর সমস্যা সম্ভাবনার সংবাদ অনেক বেশী প্রকাশিত হবে। দ্বিতীয়ত, একটা সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গুনগত মান বাড়বে। তবে আমার ভাল লাগার বড় আরেকটি কারন হচ্ছে, যারা এতদিন নাগরিক সাংবাদিকতাকে নাক ছিটকাতো তারা নাগরিক সাংবাদিকতায় যুক্ত হচ্ছে, নাগরিক সাংবাদিকদের Promote করতে এগিয়ে আসছে । বাংলাদেশে শুরু থেকে আমরা যারা নাগরিক সাংবাদিকতাকে সমর্থন করছি, নাগরিক সাংবাদিতার মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যা তুলে ধরে সমাধানে উদ্যোগী ভুমিকা পালন করছি, এটি কেবল তাদের কয়েকজনের বিজয় নয়, আরব বসন্ত পরবর্তি নাগরিক সাংবাদিকতা বনাম মুলধারার সাংবাদিকতার মধ্যে যে আদর্শগত বিরোধ তার একটি ক্ষুদ্র বিজয়। হ্যারল্ড লাস্কির ভাষায় গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হচ্ছে বৈচিত্র্য। সুতরাং শত ফুল ফুটতে দিন।  একবার নরকের সুপারভাইজার নরকের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনে গিয়ে দেখেন সব কিছুই ভালভাবেই চলছে। প্রত্যেকটি নরক উচু পাচীল দিয়ে ঘেরা এবং মূল ফটকে গার্ড ভালভাবে দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু...

হলুদ সাংবাদিকতা , যোশেফ পুলিৎজার এবং আমেরিকা-স্পেন যুদ্ধ

গত কয়েকদিন ধরে পিভিএতে সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। গ্রুপ সদস্যরাও অলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন এবং অম্ল-মধূর বাক্য ব্যয় করছেন। কারো কারো আলোচনায় মনে হয় সাংবাদিকরাই নাটের গুরু। ভাবখানা এরকম-যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর সাংবাদিকদের গালি দেয়ার জন্য এ যাবত সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা শব্দ যুগল হচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা করছেন কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা শব্দ যুগল কখনো শোনেননি এরকম কেউ আছেন বলে আমার মনে হয় না । পেশাগত কাজে না শুনলেও সাংবাদিকদের গালি গালাজ করার জন্য রাজনৈতিক নেতা বা উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তারা অহরহ হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি ব্যবহার করছেন আর তাদের গালি গালাজ শুনতে শুনতে আমার বিশ্বাস প্রত্যেক সাংবাদিকের এ শব্দটি মুখস্থ হয়ে গেছে । কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতা কি, কেনই বা সংবাদপত্রে পরিভাষার উদ্ভব হলো আর কেনইবা এতো রং থাকতে হলুদকেই বেছে নেয়া হলো এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই আজকের পিভিএর আয়োজন। হলুদ সাংবাদিকতা কি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকেই হলুদ সাংবাদিকতা বলে । এ ধরনের সাংবাদিকতায় তথ্যানুসন্ধান না করেই দৃষ্টি...

বৈশাখী ঐতিহ্য ও আমতলীতে মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস

মঙ্গল শোভাযাত্রা প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে আয়োজিত একটি তুলনামূলকভাবে নতুন বর্ষবরণ উৎসব। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলাদেশের ঢাকা শহরে এটি প্রবর্তিত হয়। একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব হিসাবে সারাদেশে এটি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আবেদনক্রমে ২০১৬ সনের ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশের ‘‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’’ কে বিশ্বের অগুরুত্বপূর্ণ অধ রা সাংস্কৃতিক ঐতিহ‌্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। আমতলীতে মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস খুব পুরানো নয়। যতটা মনে পরে বাংলা ১৩৯৯ সনের ২৬ কি ২৭ চৈত্র বিকালে স্বপন সিদ্দিকী, বাহাদুর খান এবং আমি ইউএনও অফিসের সামনে যতীন বাবুর রেস্তোরায় আড্ডা দিচ্ছিলাম। তখন আমাদের সারাদিনের আড্ডাটা ছিল ওখানে এবং আমরা কয়েকজন যতীন বাবুর একরকম নিয়মিত কাস্টমার। আড্ডার এক পর্যায়ে বাহাদুর ভাই আজি হতে শত বর্ষ পরে কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতা খানি বরীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ১৪০০ সাল কবিতাটি আবৃত্তি শুরু করলে কবিতাটি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। যেহেতু কয়েকদিন পরেই বাংলা ১৪০০ সাল এ উপল...

বৈশাখী মেলার প্রাণের উৎসবে আমতলী ও অম্ল-মধুর স্মৃতি

 বৈশাখ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব। বাঙালির জীবনে পহেলা বৈশাখ আসে অন্যরকম স্বপ্ন আর অমিত সম্ভাবনার ফুলঝুড়ি নিয়ে, জরা ও জীর্ণ, দীনতা ও নীচতাকে পিছে ফেলে সুন্দরের পথে অবিরাম হাঁটার ও শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার অঙ্গীকার নিয়ে । কয়েশ’ বছর ধরে জীবনের নানা অনুষঙ্গকে ধারণ করে এ দিনটি বাঙালিরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে উদযাপন করে আসছে। নতুন দিনের কেতন ওড়ানো পহেলা বৈশাখের গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন বৈশাখী মেলা। নতুন বর্ষকে বরণের পাশাপাশি উৎসবকে পরিপূর্ণতা দেয় বৈশাখী মেলা। এই মেলা বাঙালির শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য। পহেলা বৈশাখ কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয় এ মেলার। ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মোগল সম্রাট বাদশা আকবরের সময় বাংলা সনের উদ্ভবের পরপরই বৈশাখের প্রথম দিনকে উদযাপন করে আসছে । বৈশাখ উদযাপনের অনুষঙ্গ হিসেবে পরবর্তীতে যুক্ত হয়েছিলো বৈশাখী মেলা। পহেলা বৈশাখ উদযাপনে সার্বজনীন উৎসবের যে রূপ আমরা দেখতে পাই, বৈশাখী মেলা সেই রূপকে পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করে। ধারণা করা হয়, ১৮৬৪ সালে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে প্রথমবারের মতো পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান করা হয়। ১৯৭৭ সালে সাহিত্যপত্র ‘...

তারুণ্যের স্বপ্ন:একটি ভিন্নধর্মী ব্যবসায়িক উদ্যোগ।।

আমতলী -তালতলী- কলাপাড়া এবং গলাচীপার সীমান্ত লাগোয়া উপকুলের একঝাক তরুণ। সদ্য লেখা পড়া শেষ করে কেউ চাকুরী করছেন, কেউ ব্যবসা। কয়েকজন কিছুই করছেন না, শুধু স্বপ্নই দেখছেন। লাল,সবুজ,কমলা মেরুণ -সাত রংয়ের বাহারী স্বপ্ন। কেউ স্বপ্নের খেয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন বিদেশ বিভুইয়ে। তবে সবার মধ্যে অসাধারণ একটা মিল,দেশকে নিয়ে ভাবেন,স্বপ্নের ডানায় ভর করে ফিরে যেতে চান শেকড়ে। উন্নয়ন, উৎপাদন ও বিপণনে প্রযুক্তির ব্যবহার ও বিনিয়োগে রাখতে চান অবদান।  আমতলী -তালতলী -কলাপাড়া দক্ষিনাঞ্চলের সম্ভাবনাময়ী অঞ্চল। পদ্মা ব্রীজ, ঢাকা - কুয়াকাটা রেললাইন, পায়রা সমুূদ্র বন্দর,তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র,কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র,তালতলী ইকো পার্ক, জাহাজ ভাংগা ও নির্মান শিল্প এবং অর্থনৈতিক জোন সব মিলিয়ে বিশাল ব্যবসা -বানিজ্য সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়ে উঠবার অফুরন্ত সম্ভাবনা। নিজেদের শ্রম মেধা পুজি প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বপ্ন-সম্ভাবনা আর বাস্তবের মেলবন্ধন ঘটাতে একটি ভিন্নধর্মী ব্যবসায়িক উদ্যোগ তারুণ্যের স্বপ্ন।এটি শুধু মুনাফা নির্ভর নয়, থাকবে সামাজিক উদ্যোগ মানবিক সাড়াদান।ছোট ছোট ব্যবসায়িক উদ্যোগের পাশাপাশি ভাবছেন মেগা...

স্টিফেন হকিংস’র প্রেমিকা ও PVA এর সফলতা -ব্যর্থতার গল্প

মাত্র ৩৮ ঘন্টা আগে পৃথিবীর সকল মায়া ত্যাগ করে চির বিদায় নিলেন বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী A Brief History of Time বইয়ের লেখক Stephen William Hawking । ১৯৬৪ সন, হকিংস ক্যামব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বোনের বান্ধবী Jane Wilde কে প্রথম দেখাতেই প্রেমে পরে গেলেন । একেই বলে Love at the first sight । আর কি প্রেম, একদম সরাসরি ইনগেজমেন্ট এবং ১৯৬৫ সনে বিয়ে । তখনই হকিংস এর শরীরে motor neurone disease ধীরে ধীরে বাড়ছে। স্ত্রীর ভালবাসা আর সেবা পেয়ে হকিংস শুধু সুস্থ্য হয়ে উঠলেন না নতুন উদ্যমে শুরু করলেন লেখাপড়া আর কাজ । মিডিয়ার সামনে বলেই ফেললেন Jane Wilde এর সাথে প্রণয়ই আমাকে কিছুটা বাচতে এবং দুনিয়াটা ঝাকুনি দিতে শিখিয়েছে । People's Voice of Amtali- PVA শুরুতেই একটি চ্যালেঞ্জের মুখে পরেছে। বরগুনা জেলা প্রশাসন, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের প্রচেষ্টায় সমস্যা তুলে আনা, তাৎক্ষনিক সমস্যা সমাধান করে Citizen's Voice-Barguna শুধু জনপ্রিয়তাই অর্জন করেনি Citizen's Journalism এর ক্ষেত্রে একটি role model হয়ে উঠেছে । এটি PVA এর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারন সবাই CVB এর মত PV...

লেডি জাস্টিসিয়া ,তেতুল হুজুর ও সমকালীন বাস্তবতা

আবারো বলি এটা মুর্তি নয় এটা ভাস্কর্য । আমি এখানে শিল্পের এসথেটিক জাজমেন্ট করছি না । শিল্প বিচারে ডালির Persistence of Memory বা মাইকেল এঞ্জেলোর Last judgement নিয়েও বিতর্ক আছে । তবে subjective, objective, content and unity বিচার করে যেভাবে Statue of Liberty বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র সাম্য স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠছে তেমনি দেবী থেমিসের স্ট্যাচুও ন্যায় বিচারের প্রতীক লেডি জাস্টিসিয়া হিসাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে । বিশ্বের অনেক দেশের বিচারালয়ের সামনে এ স্ট্যচু রয়েছে । এমনকি মুসলিম দেশগুলোর বিচারালয়ের সামনেও । এনিয়ে কোথাও কোন বিতর্ক নেই । ধর্মের সাথে কোন রুপ সাংঘর্ষিকও নয় । বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশের মসজিদের সামনেও স্ট্যাচু রয়েছে কই তারা তো এসব নিয়ে বিতর্ক করে না । রমজানের আগে তেতুল হুজুরগণ সমাজের অনৈতিক কর্মকান্ড , অবৈধ আয় , জুয়া সূদ ঘুষ নিয়ে কথা বলছি না । মাতামাতি শুরু করলাম ন্যায় বিচারের প্রতীক নিয়ে .